৬ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ০৮:৬:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানের ভারত সফরে প্রাণান্ত চেষ্টা মোদী সরকারের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর নিজেদের সামর্থ যাচাইয়ে অগ্নি পরীক্ষা বাংলাদেশের অসংক্রামক রোগে আক্রান্তের প্রবণতা উদ্বেগজনক আবদুল এল সায়েদকে লক্ষ্য করে রিপাবলিকানদের আক্রমণাত্মক প্রচারণা আবারও জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগ দিল্লিতে বসে ঢালাওভাবে অডিও বার্তার সুযোগ হারাচ্ছেন হাসিনা সাকিব প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- ‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত নগর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি এআইপ্যাক সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মিশিগানে চমক দেখালেন ড. আবদুল এল-সায়েদ


নিউইয়র্কে ৩৯৬ মিলিয়ন ফ্রি স্কুল মিলস ডিস্ট্রিবিউশন
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০১-০৭-২০২৬
নিউইয়র্কে ৩৯৬ মিলিয়ন ফ্রি স্কুল মিলস ডিস্ট্রিবিউশন নিউইয়র্ক স্টেটে ২০২৫-২৬ সালে ৩৯৬ মিলিয়নেরও বেশি ফ্রি স্কুল মিলস বিতরণ করা হয়েছে


ইউনাইটেড স্টেটসের নিউইয়র্ক স্টেটে ২০২৫-২৬ স্কুল ইয়ার শেষে প্রায় ৩৯৬ মিলিয়ন ফ্রি স্কুল মিলস ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চডেলিভার করা হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন গভর্নর ক্যাথি হোচুল। এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রায় ২ দশমিক ৭ মিলিয়ন স্টুডেন্ট প্রতিদিন স্কুলে ফ্রি হেলদি মিলস পাচ্ছে।

স্টেট গভর্নমেন্টের ইউনিভার্সাল স্কুল মিলস প্রোগ্রামের আওতায় এ ইনিশিয়েটিভ ইমপ্লিমেন্ট করা হচ্ছে, যেখানে কোনো ইনকাম রিকোয়ারমেন্ট ছাড়াই প্রতিটি স্টুডেন্টকে ফ্রি খাবার সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। গভর্নর ক্যাথি হোচুল বলেন, কোনো শিশুই যেন ক্ষুধার্ত না থাকে-এ লক্ষ্যেই আমরা রাজ্যব্যাপী ফ্রি স্কুল মিলস চালু করেছি। স্বাস্থ্যকর খাবার শিক্ষার্থীদের মানসিক সুস্থতা ও শিক্ষাগত পারফরম্যান্স উন্নত করে। নিউইয়র্ক স্টেট এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট কমিশনার বেটি এ রোসা বলেন, প্রতিটি শিক্ষার্থী প্রতিদিন পুষ্টিকর খাবার পাওয়ার অধিকার রাখে। এ কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের শেখার জন্য প্রস্তুত রাখছে এবং পরিবারের আর্থিক চাপ কমাচ্ছে।

স্টেট সরকারের ২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেটে স্কুল মিলস প্রোগ্রামের জন্য ৩৯৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৫৫ মিলিয়ন ডলার বেশি। এ অর্থ দিয়ে স্কুল, চার্টার স্কুল এবং নন-পাবলিক স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্রেকফাস্ট ও লাঞ্চ নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে নিউইয়র্কে শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা নীতিতে একটি বড় পরিবর্তন এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। শিক্ষার্থীদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এটি পরিবারগুলোর ওপর অর্থনৈতিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিচ্ছে।

শেয়ার করুন