০৭ জুন ২০২৬, রবিবার, ১১:৫৪:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


'৭১ এর বীরদের রুখে দাঁড়ানোর ইস্পাত দৃঢ় সংকল্প
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৮-০৯-২০২২
'৭১ এর বীরদের রুখে দাঁড়ানোর ইস্পাত দৃঢ় সংকল্প


দেশ জাতির ক্রান্তিলগ্নে কাল ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবে দুর্ধষ ক্রাক প্লাটুনের বীর যোদ্ধা উলফাত আজিজ খানের আহবানে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর যোদ্ধারা সমবেত হয়েছিলেন। রণাঙনে আর ক্রীড়াঙ্গনের বিজয়ী বীর মেজর হাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মুক্তিযোদ্ধা সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধারা দেশের ক্রমবর্ধমান সার্বিক সংকট সময়ে জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের মৌলিক আদর্শের বিষয়ে সচেতন হয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর আহবান জানান।


সমস্যরে দীপ্ত কণ্ঠে উচ্চারিত হয় ভ্রান্ত পরিকল্পনা, নিরঙ্কুশ আমলাতন্ত্রের নিষ্পেষণে নিষ্পেষিত , অবাধ দুর্নীতির অভয় অরণ্য বিবর্ণ এই বাংলাদেশ আমাদের নয়। এই বাংলাদেশের জন্য আমরা জীবনের সবকিছু উৎসর্গ করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে যুদ্ধ করিনি। আমাদের রণাঙ্গনের বীর স্থির এই বাংলাদেশের জন্য জীবন বিসর্জন দেন নি।  আমাদের বোনেরা সম্ভ্রম বিলিয়ে দেয়ার বিনিময়ে এই বাংলাদেশ কামনা করেনি।


মুক্তিযোদ্ধাদের কন্ঠ ভেসে ওঠে একাত্তুরের অগ্নি শপথ। শেকল ভাঙার গান। সবার কণ্ঠে আহবান ছিল বেঁচে থাকা। প্রকৃত দেশপ্রেমিক মুক্তি যোদ্ধাদের দলমত নির্বিশেষে একতাবদ্ধ হবার। মুক্তিযোদ্ধারা অনেক ভুল করেছে। ক্ষুদ্র স্বার্থের সন্ধানে  নানা দলে বিভক্ত হয়ে একে ওপরের অনেক ক্ষতি করেছে। বীর যোদ্ধাদের উচিত হয়নি কোনো রাজনৈতিক দলের লেজুড়বৃত্তি করার। আজ সময় এসেছে সমালোচনার। হায়েনা আর শকুনদের করাল গ্রাস থেকে দেশ রক্ষা করার। 


১৯৭১ সংগ্রাম ছিল দুঃশাসন, নিপীড়ন মুক্ত সবার সমান অধিকার সংরক্ষিত সোনার বাংলা গড়ার। আজ পাকিস্তান আমলের ২২ পরিবারের স্থানে- ২২০০০ পরিবার বাংলাদেশের সম্পদ লুন্ঠন করে দেশ বিদেশে সম্পদের পাহাড় গড়ে তুলেছে। লক্ষ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। রাজনীতি, ব্যাবসা বাণিজ্য আজ দুর্নীতিবাজদের কবলে। শিক্ষা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে, স্বাস্থ্য, বিদ্যুত জ্বালানি, যোগাযোগ, সড়ক পরিবহন, রেল যোগাযোগ, কৃষি সকল ক্ষেত্রেই দুর্নীতির মহোৎসব চলছে। 


অর্থনীতি স্থবির, গভীর জ্বালানি সংকটে নিপতিত দেশ। জাতির এই অনিশ্চিত মুহূর্তে দেশের সূর্য সৈানিকেরা হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না। তাই মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে দেশের সকল প্রান্ত থেকে আগত সবার কন্ঠ উচ্চারিত হয়েছে, রুখে দাঁড়ানোর ইস্পাত দৃঢ় সংকল্প।  


মুক্তিযোদ্ধারা জাতির বিবেক। দেশ জাতির ক্রান্তি লগ্নে মুক্তিযোদ্ধাদের সমবেত শক্তি হতে পারে জাতির মুক্তি সনদ, লুটেরাদের সামাজিক ভাবে বর্জনের দীপ্ত শপথে শেষ হয় বীরদের সম্মেলন।


শেয়ার করুন