০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৮:০৫:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাসসের নবনিযুক্ত এমডি ও প্রধান সম্পাদককে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবর্ধনা বাসস'র এমডি ও প্রধান সম্পাদক পদে নিয়োগ পেলেন কাদের গনি চৌধুরী কপ সম্মেলনে যোগ দিতে নভেম্বরে তুরস্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নেপাল-তিব্বতে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৯২, নিখোঁজ প্রায় ১,৪০০ আফগান-আমেরিকান হিসেবে প্রথমবার মার্কিন কংগ্রেসে আইশা ওয়াহাব আমেরিকানদের গৃহস্থালি ঋণ ১৮.৮ ট্রিলিয়ন, ক্রেডিট কার্ড ১.২৬ ট্রিলিয়ন ওহাইওতে মসজিদে সাত বছরে তৃতীয় হামলা জনপ্রিয় হচ্ছে তিন বছরের কলেজ ডিগ্রি, তবে আছে বিতর্ক মুসলিম নারীকর্মীর বৈষম্যের অভিযোগে ওক পার্ক সিটির বিরুদ্ধে মামলা সশস্ত্র ডাকাতের গুলিতে বাংলাদেশি মহসিন রানা নিহত


বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জাতিসংঘ
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৬-০৩-২০২৪
বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জাতিসংঘ জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক


বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জাতিসংঘ। বিচার ব্যবস্থা ব্যবহার করে মানবাধিকার আইনজীবী, সাংবাদিক ও সুশীলসমাজের প্রতিনিধিদের হয়রানি করা নিয়ে ক্রমাগত উদ্বেগ জানিয়ে আসছে জাতিসংঘ। গত ৪ মার্চ সোমবার জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের ৫৫তম সভায় বৈশ্বিক মানবাধিকার চিত্রের হালনাগাদ তুলে ধরার সময় বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এমন মন্তব্য করেন সংস্থাটির মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক।

ভলকার তুর্ক বলেন, বাংলাদেশে হাজার হাজার বিরোধীদলের নেতা ও কর্মী আটক রয়েছেন এবং গত অক্টোবর থেকে আটক অবস্থায় বেশ কিছু মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, তাতে আমি উদ্বিগ্ন। আমি যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক সহিংসতার নিন্দা জানাই। সেই সঙ্গে আটক বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের মুক্তির লক্ষ্যে এসব মামলার দ্রুত পর্যালোচনার আহ্বান জানাই। এছাড়া রাজনৈতিক বিরোধ মিটিয়ে রাজনৈতিক সংলাপের প্রতি উৎসাহিত করি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিচারব্যবস্থা ব্যবহার করে মানবাধিকার আইনজীবী, সাংবাদিক ও সুশীলসমাজের প্রতিনিধিদের হয়রানির অভিযোগে আমি উদ্বেগ জানিয়ে আসছি। এছাড়া আন্তর্জাতিক মানদ- বজায় রেখে জোরপূর্বক গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার অভিযোগগুলোকে তদন্তের জন্য সরকারকে উৎসাহিত করি।

জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধানের এমন বক্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার প্রধানের কার্যালয়ের অভিযোগগুলোর তথ্য আমরা দিয়ে রেখেছি। বিশেষ করে যে সংখ্যাগুলো জাতিসংঘ থেকে বলা হয়েছে। অন্যায়ভাবে বা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া কাউকে হয়রানি না করা নিয়ে তথ্যও তাকে দেওয়া হয়েছে।

আবারও জাতিসংঘে যোগাযোগ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ইতিমধ্যে দেখা গিয়েছে যে, অনেকে জামিনে মুক্ত হচ্ছেন। আর জাতিসংঘের সঙ্গে এটি আমাদের চলমান প্রক্রিয়া। জাতিসংঘের সঙ্গে আমরা যোগাযোগে থাকবো, যাতে ঢালাওভাবে অপবাদ দেওয়ার আগে যাতে তথ্য যাচাই করে নেয়। একেক দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি একেক রকম, সবগুলো এক করে দেখা ভালোভাবে দেখছে না বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন