অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছেন তাহমিদ চৌধুরী
সংগঠন, কমিউনিটি এনগেজমেন্ট, তরুণ নেতৃত্ব ও জনসেবায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে মিশিগান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সম্মানজনক ‘বেস্ট অব দ্য ওয়েস্ট ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ পেয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান তরুণ সংগঠক তাহমিদ চৌধুরী।
২১ সেপ্টেম্বর সোমবার ওয়ারেনে অনুষ্ঠিত দলের বার্ষিক ‘বেস্ট অব দ্য ওয়েস্ট’ অনুষ্ঠানের মঞ্চে তাহমিদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন মিশিগানের লেফটেন্যান্ট গভর্নর এবং সেক্রেটারি অব স্টেট পদে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী গারলিন গিলক্রিস্ট এবং ওয়াশটেনো কাউন্টি প্রসিকিউটর ও অ্যাটর্নি জেনারেল পদে দলের মনোনীত প্রার্থী এলি সাভিত।
এ সময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ইলিনয়ের গভর্নর জে. বি. প্রিটজকার, মিশিগান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির চেয়ার কার্টিস হার্টেল, মার্কিন কংগ্রেসওম্যান হিলারি স্কলটেন এবং মিশিগান সিনেটের মেজরিটি লিডার ও লেফটেন্যান্ট গভর্নর পদে দলের মনোনীত প্রার্থী উইনি ব্রিংকস।
তাহমিদ চৌধুরী দীর্ঘদিন ধরে ম্যাকম্ব কাউন্টি এবং মিশিগানের ১০ম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টজুড়ে বিভিন্ন নাগরিক ও কমিউনিটি সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। তরুণদের নাগরিক অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং কমিউনিটি সেবায় তাদের সম্পৃক্ত করাই তার কাজের মূল লক্ষ্য।
পুরস্কার গ্রহণ করে তাহমিদ বলেন, “এই সম্মাননা পেয়ে আমি সত্যিই গর্বিত ও কৃতজ্ঞ। এই স্বীকৃতি শুধু আমার একার নয়, এটি আমার সকল মেন্টর, সংগঠক, স্বেচ্ছাসেবক, কমিউনিটি লিডার, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের-যারা আমাকে শেখার, সেবা করার এবং এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন।”
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে তাহমিদকে সমর্থন জানান। অনুষ্ঠানে মিশিগানের বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব মিশিগান এর প্রেসিডেন্ট জাবেদ চৌধুরী ও উপদেষ্টা সুমন কবিরসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
এদিকে এই কৃতিত্বপূর্ণ অর্জনে তাহমিদ চৌধুরীকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশি আমেরিকান কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন ইন্ক (বাকা)-র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুল হাসিম হাসনু, সভাপতি সারওয়ার চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শাহ্ বদরুজ্জামান রুহেল, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব মিশিগান (বাম)-এর সভাপতি জাবেদ চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক লুৎফুর বারী নিয়ন, উপদেষ্টা সুমন কবিরসহ কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, তাহমিদ চৌধুরীর এই অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি মিশিগানে বসবাসরত বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির জন্যও এক গর্বের বিষয় এবং আগামী প্রজন্মের তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।