২৯ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ১০:০২:৫০ অপরাহ্ন


ট্রাম্প প্রশাসনের পদক্ষেপে উদ্বেগ, বিতর্ক ও আইনি প্রশ্ন
যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব বাতিলের নজিরবিহীন অভিযান
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৯-০৭-২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব বাতিলের নজিরবিহীন অভিযান ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (ডিওজে)


যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন নীতিকে আরো কঠোর করার অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ন্যাচারালাইজেশনের মাধ্যমে অর্জিত মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল বা ডিন্যাচারালাইজেশন কার্যক্রমকে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করেছে। প্রশাসনের দাবি, যারা প্রতারণা, তথ্য গোপন, ভুয়া পরিচয় বা জাল নথির মাধ্যমে নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াই এ উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। তবে অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞ, মানবাধিকার সংগঠন এবং সাবেক বিচার বিভাগের কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, এ কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের কোটি কোটি প্রাকৃতিকীকৃত নাগরিকের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অপব্যবহারের ঝুঁকিও সৃষ্টি করতে পারে।

রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের ডিন্যাচারালাইজেশন সম্প্রসারণের উদ্যোগ

ট্রাম্প প্রশাসনের ডিন্যাচারালাইজেশন অভিযান শুধু বিচার বিভাগের নীতিগত পরিবর্তনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; কংগ্রেসের রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারাও নাগরিকত্ব বাতিলের আইনি পরিধি আরো সম্প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা নিচ্ছেন। ২০২৫ সালে ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস (ডিওজে) একটি নতুন নীতিমালা প্রকাশ করে, যেখানে ডিন্যাচারালাইজেশন মামলাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে মাদক কার্টেলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, বড় ধরনের আর্থিক প্রতারণার অভিযুক্ত, সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং সিভিল ডিভিশনের বিবেচনায় যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হওয়া অন্যান্য মামলাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়। সমালোচকদের মতে, যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ শব্দটির বিস্তৃত ব্যাখ্যা ভবিষ্যতে প্রশাসনের রাজনৈতিক পছন্দ অনুযায়ী মামলা বাছাইয়ের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

এ প্রেক্ষাপটে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা কংগ্রেসে ডিন্যাচারালাইজেশন সম্প্রসারণের জন্য কয়েকটি বিল উত্থাপন করেছেন। টেক্সাসের রিপাবলিকান প্রতিনিধি চিপ রয় ২০ এপ্রিল ২০২৬ প্রতিনিধি পরিষদে এইচ আর ১০৪৯৭-মেজার্স অ্যাগেইনস্ট মার্কসিজম’স ডেঞ্জারাস অ্যাডহিরেন্টস অ্যান্ড নক্সিয়াস ইসলামিস্টস (মামদানি ) অ্যাক্ট অব ২০২৬ উত্থাপন করেন। প্রস্তাবিত এ বিলটি যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ও নাগরিকত্ব আইনে পরিবর্তন এনে সমাজতন্ত্র, সাম্যবাদ, মার্কসবাদ বা ইসলামিক মৌলবাদের সমর্থক, প্রচারক অথবা সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যদের বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব বাতিল, নাগরিকত্ব প্রত্যাখ্যান বা বহিষ্কারের আইনি ভিত্তি সম্প্রসারণের প্রস্তাব করে। বিলটি এখনো কংগ্রেসে পাস হয়নি।

অন্যদিকে মিসৌরির রিপাবলিকান সিনেটর এরিক শ্মিট ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ সিনেটে এস ৩৬৭৪-স্টপ সিটিজেনশিপ অ্যাবিউজ অ্যান্ড মিসরিপ্রেজেন্টেশন (স্ক্যাম) অ্যাক্ট উত্থাপন করেন। এ বিলের লক্ষ্য হলো, সরকারের ডিন্যাচারালাইজেশন ক্ষমতা বাড়ানো এবং নাগরিকত্ব পাওয়ার পরবর্তী ১০ বছর পর্যন্ত প্রতারণা, তথ্য গোপন, সন্ত্রাসবাদ-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড, গুপ্তচরবৃত্তি বা নির্দিষ্ট গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের মামলা করার সুযোগ সম্প্রসারণ করা।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব বিল এখনো আইনে পরিণত না হলেও এগুলো রিপাবলিকানদের অভিবাসন নীতির ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে। একই সঙ্গে সমালোচকদের আশঙ্কা, ডিন্যাচারালাইজেশনের পরিধি বাড়ানো হলে এটি ভবিষ্যতে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বা নির্দিষ্ট অভিবাসী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ট্রাম্প অতীতে ডেমোক্র‍্যাট কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমর-কে যুক্তরাষ্ট থেকে বহিষ্কারের কথা প্রকাশ্যে বলেছেন। এছাড়া নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি সম্পর্কে তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এবং তার নাগরিকত্ব সংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখার কথাও উল্লেখ করেন। পরে কয়েকজন রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য মামদানির নাগরিকত্ব প্রক্রিয়া তদন্তের আহ্বান জানান। এসব ঘটনার পর সমালোচকদের আশঙ্কা, ডিন্যাচারালাইজেশন ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বিতর্কের একটি হাতিয়ারে পরিণত হতে পারে।

বর্তমান আইনে কী রয়েছে?

