১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ০৮:৫২:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাকিব প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- ‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত নগর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি এআইপ্যাক সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মিশিগানে চমক দেখালেন ড. আবদুল এল-সায়েদ ‘দেশের গ্রেট প্লেয়ার সিমপ্যাথি ছিল,আসলে সে খুনীর প্রমাণিত দোসর, ফ্যাসিস্ট’ মসজিদ নির্মাণে অনুমতি না দেওয়ায় ব্রোকেন অ্যারো সিটির বিরুদ্ধে মামলা ২৫ হাজার ডলার লুটের অভিযোগ, দুই বাংলাদেশি গ্রেফতার বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য ভিসা বন্ড স্থায়ী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে হাসপাতালে ১, গ্রেফতার ১ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান নিউইয়র্কে আইসের মুখোশ নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ


বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে একজন জাহিদ মিন্টু
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৪-০৯-২০২২
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে একজন জাহিদ মিন্টু বৃহত্তর নোয়াখালি সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টু।


গত ১৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সোসাইটির বহুল প্রতিক্ষিত এবং ব্যয়বহুল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অবাধ, নিরপেক্ষ এবং সুষ্ঠু নির্বাচনে সোসাইটির ভোটাররা রব- রুহল প্যানেলের প্রতি আস্থা রেখেছেন। তবে এই নির্বাচনে রব- রুহুল প্যানেল জয়লাভ করবে- এটা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কারণ বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনের ইতিহাস বা রেকর্ড সেই কথাই বলে। বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচনে এ পর্যন্ত যারা বেশি ভোটার বানিয়েছেন তারাই জয়লাভ করেছেন। কিন্তু এবার ঠিক তার উল্টো ঘটনা ঘটেছে। এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট জমা দিয়েছিলেন নয়ন- আলী প্যানেল। তাদের দাবি অনুযায়ী ২৭৫১০ ভোটের মধ্যে তারাই জমা দিয়েছেন প্রায় ১৭ হাজার ভোটার। বাকি ভোট জমা দিয়েছে রব-রুহুল প্যানেল এবং স্বতন্ত্র সভাপতি প্রার্থী জয়নাল আবেদীন। বাংলাদেশ সোসাইটির এবারের নির্বাচনের রব-রুহুল প্যানেলের নেপথ্য নায়ক ছিলেন বৃহত্তর নোয়াখালি সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ মিন্টু। বলতে গেলে তিনি একাই ভোটারদের মন জয় করে এই প্যানেলকে জয়যুক্ত করেছেন। তার ক্যারিশমাটিক নেতৃত্বের কারণেই রব- রুহুল প্যানেল জয়লাভ করেছেন। বিশেষ করে ব্রুকলীন কেন্দ্রের ফলাফলই নয়ন- আলী প্যানেলের পরাজয়কে নিশ্চিত করেছে। ব্রুকলীন কেন্দ্রে রব- রুহুল প্যানেলের বিশাল জয়ের নেপথ্য ভূমিকায় ছিলেন জাহিদ মিন্টু। এই কেন্দ্রেই এবার সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে। বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন এলেই একটি গোষ্ঠি নির্বাচনে কারিগরের দায়িত্ব পালন করেন। তারাই প্যানেল গঠন করেন এবং তারাই নির্বাচন পরিচালনা করেন। এবারের নির্বাচনেও অধিকাংশ কারিগর ছিলেন নয়ন- আলী প্যানেলের পক্ষে। আবার সুবিধাবাদী অনেকেই ভোটের ব্যাবধান দেখে নয়ন- আলী প্যানেলের পক্ষে চলে যান। তাদের সম্মিলিক প্রয়াসকে ধুলিসাৎ করে দেন জাহিদ মিন্টু একাই। তার চালে সবাই কুপোকাৎ। তিনি প্রমাণ করেছেন সঠিক, সৎ নেতৃত্ব এবং লক্ষ্য যদি স্থির থাকে তাহলে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছা সম্ভব। নয়ন- আলী প্যানেলের যারা কারিগর ছিলেন তারা শুধু কথার ফুলজুরি ছড়িয়েছেন। কেন্দ্রে কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে শুধু বড় বড় কথা বলেছেন কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করেননি। নির্বাচনে জয়ী হওয়ার জন্য প্রয়োজন ছিলো ভোটার আনার। কিন্তু তারা সেই কাজটিই করতে পারেননি। তাদের জন্য সেই কাজটি করা কঠিন ছিলো। কারণ তারা এত বেশি ভোট করেছেন যে তারা তাদের ভোটের ট্র্যাকিং রাখতে পারেননি। কারা তাদের ভোটার সেটাই তারা চিহ্নিত করতে পারেননি। অন্যদিকে রব- রুহুল প্যানেল তাদের ভোটারদের চিহ্নিত করেছেন এবং ভোট কেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন। অন্যদিকে গোপন যে খেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ছিলো সেই খেলায়ও জয়যুক্ত হয়েছে রুব রুহুল প্যানেল। অনেকেই বলেছেন, এক জাহিদ মিন্টুর হাতেই সবাই ধরাশায়ী।

শেয়ার করুন