মক্কা চুক্তি : বিশ্বের চোখ বাংলাদেশের দিকে


মাসউদুর রহমান , আপডেট করা হয়েছে : 26-08-2026

মক্কা চুক্তি : বিশ্বের চোখ বাংলাদেশের দিকে

গত ৭ আগস্ট ২০২৬, সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কায় এক ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এই তিন নেতা একসঙ্গে বসে সই করেন ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ (Mecca Joint Defence Agreement)। চুক্তির মূল কাঠামো অনেকটাই ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের আদলে তৈরি। তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সামরিক আগ্রাসন হলে তা তিন দেশের ওপরই আগ্রাসন বলে গণ্য হবে এবং যৌথভাবে তার জবাব দেওয়া হবে।

এই চুক্তি স্বাক্ষরের কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশের সরকারের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা বর্তমানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকলে বাংলাদেশ এই জোটে যোগ দিতে আগ্রহী। তার এই মন্তব্যের পরপরই দিল্লি, আঙ্কারাসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মহলে আলোড়ন শুরু হয়। বাদ যায়নি ইসরায়েলও। ঢাকায়ও এ নিয়ে বেশ আলোচনা। এ সমস্ত দেশের মিডিয়াতেও এ নিয়ে ফলাও করে প্রচারিত হয় বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। মিডিয়ার দাবি বাংলাদেশও এ চুক্তিতে যোগ দিতে গ্রীন সিগনাল দিয়েছে। 

অনেকেই ভাবতে শুরু করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ মুহূর্তে ভারত সফরে না যাবার পেছনেও কী এ চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদান ইস্যু? কারণ সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফর করানোর জন্য দিল্লি নজীরবিহীন তৎপরতা চালায়। সোমবার ২৪ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর বলেন, এই নিয়ে দুই দেশ কাজ করছে। ঢাকা-দিল্লির সুবিধামত সময়ে এ সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হবে। ফলে ধরেই নেয়া যায় আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যেহেতু তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাবেন, এবং জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দেবেন, ওই সফরের আগে আর ভারত সফর হচ্ছে না বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর। 

মক্কা চুক্তি আসলে কী

সহজ ভাষায় বলা যায়, আপাতত মক্কা চুক্তি একটি ত্রিপক্ষীয় সম্মিলিত প্রতিরক্ষা কাঠামো, যেখানে তিনটি ভিন্ন শক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে একটা জোট করা হয়েছে। এ তিনের কার কী সামার্থ দেখা যাক এক নজরে। 

সৌদি আরব: বিপুল আর্থিক সামর্থ্য, অফুরান জ্বালানি ও উপসাগরীয় অঞ্চলে প্রভাব। 

তুরস্ক: ড্রোন, নৌ-প্ল্যাটফর্ম ও যুদ্ধবিমান প্রযুক্তিতে বর্তমান সময়ে সুখ্যাতি ও অগ্রগতি। 

পাকিস্তান: পারমাণবিক অস্ত্রধারী সামরিক শক্তি এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ইতিহাস (১৯৫৫ সালের বাগদাদ চুক্তি থেকে শুরু করে রিয়াদভিত্তিক ইসলামিক মিলিটারি কাউন্টার-টেররিজম কোয়ালিশনে নেতৃত্বদান পর্যন্ত)। 

চুক্তিটি সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট দেশকে লক্ষ্য করে করা হয়নি বলে তুর্কি কর্মকর্তারা দাবি করলেও, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ইসরায়েলের সঙ্গে আঞ্চলিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটেই এটি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তুরস্ক ইতিমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে যে জোটের দরজা অন্য দেশের জন্যও খোলা। যেমনটা মিসরকে যুক্ত করার প্রচেষ্টা চলছে, যদিও কায়রো এখনো দ্বিধান্বিত। বিশেষ করে মুসলিম দেশসমূহ এ জোটে অন্তর্ভুক্ত হওয়া সহজ হবে। বাংলাদেশের প্রবেশের পথ সুগম এখানেই। 

বাংলাদেশ কেন আগ্রহী: ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট 

প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের মতো দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ কেন মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক এই প্রতিরক্ষা কাঠামোয় যোগ দিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে? এর উত্তর খুঁজতে হলে গত কয়েক বছরের বাংলাদেশের কূটনৈতিক অবস্থান পর্যালোচনা করা জরুরি।

