মেডিকেইডে নতুন কাজের শর্ত : ২০২৭ থেকে আসছে বড় পরিবর্তন


দেশ রিপোর্ট , আপডেট করা হয়েছে : 17-06-2026

মেডিকেইডে নতুন কাজের শর্ত : ২০২৭ থেকে আসছে বড় পরিবর্তন

নিউ ইয়র্ক স্টেটের স্বাস্থ্যবীমা কর্মসূচি মেডিকেইডে বড় ধরনের পরিবর্তনের ঘোষণা এসেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে কিছু নির্দিষ্ট প্রাপ্তবয়স্কদের মেডিকেইড সুবিধা বজায় রাখতে প্রতি মাসে কাজ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ বা স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার শর্ত পূরণ করতে হবে। এই ফেডারেল নির্দেশনার অধীনে ১৯ থেকে ৬৪ বছর বয়সী কিছু সুবিধাভোগীকে মাসে অন্তত ৮০ ঘণ্টা যোগ্য কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

এই শর্ত পূরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম গ্রহণযোগ্য হবে। এর মধ্যে রয়েছে বেতনভিত্তিক চাকরিতে মাসে অন্তত ৮০ ঘণ্টা কাজ করা, অন্তত অর্ধসময়ের জন্য শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নেওয়া, চাকরি প্রশিক্ষণ বা কর্মসূচিতে যুক্ত থাকা, অথবা স্বেচ্ছাসেবী কাজ ও কমিউনিটি সার্ভিসে অংশ নেওয়া। এসব কার্যক্রমের যেকোনো একটির সমন্বয় করেও শর্ত পূরণ করা যাবে। এছাড়া, মাসে অন্তত ৫৮০ ডলার আয় করলেও এই শর্ত পূরণ হয়েছে বলে গণ্য করা হতে পারে।

তবে সবাই এই নিয়মের আওতায় পড়বেন না। ১৮ বছরের কম বা ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিরা, গর্ভবতী বা সদ্য গর্ভবতী ছিলেন এমন নারী, প্রতিবন্ধী বা কাজ করতে অক্ষম স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তি, মেডিকেয়ারভুক্ত সুবিধাভোগী, শিশু বা প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অভিভাবক, ১৪ বছরের কম বয়সী সন্তানের পরিচর্যাকারী, কারাগার থেকে সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তি, ফস্টার কেয়ার থেকে বের হওয়া তরুণ, নির্দিষ্ট ভেটেরান এবং কিছু স্বাস্থ্য ও সামাজিক সহায়তা কর্মসূচিতে যুক্ত ব্যক্তিরা এই শর্ত থেকে অব্যাহতি পাবেন।

নিউ ইয়র্ক স্টেট গভর্নমেন্টের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামি ১ সেপ্টেম্বর থেকে সম্ভাব্য প্রভাবিত ব্যক্তিদের কাছে নোটিশ পাঠানো শুরু হবে। ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে কিছু অভিবাসন-সম্পর্কিত যোগ্যতা পরিবর্তন কার্যকর হতে পারে। এরপর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে মূল কাজের শর্ত কার্যকর হবে এবং একই সময়ে কিছু প্রাপ্তবয়স্ককে প্রতি ছয় মাসে মেডিকেইড পুনর্নবীকরণ করতে হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হলো কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং স্বাস্থ্যবীমা ব্যবস্থাকে আরো টেকসই করা। তবে সমালোচকদের মতে, এই নিয়ম নিম্ন আয়ের ও অনিয়মিত কর্মসংস্থানে থাকা অনেক মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া কঠিন করে তুলতে পারে। কর্তৃপক্ষ সবাইকে তাদের ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং ইমেইল তথ্য হালনাগাদ রাখার পরামর্শ দিয়েছে, যাতে ভবিষ্যতের গুরুত্বপূর্ণ নোটিশ সঠিকভাবে পৌঁছায়।


প্রকাশক: মঞ্জুর হোসেন

সম্পাদক: মিজানুর রহমান

House : 29, Road : 01 Sector : 02, Block :F Aftabnagar, Dhaka:1212 (Opposite China Building) E-mail : deshusdhaka@gmail.com (Advertising & News For Bangladesh)