নিউইয়র্কে স্বাস্থ্যসেবায় এক বাংলাদেশির নজিরবিহীন জালিয়াতি


দেশ রিপোর্ট , আপডেট করা হয়েছে : 14-01-2026

নিউইয়র্কে স্বাস্থ্যসেবায় এক বাংলাদেশির নজিরবিহীন জালিয়াতি

নিউইয়র্ক স্টেটের স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচি কনজ্যুমার ডাইরেক্টেড পারসোনাল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম (সিডিপ্যাপ)-এ গত এক দশকের বেশি সময়ে ভয়াবহ মাত্রার জালিয়াতি, অপচয় ও মধ্যস্বত্বভোগী দুর্নীতির চিত্র সামনে এসেছে নিউইয়র্ক পোস্টের গত ৮ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে। পোস্টার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই কর্মসূচির মাধ্যমে নিউইয়র্কের করদাতাদের অন্তত ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার অপচয় বা আত্মসাৎ হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা স্টেটের আলোচিত ডে-কেয়ার জালিয়াতি কেলেঙ্কারির তুলনায় ‘দশ গুণ বড়’ বলে মন্তব্য করেছে।

এ জালিয়াতির একটি চরম উদাহরণ হলো বাংলাদেশি বিল্লাল হোসেনের ঘটনা। নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের এই বাসিন্দা তার অসুস্থ মায়ের দেখভালের অজুহাতে সিডিপ্যাপ কর্মসূচিতে এক ডজন পরিবারের সদস্যকে কেয়ারগিভার হিসেবে নিবন্ধন করান। ছয় বছরে তারা মোট ৩ লাখ ৪৮ হাজার ডলার পারিশ্রমিক পান। অথচ বাস্তবে তার মা পুরো সময়টাই বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন। তদন্তকারীরা যখন পরিদর্শনে আসতেন, তখন বিল্লালের ভাই অসুস্থ মায়ের ভান করতেন। শেষ পর্যন্ত বিষয়টি ধরা পড়লে বিল্লাল হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি গ্র‍্যান্ড লারসেনি বা বড় অঙ্কের চুরির অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়ে সাজা পান।

বিল্লাল হোসেনের ঘটনা

নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের এক বাসিন্দা বিল্লাল হোসেনকে ওয়েলফেয়ার ও বেকার ভাতা কর্মসূচিতে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাতের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে ২০১৮ সালে । ৪৬ বছর বয়সী বিল্লাল হোসেন একাধিক জালিয়াতি পরিকল্পনার মাধ্যমে ৬ লাখ ডলারেরও বেশি ওয়েলফেয়ার ও বেকার ভাতা চুরি করেন। আদালত তাকে দুই বছর চার মাস থেকে সর্বোচ্চ ৭ বছরের রাজ্য কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে এবং তার বাসা থেকে উদ্ধার করা ৬ লাখ ৩ হাজার ডলার নগদ অর্থ পুরোপুরি ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

নিউইয়র্ক কাউন্টি সুপ্রিম কোর্টে দেওয়া রায় অনুযায়ী, বিল্লাল হোসেন দ্বিতীয় ডিগ্রির দুটি এবং তৃতীয় ডিগ্রির একটি গ্র‍্যান্ড লারসেনির অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। তদন্তে উঠে আসে, ২০১১ সালের শুরু থেকে ২০১৭ সালের শুরু পর্যন্ত তিনি এক ডজনের বেশি বন্ধু ও আত্মীয়কে ব্যবহার করে মেডিকেইড-তহবিলভুক্ত কনজ্যুমার ডাইরেক্টেড পারসোনাল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম (সিডিপ্যাপ)-এর আওতায় ভুয়া চাকরি ও সেবার তথ্য দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করেন। এসব ব্যক্তির মধ্যে তিনি নিজে ও তার স্ত্রীও অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

