৬ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ১১:২৫:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন ১৮ অক্টোবর মাইর শুরু হয়েছে কেবল, আসল মারই তো শুরুই হয়নি সাবওয়ে স্টেশন ঠান্ডা রাখতে নতুন পরিকল্পনা শিশুদের টিকা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ শতবর্ষী চেম্বারস স্ট্রিট সাবওয়ে স্টেশন সংস্কারে বড় প্রকল্প মুসলিম হওয়ায় মৃত্যুর হুমকি, অভিযোগ ফ্লোরিডার রিপাবলিকান কংগ্রেস প্রার্থীর হিজাব পরা নারীকে হামলার অভিযোগ : জোনাথন স্ট্রিপের বিরুদ্ধে হেট ক্রাইমের মামলা ইসলাম ও মুসলিম খ্রিস্টান সম্পর্কের অগ্রণী গবেষক এস্পোসিতোর মৃত্যু মসজিদে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ৪০ বছর কারাদণ্ডের মুখে ভিনসেন্ট তারেক রহমানের ভারত সফরে প্রাণান্ত চেষ্টা মোদী সরকারের


মিশিগানের হ্যামট্রাম্যাকে আম-কাঁঠালি উৎসব
মিশিগান প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১২-০৮-২০২৬
মিশিগানের হ্যামট্রাম্যাকে আম-কাঁঠালি উৎসব আম-কাঁঠালি উৎসবে অংশগ্রহণকারীরা


যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের হ্যামট্রাম্যাক সিটি হল পার্কে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয় বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘আম-কাঁঠালি উৎসব’। গত ৯ আগস্ট হ্যামট্রাম্যাক সিটি হল সংলগ্ন পার্কে এ উৎসবের আয়োজন করে মিশিগান থেকে প্রকাশিত পত্রিকা-ইউএস বাংলা ডায়েরি। 

পত্রিকাটির সম্পাদক সঞ্জয় দেবের সঞ্চালনায় ও প্রধান সম্পাদক হারান কান্তি সেনের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন-সিটি কাউন্সিলার আবু মুসা, বাংলা প্রেস ক্লাব অব মিশিগানের সভাপতি পার্থ দেব, সেক্রেটারি জুয়েল খান, কবি ইশতিয়াক রুপু, সাবেক সচিব মো. আব্দুর রউফ, সাংবাদিক ইকবাল ফেরদৌস, সুপ্রভাত মিশিগান সম্পাদক চিন্ময় আচার্য, মিশিগান দুর্গা টেম্পল সভাপতি পংকজ দাশ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব গোলাম মোস্তফা খান, প্রবীণ শিক্ষক অমরেশ চন্দ্র দেব গোপাল প্রমুখ!

অনুষ্ঠানে স্বরচিত ‘আম-কাঁঠালির পুঁথি’ পাঠ করেন হারান কান্তি সেন এবং সংগীত পরিবেশন করে শর্মিলা দেব শর্মী ও কল্যাণী দেব চৌধুরী।

বক্তারা প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাঙালির গ্রীষ্মকালীন ফল উৎসব ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে পরিচিত করে তুলতে ব্যতিক্রমী আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তারা আরো বলেন, আম-কাঁঠাল শুধু ফল নয়, এটি বাঙালির আবেগ, শৈশবের স্মৃতি ও পারিবারিক সংস্কৃতির অংশ। ঝড়ের দিনে আম কুড়ানো সুখ, তপ্ত দুপুরে মুড়ি দিয়ে পাকা কাঁঠাল খাওয়ার স্মৃতি আজও অনেকের হৃদয়ে গেঁথে আছে। প্রবাসের ব্যস্ত জীবনে সেই স্মৃতিকে কিছুটা হলেও ফিরিয়ে আনতে এবং নতুন প্রজন্মের কাছে এ বারতা পৌঁছানোই যেন এ উৎসবের একটি অভিন্ন উদ্দেশ্য।

উৎসবকে আরো বর্ণিল করে তুলতে মহিলারা হলুদ শাড়ি ও পুরুষদের হলুদ পাঞ্জাবি পরে আসেন। মিশিগানের বিভিন্ন সিটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি ও বাঙালিদের পরিবার-পরিজন নিয়ে উৎসবে যোগ দেন।

সবশেষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে আম, কাঁঠাল, আনারস, কাঁচা খেজুর ও তরমুজ দিয়ে উপস্থিত প্রায় দুই শতাধিক দর্শককে আপ্যায়িত করা হয়। সবাই শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে লাইন ধরে ফলের প্লেট গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের আয়োজকদের পক্ষ থেকে অনুমোদন দিয়ে সহযোগিতার জন্য হ্যামট্রাম্যাক সিটি কাউন্সিলকে ধন্যবাদ দেয়া হয়। এখন থেকে প্রতি জুলাই মাসে এ আয়োজন করা হবে বলে উদ্যোক্তারা আরো জানান।

শেয়ার করুন