১৩ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৬:২৫:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন ১৮ অক্টোবর মাইর শুরু হয়েছে কেবল, আসল মারই তো শুরুই হয়নি সাবওয়ে স্টেশন ঠান্ডা রাখতে নতুন পরিকল্পনা শিশুদের টিকা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ শতবর্ষী চেম্বারস স্ট্রিট সাবওয়ে স্টেশন সংস্কারে বড় প্রকল্প মুসলিম হওয়ায় মৃত্যুর হুমকি, অভিযোগ ফ্লোরিডার রিপাবলিকান কংগ্রেস প্রার্থীর হিজাব পরা নারীকে হামলার অভিযোগ : জোনাথন স্ট্রিপের বিরুদ্ধে হেট ক্রাইমের মামলা ইসলাম ও মুসলিম খ্রিস্টান সম্পর্কের অগ্রণী গবেষক এস্পোসিতোর মৃত্যু মসজিদে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ৪০ বছর কারাদণ্ডের মুখে ভিনসেন্ট তারেক রহমানের ভারত সফরে প্রাণান্ত চেষ্টা মোদী সরকারের


রিমান্ডের আসামির ঝুলন্ত লাশ নিয়ে এমএসএফের উদ্বেগ
বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৬-১১-২০২২
রিমান্ডের আসামির ঝুলন্ত লাশ নিয়ে এমএসএফের উদ্বেগ


রিমান্ডে থাকা আসামির মৃত্যুর বিষয়ে থানা কর্তৃপক্ষ যে বক্তব্য দিয়েছেন তা বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না বলে মনে করেন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) নেতৃবৃন্দ। নরসিংদীর রায়পুরা থানা হেফাজতে দুই দিনের রিমান্ডে থাকা সুজন মিয়া নামের এক আসামিকে থানার হাজতখানার ওয়াশরুমে মৃত অবস্থায় পাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে এমএসএফ এর পক্ষ থেকে এ বিবৃতিটি দেয়া হয়। 

ঘটনার বর্ণনায় বলা হয় যে সুজন মিয়া গত ৫ নভেম্বর স্ত্রী লাভলীকে ছুরিকাঘাতে খুন করে পালিয়ে যান। দুদিন পর ফরিদপুরের আটরশি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে গ্রেফতারের পর আদালত থেকে দুই দিনের রিমান্ডে আনে রায়পুরা থানা পুলিশ। বুধবার সকালে থানার হাজতখানার ওয়াশরুম থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের পক্ষ থেকে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি মাধ্যমে দাবি করা হয়, সুজন মিয়া গলায় শার্ট পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

এব্যাপারে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) মনে করে, রিমান্ডে থাকা আসামির মৃত্যুর বিষয়ে থানা কর্তৃপক্ষ যে বক্তব্য দিয়েছেন তা বিশ্বাসযোগ্য হতে পারে না। বলা হচ্ছে, সকালে থানার হাজতখানার ওয়াশরুম থেকে সুজন মিয়ার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সুজন মিয়া কখন ও কি অবস্থায় ওয়াশরুম গিয়েছিল তা অবশ্যই হাজতখানার সামনে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের অবশ্যই জানার কথা, তাছাড়া হাজখানাতে অন্যান্য আটক ব্যক্তি থাকেন। 

এ অবস্থায় কেউ ফাঁসি দেবেন আর কেউ টের পাবে না সেটা একেবারেই অসম্ভব। সুজন মিয়ার মৃত্যুর ঘটনা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে মরদেহের সুরতহাল করা হয়েছে ও মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে ঠিকই তবে যেহেতু ঘটনার তদন্ত পুলিশের দ্বারাই সম্পন্ন হবে তাই তদন্ত যেন সুষ্ঠু হয় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সচেতন থাকতে দাবি জানাচ্ছে এমএসএফ। 

এমএসএফ মনে করেন পুলিশী হেফাজতে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির মৃত্যু একটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ অমানবিক ঘটনা। সংবিধান অনুযায়ী হেফাজতে যে কোন ব্যক্তির সুরক্ষা দেওয়া রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব তাই দ্রুততার সাথে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এমএসএফ জোর দাবি জানাচ্ছে।

শেয়ার করুন