২৫ মে ২০১২, শনিবার, ০৯:০৩:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী অপরাধী যত প্রভাবশালীই হোক শাস্তি তাকে পেতেই হবে- ওবায়দুল কাদের মানুষের ক্ষতি যারা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদের সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ মেয়াদোত্তীর্ণ নৌযান ও নদী দখল-দূষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ুন - পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীদের শান্তিরক্ষা মিশন থেকে বাদ দেয়া হবে- ডোজারিক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে গণতান্ত্রিক বাম ঐক্যের সমাবেশ হেলিকপ্টার দূর্ঘটনায় ইরানের প্রেসিডেন্ট সহ অন্যান্যদের মৃত্যুতে বিএনপির শোক ভারতে ঘুরতে যেয়ে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য খুন তামাকমুক্ত লক্ষ্য অর্জনে শক্তিশালী তামাককরের বিকল্প নেই


দেশকে কাজী জাফরউল্লাহ
রাজনীতিতে তো শেষ কথা বলে কিছু নেই
সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ
  • আপডেট করা হয়েছে : ৩০-০৮-২০২৩
রাজনীতিতে তো শেষ কথা বলে কিছু নেই কাজী জাফরউল্লাহ


আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ বলেছেন, এখনো তো জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনেক দূরে আছে। কোন সময় কী সিদ্ধান্ত হয় সব সময় গ্যারান্টি বলে কোনো জিনিস নেই। রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফরউল্লাহ এসব কথা বলেছেন, আমেরিকা থেকে প্রকাশিত পাঠকপ্রিয় দেশ পত্রিকার সঙ্গে। চলমান রাজনৈতিক বিষয়ে তার মতামতটি নিয়েছেন দেশ পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি সৈয়দ মাহবুব মোর্শেদ  

দেশ: বর্তমান ক্ষমতাসীন আওয়ামী সরকার বারবার দেশে বিদেশ বলে আসছে যে, তারা বাংলাদেশে একটি অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায়। এ ব্যাপারে বিএনপি ও তার নেতৃত্বে আন্দোলনরত বিরোধীদল কিছুতে আশ্বস্ত হতে পারছে না। এ বিষয়টি কীভাবে দেখেন। 

কাজী জাফরউল্লাহ : এ ব্যাপারে আসলে কমেন্টের কি আছে। আমাদের  প্রধানমন্ত্রী অফিসিয়ালি বিরোধীদলকে আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আসেন নির্বাচন করুন। উনি চাচ্ছেন নির্বাচনটা ফ্রি ফেয়ার (অবাধ নিরপেক্ষ) এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন। এর পাশাপাশি তিনি চাচ্ছেন সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। তার অর্থ অল ইনক্লুসিভ (অংশগ্রহণমূলক)। এখানে তো অবিশ্বাসের কিছুই দেখি না। 

দেশ: আপনারা বলছেন সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের সব ধরনের ব্যবস্থা করছেন এবং বিরোধী দলকে আহ্বান জানাচ্ছেন। কিন্তু তারা নির্বাচনে আসছে না। বলা যায়, বিশ্বাস রাখছে না আপনাদের কথায়। দিয়ে যাচ্ছে একের পর কর্মসূচি। এতে করে কি দেশে একটা সংঘাতময় পরিস্থিতির তৈরি হচ্ছে না? 

কাজী জাফরউল্লাহ: না তো..(কিছুটা বিস্ময়ে)..কোনো মুখোমুখি অবস্থান তো লক্ষ করছি না। দেশের মানুষও একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চায়। তারা চায় তাদের ভোটের অধিকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যেভাবে বলেছেন, আমার ভোট আমি দেবো..যাকে খুশি তাকে দেবো এবং এ ধরনের নির্বাচন যেন হয় সেজন্য নতুন করে নির্বাচন কমিশনকে ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং আমরা এ পর্যন্ত এ সরকারের অধীনে যতো নির্বাচনের ব্যবস্থা করা করেছি, বিশেষ করে সিটি করপোরেশনের দিকে দেখুন। এসব নির্বাচনে যেখানে আওয়ামী লীগ হেরেছে তো হেরেছে। সে-ই ফলাফল তো মেনে নিয়েছে। সেখান জিতেছে তো জিতেছে..। এই স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনের পর থেকে আমরা তো কোথাও জোরজবরদস্তি করে নির্বাচনের ফলাফল আমাদের পক্ষে নিয়েছি তার কিন্তু উদাহরণ নেই। 

দেশ: তো এই ধরনের অবস্থায় বা চলমান সংকট নিরসনে সংলাপের কোনো লক্ষণ আছে কি না? বা ব্যক্তিগতভাবে আপনি কি মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নির্বাচন প্রশ্নে সংলাপ হতে পারে কি না বা উচিত বলে মনে করেন কি না?

কাজী জাফরউল্লাহ: আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তো বলেছেন যে, এ মুহূর্তে তিনি কোনো সংলাপের সুযোগ দেখছেন না। কিন্তু এখনো তো নির্বাচন অনেক দূরে আছে। কোন সময় কি সিদ্ধান্ত হয়..সব সময় গ্যারান্টি বলে কোনো জিনিস নেই। রাজনীতিতে তো শেষ কথা বলে কিছু নেই। 

দেশ: আচ্ছা, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ করা হচ্ছে তারা মাঠে আন্দোলনরত বিএনপির নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলের যে কোনো কর্মসূচির বিপরীতে পাল্টা কর্মসূচি দিচ্ছে। এমন অভিযোগ কীভাবে দেখেন? 

কাজী জাফরউল্লাহ: না না (হাসি দিয়ে), এগুলো তাদের কল্পনা। কারণ তাদের কর্মসূচি তো আমরা পাঁচ বছর ধরে দেখে আসছি। তাদের সব কর্মসূচি তো তাদের কার্যালয়ের সামনেই ছিল। এখন নির্বাচন কাছে চলে আসছে, তাদের তাই একটু তৎপরতা বেড়েছে। আওয়ামী লীগ তো সব সময় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। তাদের সঙ্গে তো আমাদের রেষারেষির প্রশ্নই আসে না।

শেয়ার করুন