০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বুধবার, ০৯:৫৩:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আজ পালিত হবে পবিত্র শবে বরাত জামায়াতের নারী কর্মীদের কাছে তারেক রহমানের প্রশ্ন নিপা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে ঘিরে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চিয়তা ‘উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিনঘাঁটিগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালের মধ্যেই রয়েছে’ এনসিপির ৩৬ দফার ইশতেহার, কী আছে তাতে? ১২ ফেব্রুয়ারী ধানের শীষের পাশাপাশি হ্যা ভোট দেয়ারও আহ্বান তারেক রহমানের আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের জয়, নাইকোকে ৫১৬ কোটি টাকা জরিমানা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচার সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য দণ্ডনীয় অপরাধ- ইসি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে- জাহাঙ্গীর তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আসন্ন সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাশের আহ্বান


জামায়াতের নারী কর্মীদের কাছে তারেক রহমানের প্রশ্ন
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০২-২০২৬
জামায়াতের নারী কর্মীদের কাছে তারেক রহমানের প্রশ্ন


ত্রোয়েদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলছে দেশ জুড়ে বাহাস! আওয়ামী লীগ বিহীন বাংলাদেশে নতুন কিছু দেখছে বাংলাদেশ। বরাবরই জামায়াতকে বিএনপির বি টিম বলে যারা এতদিন তকমা দিয়ে বেড়াচ্ছিল এখন তারাই দেখছে দুই দলের মধ্যে পার্থক্য। স্বার্থের লড়াই দুই দল দুই প্রান্তে। একে অপরের বিপক্ষে যুগ যুগ ধরে চলে আসা যে সৌহার্দ সেটা মিলিয়ে গেছে। 


ভোটের মাঠে মানুষকে কনভিন্স করতে একে অপরের কুৎসা রটাচ্ছে। বিএনপিকে যেমন দখলদার, চাঁদাবাজ সহ নানা পরিচয়ে তুলে ধরছে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ, ঠিক ছেড়ে কথা বলছে না বিএনপিও। 
এমনই এক প্রেক্ষাপটে জামায়াতের নারী কর্মীদের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন তারেক রহমান। খুলনার এক জনসভায় ওই প্রশ্ন করেন তিনি। সোমবারের বিশাল ওই জনসভায়  ‘জামায়াতে ইসলামী নারী সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করেছে, তারাই নির্বাচন নিয়ে আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে’ উল্লেখ দেশবাসীকে সর্তক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান।


দুপুরে খালিশপুরের প্রভাতি স্কুল মাঠে এক সমাবেশে বিএনপির চেয়ারম্যান এই আহ্বান জানান।


তিনি বলেন, ‘‘ বহু আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজকে যে আমাদের রাজনৈতিক অধিকার যেই অধিকারের জন্য দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময়  বহু মানুস গুম-খুনের শিকার হয়েছে, বহু মানুষ অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছে সেই অধিকার বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে ইনশাল্লাহ আগামী ১২ তারিখ। কিন্তু আমরা খেয়াল করছি, একটি মহল বলার চেষ্টা করছে এবার ভোট গণনায় নাকি অনেক সময় লাগবে। ষড়যন্ত্র আবার শুরু করেছে। যারা জনগণের সামনে সকাল-বিকাল মিথ্যা কথা বলছে, যারা দেশের নারী সমাজকে হেয় প্রতিপন্ন করছে এরা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র শুরু  করেছেন। তাদের  এসব কথা-বার্তা, তাদের  এসব কাজ কর্ম, এসব ফাঁকি-ঝুঁকি মানুষ ধরে ফেলেছে। সেজন্য তারা বিভিন্ন ছলচাতুরীর চেষ্টা করছে।”
‘‘ আজ তাই এই জনসভায় দাঁড়িয়ে আপনাদের সকলকে বলতে চাই, আজ থেকে আপনাদেরকে সর্তক থাকতে হবে, সজাগ থাকতে হবে। যে অধিকার আপনি  এক যুগ ধরে পাননি আবার যাতে এই অধিকার কেউ কেড়ে নিয়ে যেতে না পারে আপনাদের সকলকে দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্তক এবং সজাগ থাকতে হবে।”