১. কোয়াডের চাপ ও ভারসাম্যের নীতি

দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের ওপর কোয়াড-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাঠামোতে যুক্ত হওয়ার পরোক্ষ চাপ ছিল। বাংলাদেশ সেই আমন্ত্রণে সাড়া দেয়নি। নিজেকে কোনো একক শক্তি-জোটের অংশ হিসেবে দেখাতে চায়নি ঢাকা। অথচ ভৌগোলিক ও কৌশলগত বাস্তবতায় বাংলাদেশ বহুদিন ধরেই ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে। এই দ্বৈত অবস্থান- কোয়াডে যোগ না দেওয়া অথচ তার কৌশলগত ময়দানে থাকা, বাংলাদেশকে একটি স্পর্শকাতর ভূরাজনৈতিক অবস্থানে রেখেছে। বলে রাখা ভাল, কোয়াড হলো চীনের অগ্রগতি প্রতিহত করতে যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ার সমন্বয়ে এক জোট। 

২. অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রনীতি পুনর্বিন্যাস

২০২৪ সনের জুলাইয়ের আগে প্রায় ১৭ বছর বাংলাদেশে শাসন করা আওয়ামী লীগ সরকারের উপর ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ রেখে দাপট দেখায়, প্রভাব বিস্তার করে। ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে লক্ষণীয় রূপান্তর ঘটেছে। ভারতের ওপর একচেটিয়া নির্ভরতা কমিয়ে পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পাকিস্তান নিজেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করতে সক্রিয়, যা এই কৌশলগত সমীকরণকে আরও ত্বরান্বিত করছে।

৩. সৌদি আরবের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক

সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অর্থনৈতিক, ধর্মীয় ও জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে বহুদিনের এবং গভীর। গত ২৪ আগষ্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত আবদুল্লাহ জাফের এইচ বিএন আবিয়াহ ওইদিন সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ক্রাউন প্রিন্সের আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বলেন, বৈঠকে ‘দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট’ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ফলে এমনি মুহুর্তে সৌদী প্রিন্সের আমন্ত্রন ও সৌদি সফরের পরিকল্পনাও এই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করার ইঙ্গিত দেয়। 

৪. ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি

বিএনপি সরকারের নীতি অনুসারে বাংলাদেশ কোনো জোটে যোগ দেওয়ার আগে জাতীয় স্বার্থ, আঞ্চলিক বাস্তবতা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি ইতিবাচক অবস্থান বা সম্ভাবনার দরজা খোলা রাখা। 

নিরাপত্তা কতটা বাড়বে বাস্তবতা যাচাই

মক্কা চুক্তিতে যোগ দিলে বাংলাদেশের নিরাপত্তা আক্ষরিক অর্থে কতটা বাড়বে, তা নিয়ে সতর্ক বিশ্লেষণ প্রয়োজন। এ নিয়ে কয়েকটি দিক বিবেচ্য 

ইতিবাচক দিক: 

তত্ত্বগতভাবে বাংলাদেশ তার সামরিক দৃষ্টিকোন থেকে সামার্থে ঢের পিছিয়ে। সীমান্ত বর্তী অঞ্চলের যে শক্তিমত্বা, তাতে বাংলাদেশ একেবারেই কোনঠাসা। এতে নানা ভাবে নিগৃহীত হতে হয় নানা দৃষ্টিকোন থেকে। ফলে সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চয়তা বাংলাদেশকে একটি বৃহত্তর নিরাপত্তা ছাতার আওতায় আনতে পারে, বিশেষত সামরিক প্রযুক্তি বিনিময়, প্রশিক্ষণ ও কূটনৈতিক সমর্থনের ক্ষেত্রে। 

অস্পষ্টতা

চুক্তির ভৌগোলিক সীমা, সক্রিয়করণ পদ্ধতি ও সামরিক কমান্ড কাঠামো এখনো অস্পষ্ট। কোন পরিস্থিতিতে, কীভাবে এই যৌথ প্রতিরক্ষা সক্রিয় হবে তা এখনো জনসমক্ষে স্পষ্ট করা হয়নি। দক্ষিণ এশিয়া থেকে ভৌগোলিকভাবে দূরবর্তী একটি মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক জোটের কাছ থেকে বাংলাদেশ প্রকৃত সামরিক সংকটে কতটা ও কত দ্রুত সহায়তা পাবে, তা এখনো প্রশ্নসাপেক্ষ।

তাই বিশ্লেষকদের একাংশের মত হলো এই জোটে যোগদানের মূল লাভ নিরাপত্তার চেয়ে বেশি হবে কূটনৈতিক ও প্রতীকী পুঁজি অর্জনে, যা বাংলাদেশকে একাধিক শক্তির সঙ্গে সমান্তরাল সম্পর্ক বজায় রাখার সুযোগ দেবে।

