বেলুন উড়িয়ে বনভোজনের উদ্বোধন
প্রবাসের অন্যতম সংগঠন বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির বর্ণিল বনভোজন কয়েকশত কুমিল্লাবাসীর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চমৎকার পরিবেশ ও সৌহার্দ্য সম্প্রীতির বন্ধনে বনভোজনটি গত ৩০ আগস্ট লংলাইন্ডের হ্যাকশেয়ার স্টেট পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশি কম্যুনিটির সর্বস্তরের এবং নেতৃস্থানীয় সংগঠনের নেতারা অংশগ্রহণ করে বনভোজনেকে সর্বজনীন রঙে রাঙিয়ে তোলেন। দিনব্যাপী বনভোজনে ছিল আলোচনা সভা, বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা, আড্ডা, খোশগল্প, র্যাফেল ড্র এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। যারাই এই বনভোজনে অংশগ্রহণ করেছেন তারাই পুরো দিনটি আনন্দ-উচ্ছ্বাসে কাটিয়েছেন এবং এক অনাবিল প্রশান্তি নিয়ে সন্ধ্যায় ঘরে ফিরেছেন।
বৃহত্তর কুমিল্লা সমিতির সভাপতি ইউনুস সরকারের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এ সিদ্দিক পাটোয়ারি ও সহ-সাধারণ সম্পাদক সোহেল গাজীর পরিচালনায় বনভোজনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি দুলাল বেহেদু। বনভোজনের উদ্বোধন ছিলেন সাবেক সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফিরোজুল ইসলাম পাটোয়ারি। বনভোজনে গেস্ট অর্নার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেবিবিএর সভাপতি হারুণ ভূঁইয়া, বাংলাদেশ সোসাইটির সহ-সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম ভূঁইয়া।
সকাল বেলায় নাশতা পরিবেশন শেষে বেলুন উড়িয়ে বনভোজনের উদ্বোধন করেন সাবেক সভাপতি ফিরোজুল ইসলাম পাটোয়ারী ও প্রধান অতিথি দুলাল বেহেদু। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আহ্বায়ক আবুল খায়ের আকন্দ, সদস্য সচিব বাছেদ ভূঁইয়া, সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক মামুন মিয়াজী, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আসন্ন নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ, বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সহ-সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল, বাংলাদেশ সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ ও বনভোজনে প্রধান পৃষ্ঠপোষক মফিজুল ইসলাম ভূইয়া রুমি, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য কাজী শাখাওয়াত হোসেন আজম, তপন জামান, কুইন্স বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কাজী তোফায়েল ইসলাম, বাংলাদেশ সোসাইটির বর্তমান কার্যকরী কমিটির সদম্য আবু কাশেম চৌধুরী, কাংলাদেশ সোসাইটির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক জামিল আনসারি, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম চৌধুরী, পাবনা সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশনের সভাপতি বিপ্লব সাহা, শাপলা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েটর্সের সভাপতি মোস্তফা রিপন, প্রধান সমন্বয়কারী এসএম মাহবুবুর রহমান টিটো, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হান্নান ভূঁইয়া, সমন্বয়কারী ফারহানা আক্তার, যুগ্ম সদস্য সচিব সাইদুর রহমান রিয়াদ, মোহাম্মদ বাবুল মিয়া, কোষাধ্যক্ষ আবুল হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলম সরকার, কুমিল্লা সোসাইটির সভাপতি জাকির হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার মাইনুদ্দীন, শাপল ওয়েলফেয়ারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইয়ার আহমেদ পাটোয়ারি, শাখাওয়াত হোসেন ফরহাদ, রিয়েলেটর মোহাম্মদ আলম, মর্টগেজ লোন অফিসার ক্রিস রুদ্র, কুমিল্লা জেলা সোসাইটির সাবেক সভাপতি মিয়া মোহাম্মদ দাউদ প্রমুখ।
বনভোজনের গ্র্যান্ড স্পন্সর ছিলেন আশা হোম কেয়ারের প্রেসিডেন্ট আকাশ রহমান, প্রধান পৃষ্ঠপোষক সিরাজুল হক জামাল, পৃষ্ঠপোষক হাজি মোহাম্মদ ইসমাইল মিয়া, তত্ত্বাবধায়ক কাজী আছাদ উল্যাহ, বনভোজনে কমিটির উপদেষ্টা মঞ্জুরুল আলম হারুণ, শামসুল উদ্দিন শামীম, মোহাম্মদ শাহরিয়ার চৌধুরী, লুৎফুর রহমান চুন্নু, প্রফেসর মোহাম্মদ বাছির, সাইফুল ইসলাম লিটন, জসিম উদ্দিন, আব্দুর রহিম ভূঁইয়া, মির্জা দোস্তগীর, শাহ মোয়াল্লেম, সেলিম আহমেদ, আবু তাহের, তুহীন সরকার, ওমর ফারুক, দাবির হোসেন শামীম, আবু বকর, মামুন সরকার, হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ আমিন। সহযোগিতায় ছিলেন—রাশেল ভূঁইয়া, সালাউদ্দিন জাহিদ, মাহবুবুল আলম, নূর মোহাম্মদ, আলমগীর হোসেন মোল্লা, মোহাম্মদ হেলাল, মামুন সরকার, মোহাম্মদ আজাদ, মোহাম্মদ ফারুক, তাসলিমা পাটোয়ারি, মোহাম্মদ ইসলাম, জাকির হোসেন, মাহবুবুর রহমান, জামিল খান, জামিল খান, মোহাম্মদ টিপু, মনিরুল ইসলাম, মাহবুব আলম, আ. আলী মিয়াজী, মোহাম্মদ আলম, মোহাম্মদ সালেহ উদ্দিন জাহিদ, তাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, মাসুম, কলিম উল্লাহ, মোহাম্মদ বারেক, আব্দুস সালাম, ফয়েজ আহমেদ, সাইফুল ইসলাম, মিজানুর রহমান প্রমুখ।
সভাপতি ইউনুস সরকার বনভোজনকে সফল করার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমরা বৃহত্তর কুমিল্লাবাসীর ঐক্য, সৌহার্দ্য-সম্প্রীতিকে ধরে রাখতে চাই। তিনি আরো বলেন, এ বনভোজনে যারা সহযোগিতা করেছেন আমরা তাদের কাছে কৃতজ্ঞ। সেই সঙ্গে তিনি বনভোজনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
সাধারণ সম্পাদক এবি সিদ্দিক পাটোয়ারি বনভোজনকে সাফল্য মন্ডিত করার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এই ধরনের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা নিজের মধ্যে ভ্রতৃত্বের বন্ধন সৃষ্টি করতে চাই। তিনি আগামী বছরের বনভোজনের আমন্ত্রণ জানিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগের আহ্বান জানান।
সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রবাসের জনপ্রিয় শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন। সারাদিন খেলাধুলা শেষে বিকেলে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সেই সঙ্গে নগদ একহজার ডলার, স্বর্ণের ব্রাসলেটসহ ১০টি আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়া হয়।
পড়ন্ত বিকেলে চা এবং ঝালমুড়ি খেয়ে সবাই তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে তুলতে গন্তব্যে রওনা হন—আগামীর বনভোজনে দেখা হবে এই প্রত্যাশায়।