বর্তমান মার্কিন আইন অনুযায়ী, শুধু নাগরিকত্ব লাভের পর সংঘটিত অপরাধের কারণে সাধারণভাবে কোনো ব্যক্তির মার্কিন নাগরিকত্ব বাতিল করা যায় না। সরকারকে আদালতে স্পষ্টভাবে প্রমাণ করতে হয় যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নাগরিকত্ব অর্জনের সময় প্রতারণা করেছেন, ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করেছেন, ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছেন বা এমন কোনো তথ্য লুকিয়েছেন, যা জানা থাকলে তাকে কখনোই মার্কিন নাগরিকত্ব দেওয়া হতো না।

এ কারণে বর্তমানে অধিকাংশ ডিন্যাচারালাইজেশন মামলার কেন্দ্রবিন্দু থাকে নাগরিকত্ব অর্জনের সময়কার প্রতারণা, নাগরিকত্ব পাওয়ার পরের কর্মকাণ্ড নয়। প্রস্তাবিত এইচ আর ১০৪৯৭ (ম্যামডানি অ্যাক্ট অব ২০২৬) এবং এস ৩৬৭৪ (স্ক্যাম অ্যাক্ট) এ দীর্ঘদিনের আইনি কাঠামোকে আরো বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে। তবে এগুলো কংগ্রেসে পাস হলেও সুপ্রিম কোর্টের পূর্ববর্তী নজির ও সাংবিধানিক সুরক্ষার কারণে কঠোর বিচারিক পর্যালোচনার মুখোমুখি হতে পারে।

জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত কতগুলো মামলা?

ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে ২২ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসন অন্তত ৮৯টি ডিন্যাচারালাইজেশন মামলা ফেডারেল আদালতে দায়ের করেছে। এর মধ্যে সরকার অন্তত ১৯টি মামলায় সফল হয়েছে। প্রশাসনের লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের অক্টোবরের মধ্যে অন্তত ২৫০টি মামলা দায়ের করা। এ গতি অব্যাহত থাকলে এটি আধুনিক মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান হতে পারে।

তুলনামূলকভাবে, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চার বছরের প্রশাসনে মাত্র ২৪টি মামলা দায়ের হয়েছিল। আর ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে (২০১৭-২০২১) প্রায় ১০২টি ডিন্যাচারালাইজেশন মামলা করা হয়েছিল।

ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি কী?

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের সেক্রেটারি মার্কওয়েইন মুলিন বলেছেন, যারা নাগরিকত্ব অর্জনের সময় প্রতারণা করেছেন, তারা মার্কিন নাগরিকত্ব ধরে রাখার অধিকার হারিয়েছেন। তিনি বলেন, নাগরিকত্ব গ্রহণের প্রক্রিয়ায় প্রতারণা করলে সে ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ধরে রাখার অধিকার হারান এবং সরকার তাদের বিরুদ্ধে আইনগত সব উপায় ব্যবহার করবে।

প্রশাসনের দাবি, এ অভিযান কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে নয়; বরং এটি নাগরিকত্ব প্রক্রিয়ার সততা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষার জন্য নেওয়া পদক্ষেপ।

কারা লক্ষ্যবস্তু?

যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান আইনে সরকার আদালতের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তির নাগরিকত্ব বাতিলের আবেদন করতে পারে যদি প্রমাণ হয় যে তিনি নাগরিকত্ব পাওয়ার সময় ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করেছেন, অপরাধমূলক ইতিহাস গোপন করেছেন, জাল নথি জমা দিয়েছেন অথবা এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য লুকিয়েছেন যা জানা থাকলে তাকে নাগরিকত্ব দেওয়া হতো না।

বর্তমান মামলাগুলোর মধ্যে অনেকগুলোতে অভিযোগ রয়েছে যৌন নির্যাতন, মাদক পাচার, ওয়্যার ফ্রড, পরিচয় জালিয়াতি, যুদ্ধাপরাধ এবং আল-কায়েদা বা আল-শাবাবের মতো সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্কের। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব অভিযোগের ধরন আগের প্রশাসনগুলোর মামলার মতোই। তবে বর্তমান পরিবর্তন হলো মামলার সংখ্যা এবং সরকারি সম্পদের ব্যাপক ব্যবহার।

কেন এত বিতর্ক?

