অস্তিত্ব সঙ্কটে আওয়ামী লীগ


বিশেষ প্রতিনিধি , আপডেট করা হয়েছে : 08-04-2026

অস্তিত্ব সঙ্কটে আওয়ামী লীগ

উপমহাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বড় ধরনের এক অস্তিত্ব লড়াইয়ের সম্মুখীন। সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংশোধনী অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকা- নিষিদ্ধের বিধান রাখা হয়েছে। ওই অধ্যাদেশ সংশোধনসহ পাসের সুপারিশ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ পর্যালোচনা শেষে বিশেষ কমিটি তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই সিদ্ধান্ত জানায়।

সরকার গঠনের আগে বিএনপি জানিয়েছিল, নির্বাহী আদেশে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার পক্ষে তারা নয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে অধ্যাদেশটিকে আইনে রূপ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আইনটি পাস হলে দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা আরও কঠিন হয়ে পড়বে। বিশ্লেষকদের মতে, কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী অধ্যাদেশটি সংসদে আইন আকারে পাশ হলে এরপর আওয়ামী লীগের যেকোনো কার্যক্রম শুধু নিষিদ্ধই নয়, বরং দলটির সব নেতাকর্মীদেরও বিচারের আওতায় আনা যাবে।

এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘অধ্যাদেশটি কিছু সংশোধনীসহ পাশের সুপারিশ করা হয়েছে।’ তবে এ আইন পরবর্তিতে সংশোধনেরও সুযোগ থাকবে বলে জানা গেছে। 

আওয়ামী লীগ এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য না করলেও আওয়ামী লীগে ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় দলটির মুখপাত্র মোহাম্মদ আলী আরাফাত এক বিবৃতিতে বলেছেন, “বিএনপিকে দেশের অন্যতম প্রাচীন ও বৃহত্তম রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করার পূর্ণ দায় নিতে হবে এবং ভবিষ্যতে এর ফলে যে পরিণতি হবে, তা বিএনপিকেই ভোগ করতে হবে”।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে গত ১৩ মার্চ উত্থাপন করা হয়। এগুলো যাচাই-বাছাইয়ের জন্য ১৪ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংসদে পাস না হলে ৩০ দিনের মধ্যে অধ্যাদেশ কার্যকারিতা হারায়।

বিশেষ কমিটি ইতোমধ্যে ৯৮টি অধ্যাদেশ অপরিবর্তিত রেখে আইনে রূপ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এছাড়া ১৫টি সংশোধন করে বিল আকারে উত্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম হলো ২০২৫ সালের ১১ মে জারি করা ‘সন্ত্রাসবিরোধী অধ্যাদেশ’। সংবিধান অনুযায়ী, সংসদ বসার পর ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন না পেলে অধ্যাদেশগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। সংবিধানের এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আগামী ১০ই এপ্রিলের মধ্যে যেসব অধ্যাদেশ আইন আকারে সংসদে পাস না হবে সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে তামাদি বা বাতিল হয়ে যাবে।

এ বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়ে উত্থাপনের পর অধ্যাদেশগুলোকে যাচাই বাছাইয়ের জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে সংসদ। সেই কমিটিই তাদের রিপোর্টে পনেরটি অধ্যাদেশকে সংশোধিত আকারে সংসদে বিল উত্থাপনের জন্য সুপারিশ করেছে। এর একটিই হলো সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫, যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার। 

যেভাবে আওয়ামী লীগের এমন পরিণতি 

১৯৪৯ সনের ২৩ জুন আত্মপ্রকাশ হওয়া দলটি নাম বদলে এখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম সংসদ নির্বাচনে ব্যাপকভাবে বিজয়ী হয় দল। এরপর নানা চড়াই উৎরাই পার হয়ে এখন দলটি নিষিদ্ধ হওয়ার মুখে। শুধু তাই নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর সেটা এখনও অব্যাহত। এবার জাতীয় সংসদে আইন করে দলটি নিষিদ্ধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কার্যক্রম চলছে। ফলে এ খবর প্রকাশিত হওয়ার বাকি সময় যাবে দলটির শ^াসরুদ্ধ এক সময়। যদিও বর্তমানে চলমান সংসদ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণের প্রক্রিয়ার দিকেই ধাবিত হচ্ছে। কেননা দলটির বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ ২০২৪ সনের জুলাই আগস্টে কোটা বিরোধী আন্দোলন দমনের নামে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে। ওই বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের পর প্রকাশিত জাতিসংঘের প্রতিবেদনেও আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ১৪শ’র বেশি মানুষকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। 

ফলে দলটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি সেখান থেকেই জোরালো হয়। দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে পালিয়ে ভারতে অবস্থান করছেন। একইসঙ্গে গণহত্যার অভিযোগ নিয়ে দলটির প্রথম সারির বেশিরভাগ নেতা দেশ-বিদেশে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। অবশিষ্ট যারা ছিলেন তাদের অনেকে আটক হয়ে বিচারের মুখোমুখী ও কারাগারে। 

এ অবস্থায় ফ্যাসিবাদ বিরোধী ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারীসহ বিভিন্ন মহল থেকে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি ওঠে। তাদের অভিযোগ, গণহত্যার পর কোনো দলের রাজনীতি করার অধিকার থাকে না। বিশেষ করে সম্প্রতি ভারত থেকে অনলাইন মাধ্যমে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনার উস্কানিমূলক বক্তব্য প্রচারের পর সে দাবি জোরালো হয়ে ওঠে। তবে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সে সময় দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হয়, জনগণই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। 

