১৭ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৪:৫০:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান সংসদে প্রথমেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আজ তারাবি নামাজ চলাকালীন মসজিদ লক্ষ্য করে গুলি নিউ ইয়র্কে সামগ্রিক অপরাধ কমলেও ব্রঙ্কসে বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়কে বহিষ্কার ও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব কেয়ারকে ফ্লোরিডা গভর্নরের সন্ত্রাসী ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের রায়


মেহনতি ও নিম্নআয়ের মানুষের উপর চাপবে
নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৭-০৬-২০২৪
মেহনতি ও নিম্নআয়ের মানুষের উপর চাপবে


প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় সিপিবি নেতৃবৃন্দ বলেছেন, সাধারণ মানুষের জন্য এখন সময়টা ভাল নয়। অধিকাংশ মানুষের প্রকৃত আয় কমে গেছে কিন্তু নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রসহ চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যয় বেড়েই চলেছে। সবার কাজের নিশ্চিয়তা নেই। এ অবস্থায় প্রস্তাবিত বাজেট সাধারণ জনগণকে স্বস্তি দেবে না। বাজেট বক্তিতায় মিষ্টি কথার ফুলঝুরি ছড়িয়ে নানা ভাবে কর ও মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণের পকেট কাটার পথ আরো প্রশস্ত করা হয়েছে। আজ জাতীয় সংসদে জাতীয় বাজেট ২০২৪-২০২৫ পেশ করার পর এর প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন। বিবৃতিতে সিপিবি নেতৃবৃন্দ বাজেট প্রসঙ্গে বলেন, এবারের ঘোষিত বাজেট ধনিক শ্রেণীর দূর্নীতি ও লুটপাটের দায় মেহনতি ও নিম্নআয়ের মানুষের উপর চাপাবে।


ফলে গরিব মেরে ধনী পোষার অতীতের ধারা এবারেও বাজেটে অব্যাহত থাকবে। সেই সঙ্গে এই সংকোচনমূলক বাজেট প্রবৃদ্ধি কমাবে কিন্তু বেকারত্ব বাড়াবে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ডলারের বিনিময় হার হঠাৎ বিদ্যুৎ গতিতে বৃদ্ধি করার কারণে সকল আমদানী দ্রব্যের দাম বিদ্যুতের বেগে বৃদ্ধি পাবে। সরকার একদিকে মূদ্রাস্ফীতিকে এই বাজেটে প্রধাণ চ্যালেঞ্জ হিসাবে ঘোষণা করেছে। কিন্তু অন্যদিকে আইএমএফ এর নির্দেশ পালন করে জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে তার দায় গ্রাহকের উপর চাপিয়েছে।  নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, মূদ্রাস্ফীতির ফলে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তরা দারিদ্রের দিকে ঝুঁকে পরছে এবং দরিদ্ররা চরম দরিদ্র হয়ে পরার আশঙ্কা বাড়ছে। সেই সঙ্গে


উৎপাদনশীল খাতে সাধারণ শ্রমিকদের প্রকৃত মজুরি কমছে। নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন- শ্রমিকরা দাবি করেছিল চাল-ডাল-তেল ও শিশু খাদ্যের রেশনিং এর ব্যবস্থা করা। কিন্তু বাজেটে তা করা হয়নি। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, যারা ঋণখেলাপী ও টাকা পাচারকারী তাদের কাছ থেকে সরকার তা আদায় না করে ব্যাংকের সুদের হার বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি করেছে। ফলে সে সমস্ত ব্যাংক ঋণগ্রহীতারা ব্যাংক ঋণ নিয়ে তার উৎপাদনশীল ব্যবহার করে ঋণ নিয়মিতভাবে পরিশোধ করেছে, তাদের এখন বর্ধিত সুদের বোঝা বাধ্য হয়ে বহন করতে হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ মন্তব্য করেন, অর্থনৈতিক সংকটের মুখে প্রণীত এ বাজেট আয়ের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে সাধারণ জনগণের উপর।  কিন্তু জনগণের জন্য বাজেটে কল্যাণমূলক ব্যয় আরো হ্রাস করেছে।




শেয়ার করুন