তারেক বলেন, ‘‘ আমরা যদি সকলে ঐক্যবদ্ধ থাকি, সকলে যদি একত্রিত থাকি তাহলে আমরা অবশ্যই আমাদের সেই কাংখিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো এবং সেই কাংখিত বাংলাদেশের শ্লোগান হবে একটাইৃ করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।”
‘‘ আসুন আমরা এই জনসভায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই যে, আপাদের সামনে অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং বর্তমানে যতগুলো রাজনৈতিক দল আছে তার মধ্যে এক মাত্র বিএনপির অভিজ্ঞতা আছে দেশ পরিচালনার করার। যেহেতু বিএনপির অভিজ্ঞতা আছে দেশ পরিচালনা করার সেহেতু একমাত্র বিএনপির পক্ষে সম্ভব এই বাংলাদেশকে সঠিক পথে পরিচালিত করার।”
তিনি বলেন, ‘‘ সঠিকভাবে দেশ পরিচালনা করতে হলে দুইটা বিষয় নজর দিতে হবে। এক, যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা যেন মানুষ শান্তিতে রাজপথে চলতে পারে, যেন মানুষ শান্তিতে তার ব্যবসা বানিজ্য করতে পারে, যেন মানুষ রাতে ঘুমাতে পারে তার নিজের ঘরেৃ এ্ অভিজ্ঞতা বিএনপিরই আছে। বিএনপি জানে কীভাবে দেশের নিরাপদ পরিস্থিতি তৈরি করতে হয়।”


‘‘ একই সাথে বিএনপির আরেকটি অভিজ্ঞতা আছে কিভাবে দেশকে দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে বের করে নিয়ে আসতে হয়। অতীতেও আমরা দেখেছি যে, স্বৈরাচার পালিয়ে গিয়েছে তারা যখন অতীতে ক্ষমতায় ছিলো তারা দুর্নীতিতে দেশকে সয়লাব করে দিয়েছিলো। পরবর্তিতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহন করেন আমরা দেখেছি কিভাবে ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে বিএনপি সরকার দুর্নীতির করাল গ্রাস থেকে বের করে নিয়ে এসেছিলো। সেজন্য এই মুহুর্তে দেশকে পূনর্গঠনের জন্য যদি কোনো দল থেকে থাকে সেটা হচ্ছে বিএনপি,সেই প্রতীক হচ্ছে ধানের শীষ।”
তিনি ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘‘ আসুন আগামী ১২ তারিখে ধানের শীষকে জয়যুক্ত করে দেশ পূনর্গঠনের কাজে আমরা হাত দেই। আমার দুই পাশে ধানের শীষ হাতে যাদের প্রার্থী করেছি তাদের আপনারা কম বেশি চিনেন। এই মানুষগুলোকে ১২ তারিখ পর্যন্ত দেখে রাখার দায়িত্ব আপনাদের।”
‘‘ ইনশাল্লাহ  ১২ তারিখে ধানের শীষের সরকার গঠিত হলে ১৩ তারিখ থেকে এই মানুষগুলো আপনার এলাকার উন্নয়ন, সমস্যা-অসুবিধা সব কিছু দায়দায়িত্ব তাদের। আপনাদের কাছে এই মানুষগুলোর দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে গেলামৃইনশাল্লাহ। আজকে আমাদের প্রতিজ্ঞা হউক আমরা যেকোনো মূল্যে ধানের শীষকে বিজয় করবো, ধানের শীষকে বিজয় করার মাধ্যমে আমরা দেশ পূনর্গঠনের হাত দেবো।”


নারী সমাজকে অপমান করেছে জামায়াত”
তারেক রহমান বলেন, ‘‘ দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী সমাজ।  এই নারী সমাজকে পেছনে রেখে যতই উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহন করি না কেনো, যতই বড় বড় কথা বলি না কেনো কোনভাবে সম্ভব নয় দেশকে সামনে নিয়ে যাওয়া, কোনো ভাবেই সম্ভব নয় দেশকে পূনর্গঠন করা। কিন্তু একটি রাজনৈতিক দল এই যে দেশের অর্ধেক নারী গোষ্ঠি সম্পর্কে কীভাবে ঘরের মধ্যে আটকিয়ে রাখতে চায় সেই কথা তারা বলেছে। আমরা দেখেছি, একটি রাজনৈতিক দলের একজন নেতা পরিস্কার ভাবে বলে দিয়েছে যে, তারা কোনোভাবেই নারী নেতৃত্বে বিশ্বাস করে না।”
‘‘ আমরা দেখেছি, একটি রাজনৈতিক দলের একজন নেতা দুই আগে বলেছেন যে, যে সকল মা-বোনেরা কর্মসংস্থানের জন্য যান তাদেরকে আপনারাদের সামনে আমরা রীতিমতো লজ্জা হচ্ছে এমন একটি শব্দ সে আমাদের মা-বোনদের জন্য ব্যবহার করেছে যা এদেশের জন্য কলঙ্ক স্বরুপ। এই বাংলাদেশে খেটে খাওয়া মানুষের পরিবারের অধিকাংশ নারী সংসারের উপার্জনের জন্য কাজ করে থাকেন, এই বাংলাদেশের ৫০ লক্ষ উপরের নারী আজ গার্মেন্টস শিল্প নিয়ে সকলে গৌরব করে সেই গার্মেন্টস শিল্পে নারী শ্রমিকরা কাজ করেনৃ কিন্তু আজ আমরা দেখেছি একটি রাজনৈতিক দলের নেতা কীভাবে নারী সমাজকে খারাপ ভাষায় অসন্মান্বিত করেছেন।”

