১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার, ০২:২৬:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি - প্রধানমন্ত্রী ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার না করার সূচনা নিজেই শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টেক্সাসে বিতর্কিত নতুন পাঠ্যক্রম অনুমোদনে মুসলিমদের ক্ষোভ ঘুষ নিয়ে নাগরিকত্ব, সাবেক ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা লুকম্যান ও ওলাবি গ্রেফতার জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে তারেক-ট্রাম্পের বৈঠকের সম্ভাবনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিলেন ড. খলিলুর রহমান সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও স্ত্রীর সম্পদের বিষয়ে এফবিআইয়ের প্রতিবেদন দুদকে তারেকের কূটনৈতিক চালে ধরাশায়ী হাসিনা মুসলিম বিদ্বেষে কিশোর আলী হত্যায় মায়ার্সকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড অক্টোবরে বাড়ছে স্ন্যাপ সুবিধা ও আয়সীমা


নিখোঁজ অভিবাসী শিশুদের মধ্যে ১ লাখ ৪৬ হাজারের সন্ধান
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৭-০৬-২০২৬
নিখোঁজ অভিবাসী শিশুদের মধ্যে ১ লাখ ৪৬ হাজারের সন্ধান সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মার্কওয়েইন মুলিন


যুক্তরাষ্ট্রে অনিয়মিতভাবে প্রবেশের পর নিখোঁজ শিশুদের মধ্যে প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজারের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে এখনো প্রায় ৩ লাখ শিশুর অবস্থান অজানা রয়েছে বলে জানান দেশটির স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগের (হোমল্যান্ড সিকিউরিটি) কর্মকর্তারা।

গত ১১ জুন ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তাবিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মার্কওয়েইন মুলিন। তিনি অভিযোগ করেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতার কারণে বিপুলসংখ্যক শিশু অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিল।

মুলিন বলেন, নিখোঁজ শিশুদের খুঁজে বের করা বর্তমান প্রশাসনের অন্যতম অগ্রাধিকার। এখন পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার শিশুর অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তবে এখনো প্রায় ৩ লাখ শিশুর খোঁজ মেলেনি।

এদিকে একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ শিশুপাচারের অভিযোগে মেক্সিকোর তিন নাগরিকের বিরুদ্ধে ওহাইওর একটি ফেডারেল আদালতে মামলা দায়ের করেছে।

অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন-মারিটজা আজুসেনা কাহুয়েচ (৩৮), তার ভাই কার্লোস অগোস্টিন কাহুয়েচ (৩৩) এবং গ্ল্যাডিজ মেরিনা চাল চেন (২০)। অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের অক্টোবরের মধ্যে তারা মেক্সিকো থেকে শিশুদের অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করাতে সহায়তা করেছেন।

বিচার বিভাগের নথি অনুযায়ী, পাচার হওয়া অনেক শিশু পরবর্তী সময়ে নিখোঁজ হয়ে যায় এবং তাদের অবস্থান সম্পর্কে অভিভাবকরা কোনো তথ্য পাননি। তদন্তকারীদের ধারণা, এসব শিশুর অনেকেই শোষণ ও মানব পাচারের শিকার হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরো উল্লেখ করা হয়, গ্ল্যাডিজ মেরিনা চাল চেন নিজেও একসময় পাচারের শিকার হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন। পরে তিনি আশ্রয় সুবিধা পাওয়ার পর একই পাচারচক্রের সঙ্গে যুক্ত হন বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে নেওয়া আইনি পদক্ষেপ নিখোঁজ শিশুদের সন্ধান পাওয়ার প্রক্রিয়াকে আরো এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।

এদিকে নিউ জার্সি থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য ক্রিস স্মিথ এক বিবৃতিতে ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। তিনি দাবি করেন, বাইডেন প্রশাসনের সময়ে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন ছিল এবং অপরাধী চক্রগুলো সে সুযোগ নিয়েছিল। বর্তমান প্রশাসন সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করায় অবৈধ অনুপ্রবেশ কমেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তবে সন্ধান পাওয়া শিশুদের ভবিষ্যৎ আইনি অবস্থান কী হবে, তারা অভিভাবকদের কাছে ফিরতে পারবে কি না কিংবা যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসের সুযোগ পাবে কি না-সে বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

শেয়ার করুন