২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১০:১৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলে আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন : টিআইবি
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৯-১০-২০২৪
সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলে আন্তরিকতা নিয়ে প্রশ্ন : টিআইবি


সাইবার নিরাপত্তা আইন দ্রুত সময়ের মধ্যে বাতিল করতে হবে বলে দাবি জানিয়েছে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। এই আইন চালু হওয়ার পর থেকে আইনে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এই আইন বাতিল করতে এত দেরি হওয়ার কথা নয়।

গত ৮ অক্টৈাবর মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাতিলযোগ্য সাইবার নিরাপত্তা আইন : জনগণের প্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এসব কথা বলেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

ডিজিটাল রাইট, নাগরিক ও ইউনাইটেড নেশনস বাংলাদেশ যৌথভাবে গোলটেবিলের আয়োজন করে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সবাই বলেছেন- এই আইনটি বাতিলযোগ্য। এটি সংশোধনযোগ্য নয়। আইনটি বাতিল করতে হবে। আমি অবিলম্বে আইনটি বাতিলের কথা বলব। তিনি বলেন, এই আইনে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে অবিলম্বে। তাদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দ্রুত দিতে হবে। যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। আইনটিকে যারা কর্তৃত্ববাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছে তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। যারা হুকুমের আসামি তাদেরকেও জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, ভবিষ্যতে কোনো আইনের মধ্যে আর সাইবার সিকিউরিটি শব্দটি থাকা উচিত নয়, সেটি যত ভালো আইনই হোক না কেন। দেশে সাইবার সিকিউরিটি অ্যাক্ট বা ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের মাধ্যমে নিরাপত্তার নামে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা হয়েছে। নতুন আইনে যেন নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করা না হয়।

ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া ও আর্টিকেল নাইনটিনের দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক শেখ মনজুর-ই-আলম, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট হাসনাত কাইয়ুম প্রমুখ বৈঠকে বক্তব্য দেন। এ ছাড়া মানবাধিকারকর্মী, নারী নেত্রীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তুলে ধরেন তাদের বক্তব্য।

শেয়ার করুন