ডিন্যাচারালাইজেশন একটি দীর্ঘ, ব্যয়বহুল এবং জটিল আইনি প্রক্রিয়া। একটি মামলায় বিপুল নথি সংগ্রহ, তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ, আদালতের শুনানি এবং প্রায়ই আপিলের প্রয়োজন হয়। ফলে একটি মামলার নিষ্পত্তিতে বহু বছর লেগে যেতে পারে। সাবেক ডিওজে আইনজীবী স্টেসি ইয়াং বলেন, এ প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতির এবং ব্যয়বহুল। তার মতে, এটি প্রশাসনের গণহারে বহিষ্কার কর্মসূচিতে বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না, তবে এটি একটি বার্তা দেয় যে প্রাকৃতিকীকরণের মাধ্যমে পাওয়া নাগরিকত্বও অনিশ্চিত হতে পারে।

অতীতের তুলনায় কী পরিবর্তন?

১৯৯০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে বছরে গড়ে মাত্র ১১টি ডিন্যাচারালাইজেশন মামলা করা হতো। এর অন্যতম কারণ ছিল ১৯৬৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, যেখানে বলা হয়েছিল সরকার শুধু প্রতারণা বা ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দেওয়ার প্রমাণ থাকলেই নাগরিকত্ব বাতিল করতে পারে।

এর আগে বিশেষ করে দুই বিশ্বযুদ্ধ ও ঠান্ডা যুদ্ধের সময়, হাজার হাজার অভিবাসীর নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছিল। ইতিহাসবিদদের মতে, সে সময় রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণেও অনেক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। পরবর্তী দশকগুলোতে ডেমোক্র‍্যাট ও রিপাবলিকান উভয় প্রশাসনই এ ক্ষমতা খুব সীমিতভাবে ব্যবহার করে।

ওবামা ও প্রথম ট্রাম্প প্রশাসনের সময়

বারাক ওবামার সময় ডিজিটাল ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তির উন্নতির মাধ্যমে জানা যায়, কিছু ব্যক্তি ভিন্ন পরিচয় ব্যবহার করে নাগরিকত্ব লাভ করেছেন। এরপর সরকার এসব ঘটনা তদন্ত শুরু করে। ২০১৭ সালে ক্ষমতায় এসে ট্রাম্প প্রশাসন ডিন্যাচারালাইজেশন কর্মসূচি আরো বিস্তৃত করে। তখন শুধু সন্ত্রাসবাদ নয়, প্রতারণা ও সহিংস অপরাধের মামলাকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনস প্রায় ৭ লাখ প্রাকৃতিকীকৃত নাগরিকের রেকর্ড পর্যালোচনার নির্দেশ দেন। লক্ষ্য ছিল প্রায় ১,৬০০টি মামলা আদালতে নেওয়া, যদিও সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি।

সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত

২০২৬ সালের জুন মাসে সুপ্রিম কোর্টের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষমতা নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করে। এসব সিদ্ধান্তের মধ্যে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সংক্রান্ত মামলা এবং নিম্ন আদালতের দেশব্যাপী স্থগিতাদেশ ব্যবহারের সীমাবদ্ধতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে। এর ফলে প্রশাসনের অভিবাসন নীতি আদালতে চ্যালেঞ্জ হলেও সেগুলো বাস্তবায়নের সুযোগ কিছু ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সামনে কী?

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশাসন যত বেশি মামলা করুক না কেন, প্রতিটি মামলায় সরকারের ওপর কঠোর প্রমাণের দায়িত্ব থাকবে। বস্টন কলেজের অধ্যাপক ড্যানিয়েল কানস্ট্রুম বলেন, মার্কিন নাগরিকত্ব অত্যন্ত মূল্যবান অধিকার এবং আদালত কোনো ব্যক্তির নাগরিকত্ব বাতিলের আগে প্রতিটি মামলার তথ্য ও প্রমাণ অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনা করবে।

ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান হলো- যারা প্রতারণার মাধ্যমে নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে সমালোচকদের মতে, এ অভিযান ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের ধারণা, অভিবাসন নীতি এবং নাগরিক অধিকারের ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। আগামী মাসগুলোতে ফেডারেল আদালতের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করবে, এ নজিরবিহীন ডিন্যাচারালাইজেশন অভিযান কতদূর এগোবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ব্যবস্থায় এর প্রভাব কতটা গভীর হবে।

শেয়ার করুন