১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার, ০২:২৫:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি - প্রধানমন্ত্রী ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার না করার সূচনা নিজেই শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টেক্সাসে বিতর্কিত নতুন পাঠ্যক্রম অনুমোদনে মুসলিমদের ক্ষোভ ঘুষ নিয়ে নাগরিকত্ব, সাবেক ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা লুকম্যান ও ওলাবি গ্রেফতার জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে তারেক-ট্রাম্পের বৈঠকের সম্ভাবনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিলেন ড. খলিলুর রহমান সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও স্ত্রীর সম্পদের বিষয়ে এফবিআইয়ের প্রতিবেদন দুদকে তারেকের কূটনৈতিক চালে ধরাশায়ী হাসিনা মুসলিম বিদ্বেষে কিশোর আলী হত্যায় মায়ার্সকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড অক্টোবরে বাড়ছে স্ন্যাপ সুবিধা ও আয়সীমা


মহানবীর হিজরতের গল্প শোনালেন মামদানি
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১১-০২-২০২৬
মহানবীর হিজরতের গল্প শোনালেন মামদানি জোহরান মামদানি


অভিবাসন প্রশ্নে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও আশ্রয়ের পক্ষে অবস্থান তুলে ধরতে ইসলামি ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় উল্লেখ করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসননীতিকে ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর হিজরতের ঘটনা সামনে আনেন।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি এক আন্তঃধর্মীয় প্রাতরাশ সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে মামদানি বলেন, ইসলাম এমন একটি ধর্ম, যার ভিত্তিতেই রয়েছে অভিবাসনের গল্প। তার ভাষায়, তিনি ইসলামকে দেখেন ‘একটি অভিবাসন কাহিনির ওপর প্রতিষ্ঠিত ধর্ম’ হিসেবে।

মেয়র বলেন, হিজরতের ঘটনা স্মরণ করিয়ে দেয় যে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) নিজেও একসময় নিপীড়নের মুখে স্বদেশ ত্যাগ করে মক্কা থেকে মদিনায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। এই ইতিহাস মানবিকতা, সহানুভূতি এবং বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর শিক্ষা দেয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এ সময় অভিবাসীদের সুরক্ষা জোরদারে নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসনের নেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের কথাও জানান মামদানি। তিনি জানান, সিটি সম্পত্তিতে ফেডারেল অভিবাসন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রম সীমিত করতে একটি নির্বাহী আদেশে তিনি স্বাক্ষর করেছেন।

মেয়রের ভাষায়, এই আদেশ অভিবাসী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা এবং সামগ্রিক জননিরাপত্তা রক্ষায় সিটির প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত কেবল অভিবাসীদের নয়, বরং নিউইয়র্কের সব বাসিন্দাকে অবৈধ ও নিপীড়নমূলক অভিবাসন তৎপরতা থেকে সুরক্ষা দেবে।

নতুন নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, বিচারিক ওয়ারেন্ট ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) নিউইয়র্ক সিটির কোনো সম্পত্তিতে প্রবেশ করতে পারবে না।

মামদানি জানান, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো-অভিবাসন অবস্থান নির্বিশেষে সব বাসিন্দা যেন ভয়মুক্ত পরিবেশে শহরের সেবা গ্রহণ করতে পারেন। তিনি বলেন, নিউইয়র্কের কোনো বাসিন্দা যেন কেবল অভিবাসী পরিচয়ের কারণে শিশুর যত্নসহ প্রয়োজনীয় সামাজিক সেবার জন্য আবেদন করতে ভয় না পান।

শেয়ার করুন