যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ভেতরে ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নতুন এক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। একটি অধিকারভিত্তিক সংগঠনের দাবি, কিছু সামরিক কমান্ডার সৈন্যদের ব্রিফিংয়ে ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য যুদ্ধকে ‘ঈশ্বরের পরিকল্পনার অংশ’ এবং ‘আর্মাগেডনের সূচনা’ হিসেবে বর্ণনা করেন। এ অভিযোগ সামনে আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ধর্মীয় প্রভাব ও সাংবিধানিক নীতিমালা নিয়ে তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। এ অভিযোগগুলো প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠন মিলিটারি রিলিজিয়াস ফ্রিডম ফাউন্ডেশন (এমআরএফএফ)। সংগঠনটি জানিয়েছে, গত কয়েক দিনের মধ্যে তারা ১১০টিরও বেশি অভিযোগ পেয়েছে, যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর বিভিন্ন শাখার সদস্যদের কাছ থেকে এসেছে। অভিযোগগুলোর বেশিরভাগই বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটি ও ইউনিটে অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে কমান্ডারদের দেওয়া বক্তব্যকে কেন্দ্র করে।
এমআরএফএফের কাছে পাঠানো একটি অভিযোগে এক নন-কমিশন্ড অফিসার (এনসিও) জানান, তার ইউনিটের একজন কমান্ডার সৈন্যদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘ঈশ্বরের পরিকল্পনার অংশ’ এবং এটি বাইবেলের ‘আর্মাগেডন’ সম্পর্কিত ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে যুক্ত। অভিযোগে বলা হয়, ওই কমান্ডার আরো দাবি করেন যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘যিশুর দ্বারা অভিষিক্ত’ এবং তিনি ইরানে ‘সংকেত আগুন জ্বালানোর’ মাধ্যমে আর্মাগেডনের সূচনা ঘটাবেন, যার ফলে পৃথিবীতে যিশুর প্রত্যাবর্তন ঘটবে। অভিযোগকারী এনসিও জানান, তিনি নিজেও একজন খ্রিস্টান হলেও এই ধরনের বক্তব্য সামরিক বাহিনীর শপথ ও সাংবিধানিক নীতির পরিপন্থী। তার ইউনিটের আরো অন্তত ১৫ জন সৈন্যের পক্ষ থেকে তিনি এ অভিযোগটি করেন। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই খ্রিস্টান, তবে একজন মুসলিম ও একজন ইহুদি সদস্যও ছিলেন।
আর্মাগেডন খ্রিস্টান ধর্মগ্রন্থ বাইবেলের নিউ টেস্টামেন্টের বুক অব রিভেলেশনে উল্লিখিত একটি ধারণা। এটি এমন একটি চূড়ান্ত বা শেষ যুদ্ধের প্রতীক, যেখানে ভালো ও মন্দ শক্তির মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হবে বলে বিশ্বাস করা হয়। এটি এমন একটি শেষ যুদ্ধ, যেখানে ভালো ও মন্দ শক্তির মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ হবে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এ যুদ্ধের পরে যিশু খ্রিস্টের পুনরাগমন ঘটবে এবং মানবজাতির শেষ বিচার শুরু হবে। আধুনিক ব্যবহারে ‘আর্মাগেডন’ শব্দটি প্রায়ই বিশ্বব্যাপী ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ বা বড় বিপর্যয় বোঝাতে রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
অনেক ধর্মীয় ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এ যুদ্ধের পর পৃথিবীতে যিশু খ্রিস্টের পুনরাগমন ঘটবে এবং মানবজাতির শেষ বিচারের সূচনা হবে। আধুনিক সময়ে আর্মাগেডন শব্দটি প্রায়ই বিশ্বব্যাপী ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ বা বড় বিপর্যয়কর সংঘাত বোঝাতে রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়।
এমআরএফএফের তথ্য অনুযায়ী, অভিযোগগুলো এসেছে ৪০টিরও বেশি ইউনিট থেকে এবং এগুলো অন্তত ৩০টি সামরিক স্থাপনা জুড়ে বিস্তৃত। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর প্রায় সব শাখা থেকেই এই ধরনের অভিযোগ এসেছে বলে সংগঠনটি দাবি করেছে। এমআরএফএফের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মাইকি ওয়াইনস্টেইন বলেন, ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার পর থেকে তারা একই ধরনের অভিযোগে প্লাবিত হয়ে গেছেন। তার ভাষায়, অনেক কমান্ডার ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা যুদ্ধের ঘটনাকে বাইবেলসম্মত যুদ্ধ হিসেবে দেখছেন এবং মনে করছেন এটি খ্রিস্টানদের বিশ্বাস অনুযায়ী পৃথিবীর শেষ সময়ের সূচনা।ওয়াইনস্টেইন বলেন, কিছু কর্মকর্তা এমনকি যুদ্ধ কতটা রক্তক্ষয়ী হতে পারে তা নিয়েও উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন, কারণ তাদের মতে সেটাই নাকি বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণী পূরণের অংশ।
