২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ০২:৫৫:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রে সীমান্তে আশ্রয় আবেদন নিষেধাজ্ঞা অবৈধ ঘোষণা করলো আপিল আদালত আবারো গোপন আঁতাত ও ষড়যন্ত্রের গন্ধ সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম


শরণার্থী-আশ্রয়হীনদের জন্য গ্রিনকার্ড প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৪-২০২৫
শরণার্থী-আশ্রয়হীনদের জন্য গ্রিনকার্ড প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র


যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) জানিয়েছে, তারা কিছু শরণার্থী এবং আশ্রয়প্রাপ্ত ব্যক্তিদের জন্য গ্রিনকার্ড আবেদন পর্যালোচনা স্থগিত করেছে। মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস)-এর এই নির্দেশনা অনুমোদিত শরণার্থী এবং অভিবাসন আদালতে সুরক্ষার জন্য আবেদন করে আশ্রয়প্রাপ্তদের ওপর প্রভাব ফেলবে।

ডিএইচএস জানিয়েছে, ‘অতিরিক্ত স্ক্রিনিং’-এর জন্য যারা বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হতে চান, তাদের আবেদনের প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত করা হবে।

ডিএইচএস এক বিবৃতিতে বলেছে, প্রতারণা, জননিরাপত্তা বা জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত উদ্বেগ চিহ্নিত করতে ইউএসসিআইএস নির্দিষ্ট কিছু অ্যাডজাস্টমেন্ট অব স্ট্যাটাস (স্থায়ী বাসিন্দার মর্যাদা পরিবর্তন) আবেদন চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত স্ক্রিনিং ও যাচাই সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত সাময়িক বিরতি দিচ্ছে, যা ট্রাম্পের দুটি নির্বাহী আদেশের দিকে ইঙ্গিত করে।

এই নির্বাহী আদেশগুলোর মধ্যে একটিতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যতদূর সম্ভব যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক, প্রবেশ করতে চাওয়া বা ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত সব বিদেশি নাগরিককে সর্বোচ্চ মাত্রায় যাচাই ও স্ক্রিনিং করতে হবে। বিশেষ করে যেসব অঞ্চল বা দেশ নিরাপত্তা ঝুঁকির তালিকায় রয়েছে।

এই নির্দেশনার ফলে বিপুলসংখ্যক অভিবাসী প্রভাবিত হতে পারেন, যার মধ্যে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা ব্যক্তি থেকে শুরু করে সীমান্তে আশ্রয়ের আবেদন করা ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত।

শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের অবশ্যই প্রমাণ করতে হয় যে তারা জাতি, ধর্ম, বা রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। শরণার্থীরা কেবল কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পান, যখন তারা এখনো বিদেশে অবস্থান করেন।

শেয়ার করুন