২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ০১:০১:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


২০২৩ সালে ৩৬ শতাংশ স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যান
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৪-০৪-২০২৪
২০২৩ সালে ৩৬ শতাংশ স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যান স্টুডেন্ট ভিসা


স্টুডেন্ট ভিসা এফ-১ ভিসা নামে পরিচিত। এই ভিসা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে উচ্চ-দক্ষ অভিবাসীদের জন্য প্রাথমিক জাম্পিং-অফ পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত। ছাত্ররা আমেরিকার অভিজাত বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অধ্যয়ন করে এবং তারা পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি খুঁজে পায়। এই ভিসার গুরুত্ব সত্ত্বেও স্টেট ডিপার্টমেন্ট ২০২৩ সালে ৩৬ শতাংশ স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যান করেছে। যা ২০২২-এর রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

স্টেট ডিপার্টমেন্ট আলাদাভাবে স্টুডেন্ট ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণ বর্ণনা করে না কিন্তু স্থায়ীভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে না থাকার ইচ্ছা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে বিভিন্ন কনস্যুলেট এসব আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। আবেদনকারীদের নিজ দেশের সঙ্গে পর্যাপ্ত সম্পর্ক দেখাতে হবে, যা তাদের স্টাডি শেষ হয়ে গেলে তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। একজন আবেদনকারীর স্টাডি শেষ হলে তিনি তার দেশে ফিরে যাবেন বিবেচনা করে ভিসা প্রদান করার নিয়ম থাকলেও অফিসাররা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েই আবেদন প্রত্যাখ্যান করেন। 

৩৬ ভাগ আবেদন প্রত্যাখ্যান করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অর্থনৈতিকভাবে খতিগ্রস্ত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যে একজন শিক্ষার্থী এফ-১ ভিসার জন্য আবেদন করার আগে তাদের অবশ্যই সরকার অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বা গৃহীত হতে হবে। এর মানে হলো ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৫৫ জন শিক্ষার্থীকে প্রত্যাখ্যান করেছে। যারা প্রতি বছর প্রায় ৩০ হাজার ডলার বা বছরে ৭.৬ বিলিয়ন ডলার টিউশন এবং জীবনযাত্রার খরচ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দিতে পারতো। চার বছরে এই সংখ্যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হারানো অর্থনৈতিক সুবিধার ৩০.৪ বিলিয়নে বেড়েছে।

শেয়ার করুন