প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিবাসন নীতি নিয়ে আমেরিকানদের অনুমোদন নতুন সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। রয়টার্স/আইপসস জরিপ অনুযায়ী, ৫৩ শতাংশ নাগরিক ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির প্রতি অসন্তুষ্ট, আর মাত্র ৩৯ শতাংশ অনুমোদন করছেন। জরিপটি ২৩ থেকে ২৫ জানুয়ারি দেশের বিভিন্ন অংশে পরিচালিত হয়েছিল। ২৪ জানুয়ারির মধ্যে, মিনেসোটার মিনিয়াপলিসে আইসিই কর্মকর্তাদের সহিংস হস্তক্ষেপে আরো একজন আমেরিকান নাগরিক নিহত হওয়ার পর জরিপের ফলাফল উঠে আসে।
জরিপে দেখা যায়, ৫৮ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন যে ইমিগ্রেশন এবং কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) কর্মকর্তা অতিমাত্রায় কাজ করেছেন। কেবল ১২ শতাংশ মনে করেন, কর্মকর্তারা পর্যাপ্ত কঠোরতা প্রয়োগ করেননি, এবং ২৬ শতাংশ মনে করেন তাদের পদক্ষেপ ঠিক আছে।
মিনেসোটায় আইসিই কার্যক্রমের কারণে পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। বিশেষত, মিনিয়াপলিসে গত মাসে দুইজন নাগরিক : আলেক্স প্রেটি ও রেনি নিকোল গুড-আইস কর্মকর্তাদের গুলিতে নিহত হন। আলেক্স প্রেটির মৃত্যুর পর, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মাইনেসোটায় বার্ডার কজার টম হোম্যানকে পাঠানোর ঘোষণা দেন, যাতে স্থানীয় অপারেশন পরিচালনা করা যায়। মিনেসোটা গভর্নর টিম ওয়ালজ জানিয়েছেন, ট্রাম্প সংখ্যা কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করবেন এবং প্রেটির মৃত্যুর ইন্ডিপেন্ডেন্ট তদন্ত নিশ্চিত করবেন। গভর্নরের অফিস বলেছে, ট্রাম্পের সঙ্গে তাদের ফোনালাপে উভয় পক্ষই সমমনা ছিলেন।
মিনিয়াপলিসে হাজারো প্রতিবাদকারী শীতের তীব্রতাকে উপেক্ষা করে এই হত্যাকাণ্ড এবং ফেডারেল হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন। রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন, আর ডেমোক্র্যাটরা হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের তহবিল জারি করতে অস্বীকার করছেন, সম্ভাব্য সরকারি শাটডাউনের মধ্যেও।