সমালোচকদের মতে, সামরিক বাহিনীর ভেতরে এ ধরনের বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতার নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। ওয়াইনস্টেইন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও সামরিক আইনের আওতায় কর্মকর্তারা তাদের অধীনস্থ সৈন্যদের ওপর ব্যক্তিগত ধর্মীয় মতবাদ চাপিয়ে দিতে পারেন না। তিনি যুক্তি দেন, কোনো কমান্ডার যদি অফিসিয়াল ব্রিফিং বা সামরিক নির্দেশনার মধ্যে ধর্মীয় বিশ্বাস যুক্ত করেন, তবে তা আইনের লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। তিনি আরো বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হলে সেটিও সাংবিধানিক সমালোচকদের মতে বিতর্ক তৈরি করতে পারে।
এ অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের কাছে প্রশ্ন পাঠানো হলেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি সামনে আসার পর যুক্তরাষ্ট্রে সামরিক বাহিনীতে ধর্মীয় প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কিছু রাজনৈতিক ও ধর্মীয় গোষ্ঠী সামরিক বাহিনীর মধ্যে তাদের মতাদর্শের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এমআরএফএফের অভিযোগের আরেকটি দিক হলো যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে ‘খ্রিস্টান জাতীয়তাবাদ’-এর প্রভাব। এ বিতর্কের কেন্দ্রেও রয়েছে মার্কিন সেক্রেটারি অব ডিফেন্স পিট হেগসেথ। সমালোচকদের দাবি, তার সময়ে পেন্টাগনে নিয়মিত প্রার্থনা সভা এবং ধর্মীয় আয়োজনের পরিমাণ বেড়েছে।
রিপোর্ট অনুযায়ী, পেন্টাগনে মাসিক প্রার্থণা সভা সম্প্রচার করা হচ্ছে এবং সেখানে কিছু প্রভাবশালী ধর্মীয় বক্তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়া হোয়াইট হাউসে একটি সাপ্তাহিক বাইবেল স্টাডি গ্রুপের কথাও আলোচনায় এসেছে, যেখানে সরকার ও কংগ্রেসের কিছু সদস্য অংশ নেন।
যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ধর্মীয় ভাষা ব্যবহারের ইতিহাস নতুন নয়। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইকে একবার ক্রুসেড বলে উল্লেখ করেছিলেন। এ মন্তব্য তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে, কারণ ক্রুসেড শব্দটি মধ্যযুগের খ্রিস্টান-মুসলিম সংঘর্ষের স্মৃতি বহন করে। পরে সমালোচনার মুখে বুশ ওই শব্দ ব্যবহার বন্ধ করেন। বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক বা কূটনৈতিক সংঘাতে ধর্মীয় ভাষা ব্যবহারের ফলে পরিস্থিতি আরো উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
এমআরএফএফের কাছে পাঠানো ইমেইলে অভিযোগকারী এনসিও বলেন, কমান্ডারের বক্তব্য ইউনিটের মনোবল ও ঐক্য নষ্ট করতে পারে। তার মতে, সৈন্যরা বিভিন্ন ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষ। তাই তাদের ওপর নির্দিষ্ট কোনো ধর্মীয় ব্যাখ্যা চাপিয়ে দিলে তা বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, আমরা সংবিধান রক্ষা করার শপথ নিয়েছি। তাই সামরিক নির্দেশনায় ধর্মীয় মতবাদ যুক্ত করা আমাদের সে শপথের বিরোধী।
এখন দেখার বিষয়, পেন্টাগন এ অভিযোগগুলো নিয়ে কোনো তদন্ত শুরু করে কি না। অতীতে এমআরএফএফের অভিযোগের ভিত্তিতে কিছু ক্ষেত্রে সামরিক কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছিল। তবে বর্তমান প্রশাসনের অবস্থান কী হবে তা এখনো পরিষ্কার নয়। বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি শুধু সামরিক নীতিমালার প্রশ্ন নয়; এটি যুক্তরাষ্ট্রে ধর্ম, রাজনীতি ও সামরিক শক্তির সম্পর্ক নিয়ে বৃহত্তর বিতর্কের অংশ।
ইরানকে ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ধর্মীয় বক্তব্যের অভিযোগ নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। একদিকে কিছু কর্মকর্তা যুদ্ধকে ধর্মীয় ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে যুক্ত করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, অন্যদিকে অনেক সৈন্য ও বিশ্লেষক মনে করছেন সামরিক বাহিনীতে ধর্মনিরপেক্ষতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে পেন্টাগনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং সম্ভাব্য তদন্তই নির্ধারণ করবে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও সামরিক নীতিমালার ওপর এর প্রভাব কতটা গভীর হতে পারে।
