১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার, ০৭:৫৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি - প্রধানমন্ত্রী ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার না করার সূচনা নিজেই শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টেক্সাসে বিতর্কিত নতুন পাঠ্যক্রম অনুমোদনে মুসলিমদের ক্ষোভ ঘুষ নিয়ে নাগরিকত্ব, সাবেক ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা লুকম্যান ও ওলাবি গ্রেফতার জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে তারেক-ট্রাম্পের বৈঠকের সম্ভাবনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিলেন ড. খলিলুর রহমান সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও স্ত্রীর সম্পদের বিষয়ে এফবিআইয়ের প্রতিবেদন দুদকে তারেকের কূটনৈতিক চালে ধরাশায়ী হাসিনা মুসলিম বিদ্বেষে কিশোর আলী হত্যায় মায়ার্সকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড অক্টোবরে বাড়ছে স্ন্যাপ সুবিধা ও আয়সীমা


শিক্ষক লাঞ্ছিত ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতাকে দল থেকে অব্যহতি
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০১-০৭-২০২২
শিক্ষক লাঞ্ছিত ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতাকে দল থেকে অব্যহতি আওয়ামী লীগ নেতা বিছালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আকতার হোসেন টিংকু/ছবি সংগৃহীত


একের পর এক শিক্ষক লাঞ্ছিত ঘটনায় দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সন্মানিত শিক্ষকগন বিব্রত। তোলপাড় করা ঘটনার মধ্যে রয়েছে নড়াইলের একটিও। সেখানে নড়াইল সদরের মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে লাঞ্ছিত করার দায়ে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে দল থেকে অব্যহতি দেয়া হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ওই আওয়ামী লীগ নেতা বিছালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। নাম আকতার হোসেন টিংকু। 

টিংকু ওই কলেজেরই রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। ঘটনার পর দিন ১৯ জুন লাঞ্ছিত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে সরিয়ে তাকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে এ ঘটনায় আকতার হোসেনকে তিন দিনের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ওই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মশিয়ার রহমানকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে নড়াইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অচিন কুমার চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুকের স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়। পরে অচিন কুমার বলেন, অধ্যক্ষকে হেনস্তা করার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনার পাশাপাশি বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় ও মিডিয়ার খবরে আকতার হোসেনকে জড়িত থাকার বিষয়ে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে। যে কারণে তিনি এর দায় এড়াতে পারেন না বলে আমরা মনে করি। এ জন্য আমরা দলীয় পদ থেকে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দিয়ে তিন দিনের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলেছি। 

উল্লেখ্য, মির্জাপুর ইউনাইটেড কলেজের এক ছাত্রের মোবাইলে স্ট্যাটাস নিয়ে সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে জুতার মালা পরিয়ে বের করে আনা হয়। এ ভিডিও ফুটেজে তোলপাড় হয়। যা শিক্ষক সমাজের জন্য নিন্দনীয় ও শিক্ষক সমাজকে চরমভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার শামিল। 



শেয়ার করুন