২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৪:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


ড. কাবেরী গায়েন বললেন
মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের টিভিগুলো পাকিস্তানের সমর্থন করেছিল
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৮-২০২৩
মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের টিভিগুলো পাকিস্তানের সমর্থন করেছিল বক্তব্য রাখছেন অধ্যাপিকা ড. কাবেরী গায়েন


১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের টেলিভিশনগুলো নীতিগতভাবে পশ্চিম পাকিস্তানকে সমর্থন করেছিল। তদানীন্তন পশ্চিম পাকিস্তানের বন্ধু আমেরিকার নিক্সন ও কিসিঞ্জার প্রশাসনের পলিসির সঙ্গে তাল মিলিয়ে মার্কিনি টেলিভিশনগুলোও একই ভূমিকা নিয়েছিল।

নিউইয়র্কে প্রোগ্রেসিভ ফোরাম আয়োজিত ‘মার্কিন টেলিভিশন সংবাদে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ অধ্যাপক ড. কাবেরী গায়েন এ কথা বলেন।

গত ২৯ জুলাই বিকালে জ্যাকসন হাইটসের জুইস সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি হাফিজুল হক। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা পরিষদ যুক্তরাষ্ট্র শাখার সভাপতি শামসাদ হুসাইন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মর্তুজা। 

কাবেরী গায়েন বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র টেলিভিশনগুলো ঢালাও ভাবে পশ্চিম পাকিস্তানকে সমর্থন করেছিল। টেলিভিশনগুলোও আমেরিকার প্রশাসনের  সঙ্গে সংগতি রেখে আদর্শিকভাবেই একই ভূমিকা গ্রহণ করেছিল। তিনি বলেন, ২৫ মার্চের কালরাত থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মিডিয়াগুলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ‘গৃহযুদ্ধ’ বলার চেষ্টা করেছিল। তার পর বলেছিল গেরিলাযুদ্ধ। ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত টেলিভিশনগুলোতে ভারত, পাকিস্তান, চীন ও আমেরিকার নাম শোনা গেলেও বাংলাদেশের নাম উল্লেখ করা হয়নি। তিনি আরো বলেন, তারা ভারতের শরণার্থী, ডায়ারিয়ার কথা বলেছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধকে ভারত-পাকিস্তানের যুদ্ধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করেছে। দীর্ঘ ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধে যখন লাখ লাখ মানুষকে পাকিস্তানি বাহিনী হত্যা করেছে, তখন আমেরিকার মিডিয়া সেটিকে গৃহযুদ্ধ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

আলোচনার পরে ছিল প্রশ্নত্তোর পর্ব। এতে উপস্থিত অনেকের প্রশ্নের উত্তর দেন কাবেরী গায়েন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শামসাদ হুসোইন, খোরশেদুল ইসলাম, মুহম্মদ ফজলুর রহমান, ওবায়দুল্লাহ মামুন, হুসনে আরা বেগম, জাকির হোসেন বাচ্চু, হিরো চৌধুরী, নতুন প্রজন্মের রানিয়া প্রমুখ।

শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন রেজা রহমান, মুক্তি সরকার ও দীলিপ মোদক।

নির্ধারিত আলোচনার আগে সংগঠনটির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রোগ্রেসিভ ফোরামের গঠনতন্ত্র বিভিন্ন প্রস্তাবনা ও উপদেষ্টা পরিষদের নাম ঘোষণা করেন সিনিয়র সহ-সভাপতি জাকির হোসেন বাচ্চু।

শেয়ার করুন