বৈষম্যবিরোধীদের দাবি

জুলাই আন্দোলন ও ফ্যাসিবাদ পতনের পর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অফিসিয়াল ফেইসবুক পেইজ ও ইউটিউবে ‘ছাত্রসমাজের উদ্দেশে’ সরাসরি বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। তার ওই বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বানে ধানম-ি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি প্রায় গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। নিষিদ্ধে দাবি তোলা হয় আওয়ামী লীগকে। এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রতিনিয়ত পোস্ট করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ। 

ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে ভাংচুরের পর গাজীপুরে হামলায় আহত কাশেমের মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করে হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, ‘প্রতিবিপ্লবের প্রথম শহীদ আমার এই ভাই। ইন্টেরিম (অন্তর্বর্তীকালীন সরকার) আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করো, করতে হবে’। একইদিন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে আরও দুইটি পোস্ট করেন তিনি। পরে ১২ ফেব্রুয়ারি শহীদ মিনারে কফিন মিছিল করা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এ শীর্ষ নেতা এক জরুরি পোস্টে ১৪০০ জনকে হত্যা ও হাজার হাজার মানুষকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি তোলেন। এই সূচনা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করণের। 

গত বছর ৯ মে রাজধানীর যমুনা এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে আন্দোলন করে। এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ আরও কয়েকটি দল অংশ নেয়।

পরবর্তীতে ১১ মে জরুরি বৈঠকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দুটি ধারা সংশোধন করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে বলা হয়, কোনো ব্যক্তি বা সত্তা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত থাকলে নির্বাহী আদেশে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যাবে। একই দিনে জারি করা প্রজ্ঞাপনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত জানানো হয়। অন্তর্বর্তী সরকার ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইনের কয়েকটি ধারা সংশোধন করে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে। একই আইনের আওতায় আগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকেও নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। 

বর্তমানে অধ্যাদেশ অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সংগঠন কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল, প্রচার-প্রচারণা, সংবাদ সম্মেলন বা আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করতে পারে না। তবে এতদিন এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে নির্দিষ্ট শাস্তির বিধান ছিল না। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শাস্তির বিধান যুক্ত করার সুপারিশ করেছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, নিষিদ্ধ সংগঠন কার্যক্রম চালালে সংশ্লিষ্ট আইনের ধারায় চার থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদ- হতে পারে।

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হয় যেভাবে 

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ২০২৫ সালের ১২ই মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ, সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সব সংগঠনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। এ বিষয়ে তখন জারি করা প্রজ্ঞাপনের শেষাংশে তখন বলা হয়েছিল, সরকার যুক্তিসংগতভাবে মনে করে সন্ত্রাস বিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ এবং সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ এর ধারা-১৮(১) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটি এবং এর সকল অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা সমীচীন;

সেহেতু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারকার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং এর সকল অঙ্গসংগঠন, সহযোগী সংগঠন ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন কর্তৃক যে কোনো ধরনের প্রকাশনা, গণমাধ্যম, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে কোনো ধরনের প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সম্মেলন আয়োজনসহ যাবতীয় কর্মকা- নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।

চব্বিশের আন্দোলন ও শেখ হাসিনা সরকারের পতন

১৯৭৫ সালের পর ১৯৯৬ সালে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফের শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ক্ষমতার মসনদে বসে আওয়ামী লীগ। কিন্তু পরবর্তী তিন নির্বাচনে নজিরবিহীন অনিয়ম করে দলটির নেতৃত্বাধীন সরকার। ২০১৪ সালে বিনা ভোটে, ২০১৮ সালে রাতের ভোটে এবং ২০২৪ সালে বিরোধী জোট বিহীন নির্বাচন সম্পন্ন করা হয়। শুধু নির্বাচন নিয়েই নয়, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধংস, ব্যাংক লুট, অর্থ পাচার, গুম, খুন, বৈষম্যসহ নানান অভিযোগ ওঠে দলটির বিরুদ্ধে। 

এর মধ্যে কোটা নিয়ে একটি রায়কে কেন্দ্র গত বছরের মাঝামাঝিতে ছাত্রদের নেতৃত্বে আন্দোলন গড়ে ওঠে। ওই আন্দোলনে গণহত্যা চালানোর দায় মাথায় নিয়ে ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। ওই সরকারের অনুরোধে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে ঘটনার অনুসন্ধান করা হয়। সেই অনুসন্ধানে আন্দোলনে ছাত্র জনতার ওপর শেখ হাসিনা সরকারের নৃশংসতা উঠে আসে। তার আগে ২৩ অক্টোবর তাদের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে। সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ এর ধারা ১৮ এর উপ-ধারা (১) এর ক্ষমতাবলে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করে গেজেট জারি করে। পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, আমলা, বিভিন্ন বাহিনীর সদস্য, সাবেক বিচারপতির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। সে মামলাগুলো তদন্তাধীন রয়েছে।

এ অবস্থায় আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি তোলো।


প্রকাশক: মঞ্জুর হোসেন

সম্পাদক: মিজানুর রহমান

House : 29, Road : 01 Sector : 02, Block :F Aftabnagar, Dhaka:1212 (Opposite China Building) E-mail : deshusdhaka@gmail.com (Advertising & News For Bangladesh)