আধুনিক ও রুচিশীল ফাইন ডাইনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে প্রবাসী বাঙালি কমিউনিটির প্রাণকেন্দ্র কুইন্সের ১৭৬-২০ জ্যামাইকা অ্যাভিনিউতে যাত্রা শুরু করলো ‘আশা রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি হল’। গত ২৬ জুন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আকাশ রহমান ও এশা রহমান বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তি ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত থেকে প্রতিষ্ঠানটির সমৃদ্ধি কামনা করেন। দোয়া ও মোনাজাত শেষে সবার মাঝে পরিবেশন করা হয় রেস্টুরেন্টের সুস্বাদু খাবার।
অপেক্ষার ফল একটু বেশিই মধুর হয়। আর এজন্যই বুঝি সবার মুখে হাসির ঝিলিক আর অন্তরে আনন্দের ধারা। দীর্ঘ এক বছরের অপেক্ষা শেষে এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে আশা গ্রুপ অব কোম্পানিজের সিস্টার কনসার্ন আশা রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি হল।
সাপ্তাহিক সাদাকালোর নির্বাহী সম্পাদক কাশেম মোহাম্মদের সঞ্চালনায় শুরুতেই ফিতা কেটে ও রঙিন বেলুন উড়িয়ে স্বপ্নের এ প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন স্বপ্নদ্রষ্টা ও প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আকাশ রহমান ও এশা রহমান। এ সময় সংগীত ও চলচ্চিত্র অঙ্গনের খ্যাতিমান অতিথি ছাড়াও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এরপর দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। দোয়ায় সদ্য যাত্রা করা প্রতিষ্ঠানটির সমৃদ্ধি কামনার পাশাপাশি আশা গ্রুপ অব কোম্পানিজের সামগ্রিক মঙ্গল কামনা করা হয়।
রেস্তোরাঁটির নান্দনিক অন্দরসজ্জা, লাইভ ট্রি এবং দৃষ্টিনন্দন আলোর বিন্যাস দেখে অতিথিরা স্বীকার করেন, প্রবাসীদের প্রিমিয়াম ফাইন ডাইনিংয়ের এক ভিন্ন আমেজ দেবে আশা রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড পার্টি হল।
মান আপসহীন, স্বাদ সীমাহীন!’-এ মূলমন্ত্রকে সামনে রেখে যাত্রা শুরু করা আশা রেস্টুরেন্টের মূল আকর্ষণ এর খাবারের আভিজাত্য ও স্বাদের ভিন্নতা। এখানকার দক্ষ ও অভিজ্ঞ শেফের তত্ত্বাবধানে ঐতিহ্যবাহী খাঁটি বাঙালি খাবারের স্বাদ নিতে পারবেন যে কেউ। প্রতিটি ডিশ পরিবেশনেও রাখা হয়েছে আধুনিকতার ছোঁয়া।
এছাড়া রেস্টুরেন্টের নিচতলায় রয়েছে আধুনিক ও সুপরিসর একটি দৃষ্টিনন্দন পার্টি হল; যেখানে বিয়ে, জন্মদিন কিংবা করপোরেট গেট-টুগেদারের মতো সামাজিক অনুষ্ঠানের সব ধরনের রাজকীয় আয়োজন করা সম্ভব।
রেস্টুরেন্ট পরিদর্শনের পাশাপাশি চলে ভরপুর ভূরিভোজ। প্রথম দিন অতিথিদের জন্য ছিলো স্পেশাল চিকেন বিরিয়ানি। এছাড়া বিফ বিরিয়ানি, হাঁসের মাংস, চালের রুটি, স্পেশাল সবজি, ফিশসহ নানা পদের মজাদার খাবারের স্বাদ নিতে দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসেন ভোজনরসিকের দল।
দুপুর গড়িয়ে বিকাল, বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা এরপর সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত নামলেও ক্রেতার ঢল যেন শেষ হওয়ার নয়। প্রথম দিনের খাবারের মান ও স্বাদে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কোয়ালিটি এভাবে ধরে রাখার আহ্বান জানান ক্রেতারা।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্রেতাদের রসনাতৃপ্তিতে প্রতিদিনই থাকবে লাইভ ফুড কাউন্টার ও নানা স্বাদের স্পেশাল সিগনেচার আইটেম। সেই সঙ্গে উদ্বোধনী আমেজকে আরো রঙিন করতে থাকছে আকর্ষণীয় সব বিশেষ অফার। ১৭৬-২০ জ্যামাইকা অ্যাভিনিউয়ের আভিজাত্যের এ আঙিনায় সপরিবারে আমন্ত্রিত আপনিও।