১৩ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০১:১৬:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন ১৮ অক্টোবর মাইর শুরু হয়েছে কেবল, আসল মারই তো শুরুই হয়নি সাবওয়ে স্টেশন ঠান্ডা রাখতে নতুন পরিকল্পনা শিশুদের টিকা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ শতবর্ষী চেম্বারস স্ট্রিট সাবওয়ে স্টেশন সংস্কারে বড় প্রকল্প মুসলিম হওয়ায় মৃত্যুর হুমকি, অভিযোগ ফ্লোরিডার রিপাবলিকান কংগ্রেস প্রার্থীর হিজাব পরা নারীকে হামলার অভিযোগ : জোনাথন স্ট্রিপের বিরুদ্ধে হেট ক্রাইমের মামলা ইসলাম ও মুসলিম খ্রিস্টান সম্পর্কের অগ্রণী গবেষক এস্পোসিতোর মৃত্যু মসজিদে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ৪০ বছর কারাদণ্ডের মুখে ভিনসেন্ট তারেক রহমানের ভারত সফরে প্রাণান্ত চেষ্টা মোদী সরকারের


যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অনুষ্ঠানে নেতারা
প্রধানমন্ত্রীর অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে কাজ করবো
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১২-০৮-২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে কাজ করবো অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক আসছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এয়ারপোর্টে স্বাগত জানাবো এবং তিনি যতদিন আমেরিকায় থাকবেন, আমরা ততদিন অতন্ত্র প্রহরীর মতো তার ভ্যানগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করবো। তাকে জেএফকে এয়ারপোর্টে স্বাগত জানাবো, যেদিন জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন, সেদিন জাতিসংঘের সামনে আনন্দ সমাবেশ করবো এবং তাকে এয়ারপোর্টে বিদায় জানাবো। গত ৯ আগস্ট সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাদেও আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় তারা এসব কথা বলেন।

জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে আয়োজিত বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য গিয়াস আহমেদের সভাপতিত্বে এবং যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক এমএ বাতিনের সাবলীল উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল পাশা বাবুল, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, মূলধারার রাজনীতিবিদ, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন বাদল, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সভাপতি মাওলানা অলিউল্যাহ আতিকুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি নিয়াজ আহমেদ জুয়েল, শামসুল ইসলাম মজনু, যুক্তরাষ্ট্র মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি আলহাজ বাবার উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক গোলাম হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুরুজ্জামান, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন কুনু, সন্দ্বীপ সোসাইটির সভাপতি ফিরোজ আহমেদ, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সাবেক সভাপতি মাহফুজুল মাওলা নান্নু, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মজুমদার, ফারুক চৌধুরী, এম বাসেত রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক, সৈয়দ এম রেজা, সাবেক মহিলা সম্পাদিকা সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর সরওয়ার্দী।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন-মোহাম্মদ সোলায়মান, আক্তারুজ্জামান হ্যাপি, মঈনুদ্দীন নটু, বাদল মির্জা, মারফত উল্যাহ, অ্যাডভোকেট রেজওয়ানা রাজ্জাক, স্টেট বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান কাউছার, নিউইয়র্ক স্টেট বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বদরুল হক আজাদ, রাজ্জাক চৌধুরী, মোহাম্মদ মহসীন, সালেহ আহমেদ মানিক, মাজহারুল ইসলাম জনি, সেলিম হোসেন, জাহিদ হাসান সুমন প্রমুখ।

গিয়াস অহমেদ বলেন, আকতার হোসেন বাদল, নিয়াজ আহমেদ জুয়েলসহ অন্যদের নিয়ে আমরা প্রথম ছাত্রদলের কমিটি গঠন করি, তারপর যুবদল এবং পরবর্তী সময়ে বিএনপি করি। আমরা পদে থাকলেও কাজ করি, না থাকলেও কাজ করি। কারণ আমাদের রক্তের সঙ্গে বিএনপি মিশে গিয়েছে। আমরা দেশপ্রেমিক, আমরা জিয়া পরিবারের ভক্ত। তিনি আরো বলেন, জুলাই বিপ্লব কারো একক কৃতিত্বের বিষয় নয়, এটা সবার। তবে একটা কথা সবার স্মরণ রাখা প্রয়োজন লন্ডনে বসে থেকেও তারেক রহমান পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ রেখেছিলেন। যে কারণে ফ্যাসিস্ট হাসিনা ভোট ডাকাতি এবং ডামি নির্বাচন করতে বাধ্য হয়েছে। তিনি আরো বলেন, তারেক রহমান প্রথম শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। তিনি বলেন, ৭১ নিয়ে আওয়ামী লীগ রাজনীতি করেছে, এখন ২৪ নিয়ে অন্যরা রাজনীতি করার চেষ্টা করছে। তাদের এ চেষ্টা সফল হতে দেবো না। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

আকতার হোসেন বাদল বলেন, আমরা একসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির রাজনীতি শুরু করেছিলাম। ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপি করে আজকে এ অবস্থানে এসেছি। আমি মনে করি, আমরা সবাই বিএনপি পরিবার। আমরা কেন দলের মধ্যে গ্রুপিং করবো, প্রতিহিংসার রাজনীতি করবো। আমাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা থাকবে, কিন্তু কোনো প্রতিহিংসা নয়। নেতা আমাদের যে পদে দেবেন সেখানে থেকে কাজ করবো, পদ না দিলেও কাজ করবো। তিনি বলেন, আমাদের নেতা, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিউইয়র্ক আসছেন, আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে তার অনুষ্ঠান সফল করা। আমরা প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আপনাদের সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চাই। দ্বিতীয়ত জুলাই আন্দোলনের স্বীকৃতি নিয়ে আপনারা যে দাবি উপস্থাপন করেছেন তা প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করবো এবং মুক্তিযোদ্ধাদের দাবিও তার সামনে উপস্থাপন করবো। তিনি বলেন, এগুলো করতে হলে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অনেকেই আমাদের এ ঐক্য বিনষ্টের চেষ্টা করবে, সেই দিকে আমাদের সজাগ থাকতে হবে।

অলিউল্যাহ আতিকুর রহমান বলেন, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ করতে নিউইয়র্ক আসছেন। আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এয়ারপোর্টে স্বাগত জানাবো এবং তিনি যতদিন আমেরিকায় থাকবেন, আমরা ততদিন অতন্ত্র প্রহরীর মতো তার ভ্যানগার্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করবো। তাকে জেএফকে এয়ারপোর্টে স্বাগত জানাবো, যেদিন জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন সেদিন জাতিসংঘের সামনে আনন্ত সমাবেশ করবো এবং তাকে এয়ারপোর্টে বিদায় জানাবো।

ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক বলেন, গিয়াস আহমেদ এবং মোস্তফা কামাল পাশার নেতৃত্বে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং রাষ্ট্রনায়ক তারেক রহমানকে নতুন বাংলাদেশ গড়তে সহযোগিতা করতে হবে।

এমএ বাতিন অনুষ্ঠান সফল করার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন