০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ১১:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ২ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি মাহমুদ খলিলের
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৬-০৭-২০২৫
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ২ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি মাহমুদ খলিলের মাহমুদ খালিল


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ২ কোটি ডলারের ক্ষতিপূরণ দাবিতে আদালতে মামলা করেছেন ফিলিস্তিনপন্থী অধিকারকর্মী মাহমুদ খলিল। তাকে বেআইনিভাবে আটক করে রাখার অভিযোগে তিনি এই আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি করেন। ১০০ দিনের বেশি সময় আটক থাকার পর সম্প্রতি লুইজিয়ানার অভিবাসন কারাগার থেকে মুক্তি পান খালিল। 

আলজাজিরার খবরে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরায়েলি হামলার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন মাহমুদ খলিল। গত ৮ মার্চ নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে বিশ্ববিদ্যালয় ভবনের লবি থেকে তাকে আটক করেন অভিবাসন কর্মকর্তারা। গত ১০ জুলাই আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে খলিল অভিযোগ করেছেন, ট্রাম্প প্রশাসন তার সুনাম ক্ষুণ্ন করেছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হয়রানি করেছে এবং বেআইনিভাবে তিন মাসের বেশি সময় ধরে তাকে আটক রেখেছে। 

ওই আবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ, ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরকে বিবাদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। খলিল জানান, তার লক্ষ্য, ট্রাম্প প্রশাসনকে একটি বার্তা পাঠানো যে, তাকে চুপ করিয়ে দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, ‘তারা তাদের ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। কারণ তারা মনে করে, তাদের কেউ আটকাতে পারবে না।’ তিনি জানান, যদি তিনি কোনো ক্ষতিপূরণের অর্থ পান, তবে সেই অর্থ ট্রাম্প প্রশাসনের ফিলিস্তিনপন্থীদের দমনে ‘ব্যর্থ’ প্রচেষ্টার ভুক্তভোগী অন্যদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেবেন। তিনি একটি আনুষ্ঠানিক ক্ষমা এবং প্রশাসনের নির্বাসন নীতিতে পরিবর্তনেরও দাবি করেছেন। 

ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির একজন মুখপাত্র খালিলের দাবিকে ‘অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, খলিলের ‘ঘৃণামূলক আচরণ ও বক্তব্য’ ইহুদি শিক্ষার্থীদের জন্য হুমকি ছিল। তাকে আটক করে রাখা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের অভিযোগ আনা হয়নি। ১০৪ দিন আটক থাকার পর গত ২০ জুন একজন ফেডারেল বিচারক খলিলকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেন। বিচারক বলেন, খলিলকে পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার সরকারি প্রচেষ্টা অসাংবিধানিক। 

শেয়ার করুন