ভারত কেন উদ্বিগ্ন

ভারতের উদ্বেগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি নাম পাকিস্তান। এই উদ্বেগের কারণগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়- 

১. সীমান্তে পাকিস্তানের সম্ভাব্য উপস্থিতি

ভারতের কৌশলগত মহলের আশঙ্কা, বাংলাদেশ যদি এই জোটে যোগ দেয়, তাহলে পাকিস্তান ভারতের পশ্চিম সীমান্তে দীর্ঘদিনের সামরিক চাপ বজায় রাখার পাশাপাশি পূর্ব দিকেও বাংলাদেশের মাধ্যমে একটি কৌশলগত অবস্থান পেয়ে যেতে পারে। এতে ভারত কার্যত দুই দিক থেকে চাপে পড়ার শঙ্কায় রয়েছে। যদিও চুক্তিতে প্রকাশ্যে এমন কোনো শর্ত নেই যে সদস্য দেশ একে অপরকে ভূখণ্ড বা সামরিক সুবিধা ব্যবহারের অধিকার দেবে, তবু ভবিষ্যতে সংকটকালে এই ধরনের ব্যবস্থা কার্যকর হতে পারে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেছে। 

তবে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে একক প্রভাবশালী শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রাখতে চেয়েছে। বাংলাদেশের মতো প্রতিবেশী দেশ যদি সৌদি-তুর্কি-পাকিস্তানি ব্লকের অংশ হয়ে যায়, তাহলে তা ভারতের সেই কৌশলগত একচেটিয়া অবস্থানে ফাটল ধরাতে পারে। এটাই দুশ্চিন্তার আসল কারণ। 

৩. ইসরায়েল-ভারত কৌশলগত সংযোগ

লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, চুক্তি স্বাক্ষরের দিনই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে ফোনালাপ হয় বলে জানা গেছে, যেখানে দুই দেশের বিশেষ কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। সৌদি অর্থ, তুর্কি প্রযুক্তি ও পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের সমন্বয়ে গঠিত এই জোটকে একটি অভিন্ন কৌশলগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছে দিল্লি ও তেল আবিব। বিশেষত পাকিস্তান-চীন প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গভীরতার প্রেক্ষাপটে।

৪. ভারতের সরকারি প্রতিক্রিয়া

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে অতি সতর্ক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল সাংবাদিকদের বলেছেন, ভারত পশ্চিম এশিয়ার ঘটনাপ্রবাহ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক শান্তির দৃষ্টিকোণ থেকে এই চুক্তির প্রভাব খতিয়ে দেখছে। এই সংযত ভাষা প্রকৃতপক্ষে ভারতের সতর্কতারই প্রতিফলন নাটকীয় প্রতিক্রিয়ার বদলে কৌশলগত পর্যবেক্ষণের পথ বেছে নিয়েছে দিল্লি।

একই সময়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, যদিও এ বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

সবশেষ 

মক্কা চুক্তি ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান একটি সুচিন্তিত ভারসাম্যের কৌশল কোনো একক শক্তিকেন্দ্রের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরতা এড়িয়ে একাধিক পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক বহুমুখী করার প্রয়াস। এটি অনেকটা বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’ নীতিরই সম্প্রসারিত রূপ।

তবে এই পথ ঝুঁকিমুক্ত নয়। ভারতের মতো নিকটতম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন তৈরি হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না, বিশেষত সীমান্ত বাণিজ্য, নদীর পানিবণ্টন ও যোগাযোগ খাতে ভারতের ওপর বাংলাদেশের যে বাস্তব নির্ভরতা রয়েছে, তা বিবেচনায় রাখতে হবে। অন্যদিকে, চুক্তির কার্যকারিতা ও প্রকৃত নিরাপত্তা সুবিধা এখনো তাত্ত্বিক পর্যায়ে এর বাস্তব রূপ নির্ভর করবে আগামী দিনে এই জোটের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো কতটা স্পষ্ট ও কার্যকর হয়ে ওঠে তার ওপর।


প্রকাশক: মঞ্জুর হোসেন

সম্পাদক: মিজানুর রহমান

House : 29, Road : 01 Sector : 02, Block :F Aftabnagar, Dhaka:1212 (Opposite China Building) E-mail : deshusdhaka@gmail.com (Advertising & News For Bangladesh)