৬ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ০৮:০৫:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানের ভারত সফরে প্রাণান্ত চেষ্টা মোদী সরকারের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর নিজেদের সামর্থ যাচাইয়ে অগ্নি পরীক্ষা বাংলাদেশের অসংক্রামক রোগে আক্রান্তের প্রবণতা উদ্বেগজনক আবদুল এল সায়েদকে লক্ষ্য করে রিপাবলিকানদের আক্রমণাত্মক প্রচারণা আবারও জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগ দিল্লিতে বসে ঢালাওভাবে অডিও বার্তার সুযোগ হারাচ্ছেন হাসিনা সাকিব প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- ‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত নগর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি এআইপ্যাক সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মিশিগানে চমক দেখালেন ড. আবদুল এল-সায়েদ


সম্প্রতি অপরাধের ব্যাপকতার পেছনে পরাজিত শক্তি : ইসলামী আন্দোলন
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১২-০৩-২০২৫
সম্প্রতি অপরাধের ব্যাপকতার পেছনে পরাজিত শক্তি : ইসলামী আন্দোলন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ


ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ বলেছেন, সাম্প্রতিক অপরাধের যে ব্যাপকতা দেখা যাচ্ছে তা পবিত্র রোজার মাসের স্বাভাবিক চরিত্র না। বাংলাদেশের মানুষ সাধারণত অপরাধ প্রবণ না এবং রোজার মাসে ঐতিহাসিকভাবেই তাকওয়ার প্রভাব দেখা যায় সমাজে। কিন্তু এখন যে ব্যাপকতা দেখা যাচ্ছে তা দেশকে অস্থিতিশীল করতে পরাজিত রাজনৈতিক শক্তির অপচেষ্টার অংশ। তারা দেশকে অস্থিতিশীল করে অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকারকে ব্যর্থ প্রমাণ করতে চাইছে। অভ্যত্থানকে দেশের জন্য অকল্যাণকর দেখাতে চাইছে। এই কারণে আইন-শৃংখলাবাহিনীকে সতর্কভূমিকা পালন করতে হবে এবং এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।

গত ১১ মার্চ মঙ্গলবার বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহকারী মহাসচিব মুফতী এছহাক মোহাম্মদ আবুল খায়ের, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ, হাফেজ মাওলানা নূরুল করীম আকরাম, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, অ্যাডভোকেট শওকত আলী হাওলাদার, মুফতী কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, শাহ ইফতেখার তারিক, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুর রহমান মুজাহিদ, জিএম রুহুল আমীন, মুফতী দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, অ্যাডভোকেট বরকত উল্লাহ লতিফ, মুফতি শেখ মুহাম্মদ নুরুন্নাবী, অধ্যাপক নাসির উদ্দিন খান, মুফতি মোস্তফা কামাল।

অধ্যক্ষ ইউনুস আহমেদ বলেন, ধর্ষণ একটি ফৌজদারী অপরাধ এবং সামাজিক অবক্ষয়ের প্রতিফল। ধর্ষকের শাস্তির ব্যাপারে ধর্ম-বর্ণ, মতাদর্শ নির্বিশেষে সকলে একমত। তারপরেও ধর্ষণের ইস্যু নিয়ে একদল নারী-পুরুষকে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। মতাদর্শিক সংঘাত তৈরির অপচেষ্টা করেন। এতে করে সমাজে বিভক্তি তৈরি হয়। এটা না করে ঐক্যকে আরো দৃঢ় করতে হবে।

ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব গাজায় সৃষ্ট মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সভ্যতার এই উৎকর্ষের কালে বিশ্বের শতকোটি মানুষের চোখের সামনে যেভাবে লাখ লাখ গাজাবাসীকে এভাবে অনাহারে হত্যা করা হচ্ছে তা কল্পনা করা যায় না। বাংলাদেশ সরকারকে এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কথা বলতে হবে। বিশ্ব মুসলিমকে একত্রিত করার উদ্যোগ নিতে হবে।

শেয়ার করুন