তদন্তকারী সংস্থাগুলোর মতে, বিল্লাল হোসেন দাবি করেন যে তার মা ও আরো তিনজন রোগীর বাড়িতে পরিচর্যার জন্য এসব ‘হোম অ্যাটেনডেন্ট’ বা ‘পারসোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট’ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বাস্তবে কেউই কোনো সেবা দেননি। একটি ক্ষেত্রে দেখা যায়, যাকে রোগী দেখানো হয়েছিল তিনি পুরো সময়ে বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন। নিয়মিত পরিদর্শনের সময় হোসেন তার এক ভাইকে রোগীর ছদ্মবেশে হাজির করতেন। মিথ্যা কর্মঘণ্টা ও তারিখ দেখিয়ে মেডিকেইড থেকে বেতন নেওয়া হতো, আর সেই বেতনের চেক জমা পড়তো-এমন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে, যেগুলোর নিয়ন্ত্রণ ছিল হোসেনের হাতে।

এই কল্যাণ জালিয়াতির মাধ্যমে নিউইয়র্ক সিটি হিউম্যান রিসোর্সেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন থেকে বিল্লাল হোসেন মোট ৩ লাখ ৪৭ হাজার ডলারের বেশি কল্যাণ সুবিধা আত্মসাৎ করেন। এর মধ্যে একটি রোগীর পরিচয় ব্যবহার করে ভুয়া ফুড স্ট্যাম্প ও মেডিকেইড কার্ড সংগ্রহ করে ১ লাখ ৮২ হাজার ডলার চুরি করা হয়। এছাড়া তার মাকে অন্তর্ভুক্ত করে আরো তিন রোগীর নামে ভুয়া সেবা দেখিয়ে অতিরিক্ত ৯৫ হাজার ডলার আদায় করা হয়। একই সঙ্গে, নিজে কল্যাণভোগী হয়েও তিনি আয়ের তথ্য গোপন করে পুনঃসনদ নথি জমা দেন, যার ফলে তার পরিবার দ্বিগুণ ফুড স্ট্যাম্প ও চিকিৎসা সুবিধা পায় এবং এতে আরো ৬৯ হাজার ডলার আত্মসাৎ হয়।

এর পাশাপাশি বিল্লাল হোসেন বেকার ভাতা কর্মসূচিতেও বড় ধরনের জালিয়াতি করেন। ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে তিনি অন্তত ১৪ জন আত্মীয় ও বন্ধুকে একইভাবে সিডিপ্যাপ-এ ভুয়া চাকরিতে দেখিয়ে পরে ‘কাজের অভাব’ দেখিয়ে বরখাস্ত করেন এবং তাদের নামে বেকার ভাতার আবেদন করেন। অনেক ক্ষেত্রে তিনি জাল বেতন রসিদ জমা দিয়ে ভাতার হার কৃত্রিমভাবে বাড়ান। ভাতা শেষ হলে আবার সেই ব্যক্তিকেই একই রোগীর দেখভালের নামে পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হতো। তদন্তে জানা যায়, তিনি পুরুষ ও নারী উভয়ের কণ্ঠ নকল করে শ্রম দফতরে ফোন করেন এবং ব্রঙ্কস ও ম্যানহাটনের অফিসে গিয়ে বিভিন্ন ভাতা প্রাপকের ছদ্মবেশ ধারণ করেন।

এই বেকার ভাতা জালিয়াতির মাধ্যমে নিউইয়র্ক স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব লেবার থেকে হোসেন মোট ২ লাখ ৫৫ হাজার ৯১৫ ডলার আত্মসাৎ করেন। ভাতার অর্থ জমা পড়ত দুই ডজনেরও বেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে, যেগুলো আত্মীয়দের নামে খোলা হলেও কার্যত নিয়ন্ত্রণ ছিল তার হাতে। তদন্ত চলাকালে তার অ্যাপার্টমেন্ট থেকে উদ্ধার করা ৬ লাখ ৩ হাজার ডলার নগদ অর্থ আদালতের আদেশে বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং সেটিই ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এর মধ্যে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ডলার এইচআরএ এবং ২ লাখ ৫৫ হাজার ৯১৫ ডলার শ্রম দফতরকে ফেরত দেওয়া হয়েছে ।

