১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ০৮:৪৩:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাকিব প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- ‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত নগর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি এআইপ্যাক সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মিশিগানে চমক দেখালেন ড. আবদুল এল-সায়েদ ‘দেশের গ্রেট প্লেয়ার সিমপ্যাথি ছিল,আসলে সে খুনীর প্রমাণিত দোসর, ফ্যাসিস্ট’ মসজিদ নির্মাণে অনুমতি না দেওয়ায় ব্রোকেন অ্যারো সিটির বিরুদ্ধে মামলা ২৫ হাজার ডলার লুটের অভিযোগ, দুই বাংলাদেশি গ্রেফতার বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য ভিসা বন্ড স্থায়ী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে হাসপাতালে ১, গ্রেফতার ১ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান নিউইয়র্কে আইসের মুখোশ নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ


যুক্তরাষ্ট্রের আরো ১৮৬ ব্যাংক ঝুঁকিতে
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২২-০৩-২০২৩
যুক্তরাষ্ট্রের আরো ১৮৬ ব্যাংক ঝুঁকিতে


তিন দিনের ব্যবধানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দুটি ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিশ্বের আর্থিক খাতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সুইজারর‌্যান্ডের ক্রেডিট সুইস একীভূত হয়েছে আরেক বৃহৎ ব্যাংকের সঙ্গে। এবার জানা গেল, যুক্তরাষ্ট্রের আরো ১৮৬টি ব্যাংক থেকে অর্ধেক আমানতকারী যদি দ্রুত অর্থ তুলে নেন, তাহলে সেই ব্যাংকগুলোও বন্ধ করে দিতে হতে পারে। এন জেড হেরাল্ড পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এই সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকগুলোর আড়াই লাখ ডলার পর্যন্ত আমানত বীমা করা থাকলেও এই ব্যাংকগুলোতে বীমাবিহীন আমানতের পরিমাণ অনেক বেশি। সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ নেটওয়ার্কের প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনের সূত্রে এন জেড হেরাল্ড বলেছে, এই ১৮৬টি ব্যাংকের বীমাবিহীন আমানতকারীরা আতঙ্কিত হয়ে আমানত তুলে নিতে পারেন।

এছাড়া এসব ব্যাংকের সম্পদের বড় একটি অংশ সরকারি বন্ডের মতো অস্থিতিশীল ব্যাংকে রক্ষিত আছে। ফলে সুদহার হ্রাস-বৃদ্ধির কারণে এসব বন্ড হঠাৎ করে অলাভজনক হয়ে যেতে পারে যে কোনো সময়।

এসভিবি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ কিন্তু এমন নয় যে তাদের পুঁজি কম ছিল বা তাদের অনুল্লিখিত ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি ছিল। কিন্তু যেসব ব্যাংকের আমানতের সিংহভাগ বীমাবিহীন ছিল, সেগুলোর শীর্ষ এক শতাংশ ব্যাংকের মধ্যে তারা ছিল একটি।

এসভিবি ধসের মূল কারণ একটিই। সেটা হলো, ঝুঁকি অনুধাবনের অক্ষমতা। গত আট মাস এসভিবিতে রিস্ক অ্যাসেসমেন্ট অফিসার ছিলেন না। তাই ঝুঁকির সঠিক মূল্যায়ন হয়নি, যদিও  আপাতদৃষ্টিতে স্থিতিপত্র বা ব্যালেন্সশিট ভালো ছিল।

এ ছাড়া আমানত সঞ্চয়কারীদের জন্য সম্পদ হলেও ব্যাংকের জন্য তা দায়। সে রকম ১৭৫ বিলিয়ন বা ১৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার দায়ের বিপরীতে এসভি ব্যাংক প্রায় সমপরিমাণ মার্কিন সরকারি সিকিউরিটিজ বা বন্ড কিনেছিল, যা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ। তবে সেগুলোর অধিকাংশই কেনা হয়েছিল কোভিডের সময়, যখন বন্ডের ওপর সুদ ছিল প্রায় শূন্যের কাছাকাছি। কোভিডকালে প্রযুক্তি ফার্মগুলো তাদের বর্ধিত আয় চোখ বন্ধ করে এসভিবিতে রাখতে শুরু করে।

তখন শেয়ারবাজার অনিশ্চিত থাকায় এসভিবি প্রায় সব আমানত সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করে। তখন সেটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হলেও পরের সম্পূর্ণ পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগ পোর্টফোলিওতে যে পরিবর্তন আনতে হবে, সে কথা খুব একটা ভাবেননি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) গ্রেগ বেকার। বন্ডগুলোর বাজারদর ভালো না থাকায় তিনি হয়তো সেগুলোর মেয়াদপূর্তি  পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলেন। সেটিই তার কাল হলো। বাজারে গুজব ছড়িয়ে পড়ায় আমানতকারীরা একদিনে ৪ হাজার ২০০ কোটি ডলার আমানত তুলে নেন।

শেয়ার করুন