বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (বিএমএসআরআই) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. ফারহাদ হালিম ডোনার বলেছেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রধান উদ্দেশ্য বাংলাদেশের মানুষকে একটি সুখী সমৃদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা উপহার দেওয়া। সেই লক্ষ্যে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
গত ৭ জুন রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের একটি রেস্টুরেন্টে বিএনপি যুক্তরাষ্ট্র শাখা এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএনপি যুক্তরাষ্ট্র শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বিশিষ্ট চিকিৎসক এবং ব্রুকডেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের পরিচালক ডা. মজিবুর রহমান মজুমদার। সভা যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তিতুমীর কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক নির্বাচিত এজিএস আনোয়ারুল ইসলাম আনোয়ার এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রনেতা মোতাহার হোসেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরাম যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সভাপতি নাছিম আহমেদ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার বলেন, গত ১৭ বছর বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রবিহীন, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মুক্তি লাভ করেছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন করেছে। চিকিৎসক হিসাবে আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যেন সাধারণ মানুষকে উন্নতমানের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারেন সে লক্ষ্যে কাজ করা। তারই ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি ডাক্তারদেরকে কীভাবে বাংলাদেশের মানুষের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত করে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে উন্নত করা যায়, সেই লক্ষ্যে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি তিনি যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা কর্মীদেরকে এই মতবিনিময় সভা আয়োজন করার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং বাংলাদেশকে কীভাবে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায় সেই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সকল শ্রেণি পেশার বাংলাদেশিদের কে সরকারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।
সভায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা বাবর উদ্দীন, সায়েদুল হক, ডা. শামীম দেওয়ান, গিয়াস উদ্দিন, আক্তার হোসেন বাদল, মাকসুদ চৌধুরী, এম এ বাতিন, নাছিম আহমেদ, জাহাঙ্গীর সোহরাওয়ার্দী, সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, ভিপি মো. আলমগীর খান, এটিএম হেলালুর রহমান, জামালুর রহমান চৌধুরী, কাজী আমিনুল ইসলাম স্বপন, তারেক চৌধুরী দিপু, মো. বাচ্চু মিয়া, সালেহ আহমেদ মানিক, রাশেদ রহমান, ফরহাদ হোসেন মৃধা, ফয়েজ আহমেদ, মাহমুদুল হক দুলাল, মুস্তাফিজুর রহমান প্রিন্স, খলিলুর রহমান, রিপন, মো. মনির উদ্দিন, মইন আহমেদ, সারওয়ার, নূরুল ইসলাম, জাহিদ হাসান সুমন, সাদ্দাম হোসেন, মুস্তাফিজুর রহমান, মোহাম্মদ রিপন, মনির উদ্দিন প্রমুখ।