তিনি বলেন, ‘‘ আমাদের নবী করীম (সা.) উনার যে স্ত্রী ছিলেন বিবি খাদিজা.. তিনিও একজন কর্মমুখী মহিলা, উনি ছিলেন একজন মহিলা ব্যবসায়ী। আজকে যে দলটি যাদের নেতা আজ বাংলাদেশের  নারীদের একটি খারাপ কিছুর সাথে তুলনা করেছেন তারা বলে ইসলাম কায়েম করবেন। কিন্তু নবী করীম(সা) স্ত্রীও একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। তাহলে আজকে কোথায় গিয়ে দাঁড়ালো বাংলাদেশের নারী সমাজ অর্থাৎ তাবৎ পৃথিবীর নারী সমাজকে কীভাবে অপমান করা হলো?”
‘‘যে দলটি নির্বাচনের আগে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠিকে ঘরের মধ্যে বন্দি করতে চায়, যে দলটি নির্বাচনের আগে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠিকে অসন্মানজনক ভাবে কথা বলে তাহলে আপনাদের কাছে প্রশ্ন আমাদের নির্বাচনে যদি তারা(জামায়াত) কোনোভাবে সুযোগ পায় নির্বাচন পরবর্তি সময়ে তাদের আচরণ কী হতে পারে?”


‘তারা মিথ্যাবাদী, এরা জনদরদী নয়’

তারেক বলেন, ‘‘ এরা শুধু নিজের স্বার্থের কথা বুঝে। এরা ধর্মকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য। যেখানে প্রয়োজন সেখানে তারা তাদের মতো করে ধর্মকে ব্যবহার করে। আমরা গতকাল দেখেছি, যখন এই কথা(জামায়াত আমীরের কথা) বলার পরে তীব্র সমালোচনা শুরু হলো নারী সমাজ থেকে, যখন এই কথা বলার পরে তীব্র সমালোচনা শুরু হলো সমাজের প্রত্যেকটি মানুষের কাছ থেকে তখন তারা বলছেন, তাদের এই আইডি নাকী হ্যাক হয়ে গিয়েছিলো।”
‘‘ এই বিষয়ে যারা বিশেষজ্ঞ তারা পরিস্কারভাবে বলেছে যে, আইডি এভাবে হ্যাক হতে পারে না। একটি রাজনৈতিক দলের একজন সিনিয়র নেতা জনগনের সামনে নির্বাচনের আগে এভাবে মিথ্যা কথা বলছে, দলটি পর্যন্ত মিথ্যা কথা বলছে যে, তাদের আইডি বলে হ্যাক হয়ে গিয়েছিলো। অথচ আইডি হ্যাক হয়নি তাদের। এরা নির্বাচনের আগে নিজেদের স্বার্থ সিদ্দির জন্য  মানুষের সামনে মিথ্যা কথা তুলে ধরছে, মিথ্যা কথা বলছে। এদের একটাই পরিচয় এরা মিথ্যাবাদী, এরা নিজেদের স্বার্থে, নিজেদের প্রয়োজনে এরা মিথ্যা কথা বলে। যারা হাজারো মানুষের সামনে মিথ্যা কথা বলে, এরা আর যাই হোকে দেশদরদী হতে পারে না, এরা আর যাই হোক মানুষ দরদী হতে পারে না, এরা আর যাই হোক এরা কখনই জনদরদী হতে পারে না।”
তিনি বলেন, ‘‘ আমরা বিশ্বাস করি, দেশের অর্ধেক নারী সমাজকে পেছনে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। সেজন্য ইরশাল্লাহ আগামী ১২ তারিখ নির্বাচনে বিজয় হলে আমরা প্রত্যেকটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেবো। যেই কার্ডের মাধ্যমে আমরা দেশের নারী সমাজকে ধীরে ধীরে স্বাবলম্বিভাবে গড়ে তুলতে চাই। যাতে করে এই নারী সমাজ কারো মুখাপেক্ষী না হতে হয়, যাতে করে তারা নিজেদের পায়ে নিজেরা দাঁড়াতে পারে।”
‘‘ আজকে তাবৎ মা-বোনদের বলব আমি, যারা আপনাদের এভাবে অপমানিত করে তাদের আপনারা কীভাবে জবাব দেবেন আজ আপনাদের সিদ্ধান্ত নেবার সময়  এসেছে।”