ইরানে বোমা হামলার যৌক্তিকতা হিসেবে ‘ধর্মীয় যুদ্ধের’ ভাষা ব্যবহারের অভিযোগে পেন্টাগনের সমালোচনা
যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম মুসলিম নাগরিক অধিকার সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (কেয়ার) ইরানে বোমা হামলার যৌক্তিকতা হিসেবে পেন্টাগনের কিছু কর্মকর্তার কথিত ‘ধর্মীয় যুদ্ধের ভাষা ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করেছে। সংগঠনটি বলেছে, এ ধরনের বক্তব্য অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং এটি সংঘাতকে ধর্মীয় রূপ দিতে পারে। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একজন কমান্ডার নন-কমিশন্ড অফিসারদের উদ্দেশ্যে একটি ব্রিফিংয়ে বলেন যে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ‘ঈশ্বরের পরিকল্পনার অংশ’ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘যিশুর দ্বারা অভিষিক্ত’, যিনি ইরানে সংঘাতের মাধ্যমে আর্মাগেডনের সূচনা ঘটাবেন।
কেয়ারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকর্তাদের কেউ কেউ সৈন্যদের বলেছেন যে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বাইবেলের ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী আর্মাগেডনের দিকে একটি ধাপ। সংগঠনটির মতে, এ ধরনের বক্তব্য সৈন্যদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করতে পারে এবং যুদ্ধকে ধর্মীয় সংঘাতে পরিণত করার ঝুঁকি বাড়ায়। কেয়ার বলেছে, এ যুদ্ধকে সমর্থন করার জন্য যে ধর্মীয় ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে তা প্রতিটি আমেরিকান নাগরিকের জন্য উদ্বেগজনক হওয়া উচিত।
কেয়ার জানায়, এ বক্তব্যে ‘আর্মাগেডন’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, যা খ্রিস্টান ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী পৃথিবীর শেষ সময়ে সংঘটিত এক চূড়ান্ত যুদ্ধের ধারণাকে নির্দেশ করে। অনেকের মতে, এমন ধর্মীয় ভাষা ব্যবহার যুদ্ধকে রাজনৈতিক বা কৌশলগত সিদ্ধান্তের পরিবর্তে ধর্মীয় সংঘাতে পরিণত করার ঝুঁকি তৈরি করে।
সংগঠনটি মার্কিন প্রতিরক্ষা সেক্রেটারি পিট হেগসেথের সাম্প্রতিক মন্তব্যেরও সমালোচনা করেছে। কেয়ারের মতে, হেগসেথ ইরানকে ‘ভবিষ্যদ্বাণীমূলক ইসলামি বিভ্রমে আচ্ছন্ন উন্মাদ শাসনব্যবস্থা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। তার এ বক্তব্য মুসলিমদের প্রতি অবমাননাকর এবং উত্তেজনা বাড়াতে পারে। কেয়ার বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের এমন মন্তব্য আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলতে পারে এবং সংঘাতকে ধর্মীয় সংঘাতে রূপ দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করে।
সংগঠনটি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু-এর কথিত বক্তব্যেরও সমালোচনা করেছে। কেয়ারের অভিযোগ, নেতানিয়াহু বাইবেলের ‘আমালেক’ সম্পর্কিত কাহিনি ব্যবহার করে ইরানে সামরিক হামলাকে সমর্থন করার চেষ্টা করছেন। বাইবেলের ওই কাহিনিতে বলা হয়, ঈশ্বর ইসরায়েলিদের নির্দেশ দিয়েছিলেন শত্রু জাতির প্রতিটি মানুষ ও পশুকে ধ্বংস করতে। কেয়ারের মতে, এ ধরনের ধর্মীয় গল্প ব্যবহার করে আধুনিক যুদ্ধকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সংগঠনটি দাবি করেছে, একই ধরনের যুক্তি অতীতে গাজায় সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়েছিল।
ইরানকে ঘিরে আন্তর্জাতিক উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের বক্তব্য নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে সরকারপক্ষ নিরাপত্তা ও কৌশলগত কারণ তুলে ধরছে, অন্যদিকে মানবাধিকার ও নাগরিক অধিকার সংগঠনগুলো যুদ্ধের যৌক্তিকতা ও ভাষা ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। বিশ্লেষকদের মতে, ধর্মীয় ভাষা বা বিশ্বাসকে কেন্দ্র করে যুদ্ধের ব্যাখ্যা দেওয়া হলে তা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আরো বড় উত্তেজনার কারণ হতে পারে। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নীতি ও বক্তব্য নিয়ে আলোচনা আরো তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।