নিউইয়র্ক স্টেট ইন্সপেক্টর জেনারেল ক্যাথরিন লিহি স্কট তখন বলেছিলেন, “বিল্লাল হোসেন আসামি পরিবার ও বন্ধুদের একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সমাজের সবচেয়ে দুর্বল মানুষের জন্য তৈরি নিরাপত্তা কর্মসূচিকে নির্লজ্জভাবে অপব্যবহার করেছেন । শ্রম কমিশনার রোবার্টা রিয়ারডন বলেছিলেন, এই মামলা প্রমাণ করে যে বেকার ভাতা ও কল্যাণ কর্মসূচিতে জালিয়াতির বিরুদ্ধে রাজ্যের অবস্থান শূন্য সহনশীল। আর ম্যানহাটন জেলা অ্যাটর্নি সাইরাস আর. ভান্স জুনিয়র বলেন, ‘যারা কর্মহীন অবস্থায় সহায়তার ওপর নির্ভর করেন, এ কর্মসূচি তাদের জন্য জীবনরেখা। তবে সেটিকে অপব্যবহারের গুরুতর পরিণতি এই সাজা স্পষ্ট করে দিয়েছে।

মধ্যস্বত্বভোগী

১৯৯৪ সালে চালু হওয়া সিডিপ্যাপ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল প্রবীণ, প্রতিবন্ধী ও ঘরবন্দি মানুষদের নার্সিং হোমে পাঠানো কমিয়ে পরিবারের সদস্য বা ঘনিষ্ঠজনদের মাধ্যমে বাড়িতেই সেবা নিশ্চিত করা। তবে এই কর্মসূচিতে কেয়ারগিভার হতে কোনো চিকিৎসাগত যোগ্যতা বা পেশাদার সনদ বাধ্যতামূলক না থাকায় ধীরে ধীরে এটি কার্যত নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ে। নিউইয়র্ক পোস্টের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত ১০ বছরে সরাসরি উপকারভোগীদের মাধ্যমে অন্তত ১৭৯ মিলিয়ন ডলার চুরি হয়েছে এবং প্রশাসনিক মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণে করদাতাদের আরো ১ বিলিয়ন ডলার অপচয় হয়েছে। পোস্টার সঙ্গে আলাপকালে দীর্ঘ ২৭ বছর নিউইয়র্কে মেডিকেইড জালিয়াতি মামলার প্রসিকিউট হিসেবে কাজ করা আইনজীবী রিচার্ড হ্যারো বলেন, মিনেসোটা যদি বড় কেলেঙ্কারি হয়, তাহলে সিডিপ্যাপ হলো তার দশ গুণ। কারণ সবকিছু ঘটে মানুষের ঘরের ভেতরে, যেখানে নজরদারি করা সবচেয়ে কঠিন।

পরিসংখ্যান বলছে, কর্মসূচিটির ব্যয় কয়েক বছরের মধ্যেই চার গুণের বেশি বেড়েছে। ২০১৯ সালে সিডিপ্যাপ-এ ব্যয় ছিল ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২৩ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৯ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারে। তখন নিউইয়র্ক স্টেটের প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার রোগী এবং ৪ লাখ কেয়ারগিভার এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নিউইয়র্ক স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ স্বীকার করেছে, এ কর্মসূচি স্টেটের জন্য একটি আর্থিক সংকট তৈরি করেছে। ২০২৫ সালে ব্যয় আরও বেড়ে ১২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায় বলে জানান যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র।

এ সময়ে একের পর এক বড় জালিয়াতির মামলা সামনে আসে। ২০২৫ সালে ব্রুকলিনভিত্তিক দুটি প্রাপ্তবয়স্ক ডে-কেয়ার সেন্টারের মালিক জাকিয়া খান ৬৮ মিলিয়ন ডলার মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে তিনি রোগীদের ঘুষ দিয়ে এমন সেবার বিল জমা দেন, যা কখনো দেওয়াই হয়নি। ২০২৩ সালে আরেক ব্রুকলিনভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা নির্বাহী মারিয়ানা লেভিনকে ১০০ মিলিয়ন ডলার জালিয়াতির দায়ে সাড়ে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