‘জামায়াতের নারী কর্মীদের কাছে প্রশ্ন’
তারেক বলেন, ‘‘ তাদের(জামায়াতে ইসলামী) দলেও নারী কর্মী আছে। আজকে তাদের নারী কর্মীদের কাছে আমার প্রশ্ন আপনারা দলের হয়ে দলের কাজে বাইরে যাচ্ছেন, ঘরে থেকে  বেরিয়ে বাইরে কাজে যায় তাকে আপনাদের নেতারা কিসের সাথে তুলনা করেছেন চিন্তা করে দেখুন। তাহলে আমাদের প্রশ্ন ওই দলের  নারী সদস্য আছে তাদের প্রকৃত পরিচয় কী? তাদের নেতার বক্তব্য অনুযায়ী তাদের প্রকৃত পরিচয় কী?”

‘‘ যেই দলের নেতা নিজের দলের নারী কর্মীদেরকে এভাবে অপদস্ত করে, অপমানিত করতে পারে তাহলে সেই দলের নেতা  যদি সুযোগ পায় তাহলে বাংলাদেশের সাধারণ মা-বোনদের কীভাবে অপদস্ত-অপমানিত করবে যার উদাহরণ আমরা ১৯৭১ সালেই দেখেছিলাম, এদেশের লক্ষ লক্ষ মা-বোনদের অপমানিত করেছিলো এই দলটি পূর্বসুরী নেতৃবৃন্দ। কাজেই যাদের কাছে মানুষের মূল্যায়ন নেই, যাদের কাছে মানুষের কাছে আত্মসন্মানবোধ নেই তাদের কাছে কখন দেশ নিরাপদ হতে পারেনা, তাদের কাছে মানুষ নিরাপদ হতে পারে না, তাদের কাছে নারীর্ ানিরাপদ হতে পারে না।”
খুলনা শিল্প নগীর গ্যাসসহ নানা সমস্যার কারণে মৃত নগরীদের পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে খুলনাকে জীবিত শিল্প নগরীতে পরিণত করার  প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান।
খুলনা মহানগরের সভাপতি শফিকুল আলম মনার  সভাপতিত্বে ও  সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিনের সঞ্চালায় খুলনা-১ আসনের আমীর এজাজ খান,  খুলনা- ২ আসনের নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনা-৩ আসনের রকিবুল ইসলাম বকুল, খুলনা-৪ আসনে এসকে আজিজুল বারী হেলাল, খুলনা-৫ আসনে মো. আলি আসগার, খুলনা-৬ আসনে এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পী, সাতক্ষীরা-১ আসেন হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সাতক্ষীরা-২ আসনে আব্দুর রউফ, সাতক্ষীরা-৩ আসনে কাজী আলাউদ্দীন, সাতক্ষীরা-৪ আসনে মনিরুজ্জামান, বাগেরহাট-১ আসনে কপিল কৃষ্ণ মন্ডল, বাগেরহাট-২ আসনে শেখ মোহাম্সদ জাকির হোসেন, বাগেরহাট-৩ আসনে শেখ ফরিদুল ইসলামও  বাগেরহাট-৪ আসনে সোম নাথ দে ছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতা জয়ন্তু কুমার কুন্ড, শামীমুর রহমান জ শামীম, মোনায়েম মুন্না, মনিরুজ্জামান মনি,রহমত উল্লাহ পলাশ, নেওয়াজ হালিমা আরলী, আয়শা সিদ্দিকী মনি,শেখ ওয়াহিদুজ্জামান দিপু, সৈয়দা নার্গিস আলী প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
তারেক রহমান খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটের প্রার্থীদের ধানের শীষ হাতে পরিচয় করিয়ে দিয়ে তাদেরকে বিজয়ী করার জন্য  এ্ অঞ্চলের ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান বিএনপি চেয়ারম্যান।


 
    

শেয়ার করুন