সকল রেকর্ড ভঙ্গ : সোসাইটির ভোটার ৩০ হাজার ছাড়িয়ে


দেশ রিপোর্ট , আপডেট করা হয়েছে : 01-07-2026

সকল রেকর্ড ভঙ্গ : সোসাইটির ভোটার ৩০ হাজার ছাড়িয়ে

প্রবাসের অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির পালে নির্বাচনী হাওয়া লেগেছে। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি কমিটি আবু নাসেরকে প্রধান নির্বাচন কমিশন করে গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন। গঠিত নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই তাদের কর্মকান্ড শুরু করেছে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা পেলেই তারাই চূড়ান্ত কর্মকান্ড শুরু করবেন। বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি কমিটি ভোটার হবার শেষ সময় ঘোষণা করেছিলো গত ৩০ জুন। ৩০ জুন সন্ধ্যায় ৬টার মধ্যে যারা বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যালয়ে প্রবেশ করেছেন তারাই ভোট জমা দিতে পেরেছেন। নির্বাচনে দুটো প্যানেলের পক্ষ থেকে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি ভোট জমা দেয়া হয়েছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চূড়ান্ত সংখ্যা পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সভার সময় সদস্য করা হয় ৩৭৭ জন। আজীবন সদস্য সংখ্যা ৯৪৩ জন, গত ২৯ জুন জমা দেয়া হয়েছে ৭০৩৫ জন, এলাকাভিত্তিক ৩২৮ জন। সব মিলিয়ে ২৯ জুন পর্যন্ত ভোটার ছিলো ৮৩৮৩ জন। ৩০ জুন ছিলো ভোটার হবার শেষ সময়।

বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে এবার দুটো প্যানেল সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এর মধ্যে রয়েছে বর্তমান সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন প্যানেল। অন্য প্যানেলে রয়েছে সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু এবং সন্দ্বীপ সোসাইটির সভাপতি ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন প্যানেল। যদিও এখনো চূড়ান্ত প্যানেল গঠন করা হয়নি। ভোট জমা দেয়ার পরই প্যানেল গঠন করা হবে।

ভোটার ফর্ম জমা দেয়া শুরু হয় বিকেলে থেকেই। প্রথমেই ভোট জমা দেয়া হয় কুনু-ফিরোজ প্যানেলের পক্ষে। এরপর ভোট জমা দেয়া হয় সেলিম- আলী প্যানেলের পক্ষে। এই সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল, সহ সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ভূইয়া, কোষাধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূইয়া রুমি, প্রচার সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এবং সভাপতি প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ, বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি কমিটির সদস্য এবি সিদ্দিক পাটোয়ারি, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য নাঈম টুটুল, আতোয়ারুল আলম, সাবেক কর্মকর্তা আজহারুল হক, সাবেক কর্মকর্তা তপন জামান, সাবেক কর্মকর্তা আক্তার হোসেন, নর্ত বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম, আমিন মেহেদী, মাকসুদুল হক চৌধুরী, আবুল কাশেম, আব্দুল হাসিব হাসনু, মাহবুবুল হক, সাবেক কর্মকর্তা ফারুক হোসেন মজুমদার. ডিউক খান, আক্তার বাবুল, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আজহারুল হক মিলন, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের একাংশের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রোকন হাকিম, মিজানুর রহমান, আতিকুল হক আহাদ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আনসারি, রুমানা অধহমেদ, কার্যকরি সদস্য জাহাঙ্গীর সরওয়ার্দী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, সাবেক কোষাধ্যক্ষ নওশাদ হোসেন, নির্বাচন কমিশনের সদস্য মিয়া মোহাম্মদ দুলাল, সোসাইটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফা অনিক রাজ. উজ্জ্বল বিপুল, ঢাকা জেলা এসোসিয়েশনের সভাপতি দুলাল বেহেদু, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের একাংশের কোষাধ্যক্ষ মইনুজ্জামান চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নূরুল আজিম, বিয়ানীবাজার সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান, কামাল ভূইয়া, সাবেক কর্মকর্তা ফারহানা চৌধুরী প্রমুখ।

বিকেল থেকেই উভয় প্যানেলের প্রার্থী এবং সমর্থকরা উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট জমা দেন। অনেকেই প্যাকেটে করে ভোটার নিয়ে আসেন। গত কয়েক সপ্তাহ থেকে ভোটার জমা নেয়া হলেও নির্বাচনী কৌশল হিসাবে আগে খুব একটা ভোট জমা দেয়া হয়নি। উভয় প্যানেলের পক্ষ থেকেই শেষ দিনের জন্য অপেক্ষা। চূড়ান্ত তালিকা পেতে ১ জুলাই হয়ে যেতে পারে। কারণ এই ভোটগুলো গণনা করতে হবে এবং অর্থ মিলাতে হবে। ধারণা অনুযায়ী অনেকেই জানিয়েছেন এবার ভোটার সংখ্যা সকল রেকর্ড ভঙ্গ করতে পারে। ভোটার সংখ্যা ৩০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে। অর্থও আসতে পারে ৫ থেকে সাড়ে ৫ লাখ ডলার।


প্রকাশক: মঞ্জুর হোসেন

সম্পাদক: মিজানুর রহমান

House : 29, Road : 01 Sector : 02, Block :F Aftabnagar, Dhaka:1212 (Opposite China Building) E-mail : deshusdhaka@gmail.com (Advertising & News For Bangladesh)