০১ জুলাই ২০২৬, বুধবার, ০৯:১৫:০০ অপরাহ্ন


মুনা সোশ্যাল সার্ভিসের কমিউনিটি ফেস্টে দেলোয়ার
শান্তির জন্য সবাইকে ইসলামের ছায়াতলে আসতে হবে
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০১-০৭-২০২৬
শান্তির জন্য সবাইকে ইসলামের ছায়াতলে আসতে হবে অনুষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীরা


মুনা ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমাম দেলোয়ার হোসাইন বলেন, গোটা বিশ্বে আজ যুদ্ধের দামামা বাজছে। দেশে দেশে অশান্তি বিরাজ করছে। কল্যাণের জন্য আমাদের ইসলামের ছায়া তলে আসতে হবে। আর শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্যই মুনা কাজ করে যাচ্ছে।

গত ২৭ জুন নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে বাইতুল মা’মুর মসজিদ অ্যান্ড কমিউনিটি সেন্টারের সামনে মুসলিম উম্মাহ অফ নর্থ আমেরিকা (মুনা) সোশাল সার্ভিসের উদ্যোগে দিনব্যাপী কমিউনিটি ফেস্ট অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুনা সোসাল সার্ভিস ডিরেক্টর শাফায়াত হোসেন সাফার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন-মুনা ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরমান চৌধুরী, অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর আব্দুল্লাহ আল আরিফ, মমিন মজুমদার। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন-নিউইয়র্কের ৭ম ডিস্ট্রিক্ট কংগ্রেসনাল প্রার্থী ক্লেয়ার বেলডেজ, কাউন্সিল মেম্বার স্যানডি নার্স, ডেমোক্রেটিক অ্যাসেম্বলি প্রার্থী ডেভিড অর্কিন, নিউইয়র্ক পুলিশের ডেপুটি কমিশনার এলডেন ফোস্টার, ডেপুটি ইন্সপেক্টর ডিয়ন হিন্স, মেয়র অফিসের কর্মকর্তা, মুসলিম লিয়াশন প্রমুখ।

ইমাম দেলোয়ার বলেন, প্রতিটি পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে গোটা বিশ্বে আজ যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। কোথাও আজ শান্তি নেই। কোনো কারণ ছাড়াই আজ মুসলমানদের ওপর হামলা করা হচ্ছে। সারা বিশ্বে আজ যুদ্ধের দামামা বাজছে। এ অবস্থা চলতে পারে না। মানুষ আজ শান্তি চায়। এজন্য সবাইকে ইসলামের ছায়াতলে আসতে হবে। এজন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, ইসলামের অনুশাসন না থাকার কারণে আমাদের পরিবারগুলো ভেঙে যাচ্ছে। পারিবারিক জীবনে শান্তির জন্যই কাজ করছি। এজন্য সবাইকে কাজ করতে হবে। মুনা একটি পরিবার উল্লেখ তিনি করে বলেন, আমাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।

সমাজ সেবার মাধ্যমে কাজ করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরো বলেন, আমরা উন্নত জীবনের জন্য আমেরিকায় এসেছি। কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না আমাদের রবের দরকারে ফিরে যেতে হবে। আমাদের সব কর্মের জন্য জবাবদিহি করতে হবে। আমরা যদি দুনিয়ার মোহতে আটকে যাই, তাহলে দুনিয়া আখেরাত দুটিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তিনি আরো বলেন, আমাদের যুবসমাজকে বাঁচাতে হবে। তাদের ইসলামের ছায়াতলে আনতে হবে। তা না হলে আমাদের পরিবারগুলো ভেঙে যাবে। আর এজন্য মুনা কাজ করছে। মুনা একটি পরিবার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ গোটা পরিবারকে বাঁচাতেই কাজ করছি। এজন্যই সবার সহযোগিতা লাগবে।

উল্লেখ্য, নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে গ্লেনমোর অ্যাভিনিউ, বিটুইন পাইন এবং ক্রিসেন্ট স্ট্রিটে বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ প্রোগ্রাম শুরু হয়। সকাল থেকে ছেলেমেয়েদের রাইডের ব্যবস্থা করা হয়। তরমুজ, লিচুসহ নানা ফলের ব্যবস্থা করা হয় আগত অতিথিদের জন্য। সঙ্গে ইসলামি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। নানা রকমের বইয়ের স্টল বসানো হয়। এসব বই মানুষ বিনামূল্যে সংগ্রহ করে। শরবত এবং জুসের আয়োজনও ছিল। দুপুর ২টা থেকে চলে খাবার। অনুষ্ঠানে আড়াই থেকে তিন হাজার লোকের খাবার আয়োজন করা হয়। এতো লোকের আয়োজন করা হলেও পরিবেশনা ছিল খুবই সুন্দর।

শেয়ার করুন