২০১৯ সালে হোপটন কেয়ারের সিইও ফারাহ রুবানির বিরুদ্ধে ১১ মিলিয়ন ডলার আত্মসাতের অভিযোগ আনে নিউইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেলের দফতর। অভিযোগ ছিল, ভুয়া বিলিংয়ের মাধ্যমে তিনি ও তার এনওয়াইপিডি কর্মকর্তা স্বামী বিলাসবহুল বাড়ি ও ২ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেন্টলি গাড়ি কিনেছিলেন। যদিও তিনি ফৌজদারি মামলায় দণ্ডিত হননি, তবে ২০২৫ সালের আদালত নথি অনুযায়ী ১ লাখ ৪৮ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হন। কেবল সংস্থাগুলোই নয়, ব্যক্তিগত পর্যায়েও অপব্যবহারের বহু অভিযোগ রয়েছে। ২০২৬ সালে কেয়ারগিভারদের ঘণ্টাপ্রতি মজুরি ১৮ দশমিক ৬৫ থেকে ২০ দশমিক ৬৫ ডলার হলেও অনেকে হাসপাতালে ভর্তি বা মৃত ব্যক্তির সেবার নামেও বিল জমা দিয়েছেন, কিংবা একই সময়ে ভিন্ন স্থানে থাকা দুই রোগীর সেবা দেখিয়েছেন। একটি স্বাস্থ্যসেবা সূত্র জানায়, কিছু কেয়ারগিভার দিনে ২৩ ঘণ্টা কাজ দেখিয়ে বছরে প্রায় ২ লাখ ডলার আয়ের হিসাব দিচ্ছিলেন।

সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয় মধ্যস্বত্বভোগী বা ফিসক্যাল ইন্টারমিডিয়ারিদের ভূমিকা নিয়ে। ২০২৩ সালের আগে নিউইয়র্কে এমন ৬০০-এর বেশি কোম্পানি সিডিপ্যাপ পরিচালনা করতো, যাদের পেছনে বছরে ৫০০ মিলিয়ন থেকে ১ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ব্যয় হতো। কোনো মানদণ্ড বা সনদ ছাড়াই এসব কোম্পানি মাসে জনপ্রতি ১ হাজার ডলার পর্যন্ত ফি নিতো, অথচ কাজ ছিল মূলত বেতন বিতরণ। পরে জানা যায়, একই কাজ এখন জনপ্রতি মাত্র ৬৮ দশমিক ৫০ ডলারে করা সম্ভব হয়েছে, যা ৯৩ শতাংশেরও বেশি সাশ্রয়।

এই পরিস্থিতিতে গভর্নর ক্যাথি হোচুল ২০২৪ সালে সিডিপ্যাপকে নিউইয়র্কের ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি অপব্যবহৃত কর্মসূচিগুলোর একটি বলে মন্তব্য করেন এবং সংস্কারের উদ্যোগ নেন। শেষ পর্যন্ত সব মধ্যস্বত্বভোগী বাদ দিয়ে জর্জিয়াভিত্তিক পাবলিক পার্টনারশিপস এলএলসিকে (পিপিএল) এককভাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। যদিও এতে আইনি লড়াই ও প্রতিবাদ হয় এবং পুরো ব্যবস্থা কার্যকর হতে ২০২৫ সালের এপ্রিল পর্যন্ত সময় লাগে। নিউইয়র্ক স্টেট ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ জানিয়েছে, এই পরিবর্তনের ফলে ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় হয়েছে এবং গত এক বছরে প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার করদাতাদের অর্থ বাঁচানো সম্ভব হয়েছে। মেডিকেইড ইন্সপেক্টর জেনারেলের দফতর জানায়, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ৩ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের বেশি অতিরিক্ত পরিশোধ শনাক্ত করে তা উদ্ধার করা হয়েছে। পিপিএল-এর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের মূল লক্ষ্য মেডিকেইডের অর্থ সুরক্ষা এবং কর্মসূচিটিকে দীর্ঘমেয়াদে টেকসই করা।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সিডিপ্যাপ-এর ভবিষ্যৎ এখনো বড় প্রশ্নের মুখে রয়েছে। একদিকে এটি হাজারো পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করে, অন্যদিকে দুর্বল নিয়ন্ত্রণের কারণে এটি বছরের পর বছর ধরে নিউইয়র্কের করদাতাদের জন্য একটি বিশাল আর্থিক ক্ষতির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।


প্রকাশক: মঞ্জুর হোসেন

সম্পাদক: মিজানুর রহমান

House : 29, Road : 01 Sector : 02, Block :F Aftabnagar, Dhaka:1212 (Opposite China Building) E-mail : deshusdhaka@gmail.com (Advertising & News For Bangladesh)