ফিতা কেটে উদ্বোধন
এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের আশা পূরণে বাঙালি স্বাদের খাবার পরিবেশনায় ইস্ট নিউ ইয়র্কের ২৭৬৮ পিটকিন অ্যাভিনিউয়ের ওপর নিউইয়র্কের প্রসিদ্ধ খলিল বিরিয়ানি হাউজের শাখা উদ্বোধন করা হয়েছে। খলিল বিরিয়ানি হাউজ এখন নিউইয়র্কসহ উত্তর আমেরিকায় ব্যান্ডে পরিণত হয়েছে। যে কারণে মানুষের প্রত্যাশা পূরণে অন্যান্য এলাকাতেও খলিল বিরিয়ানি হাউজ খোলা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় ব্রুকলি নে নতুন শাখা উদ্বোধন করা হলো। গত ২ অক্টোবর বাদ জুমা খলিল বিরিয়ানির স্বত্বাধিকারী খলিলুর রহমান ফিতা কেটে নতুন স্টোরের উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, খলিল বিরিয়ানির আরো দুই অংশীদার শাহেদ ও তোফায়েল আহমদ।
খলিলুর রহমান বলেন, আমরা পিটকিন অ্যাভিনিউয়ের ওপর খলিল বিরিয়ানি রেস্টুরেন্ট চালু করতে পেরে আনন্দিত। পিটকিন অ্যাভিনিউয়ে প্রচুর বাংলাদেশি রয়েছেন। বাংলাদেশিদের পরিচালনায় অনেক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। সেসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকের সঙ্গে মিলে মিশে আমরা ব্যবসা করবো। তিনি বলেন, আপনারা আমাদেরকে সু-চিন্তিত মতামত দেবেন। সেই তিনি সকলকে সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি খলিল বিরিয়ানি রেস্টুরেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপচেপড়া উপস্থিত দেখে উদ্বেলিত হন। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।। খলিলুর রহমান আরো বলেন, ব্রুকলিনের ২৭৬৮ পিটকিন অ্যাভিনিউতে এটি পঞ্চম শাখা। আরো শাখা ও ফ্রেঞ্চাইজ খোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান। রেস্টুরেন্টে সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত খোলা থাকবে এবং বেসমেন্টে এক সঙ্গে ৭০/৮০ জন এবং উপরে ৩০/৩৫ জন বসার ব্যবস্থা রয়েছে। খলিল বিরিয়ানির শেফ খলিলুর রহমান বলেন, এখানে বড় কিচেন রয়েছে। ক্যাটারিং করা হবে। খাবার ডেলিভারি দেওয়া হবে। মেনুর বাইরে কাস্টমারের চাহিদা অনুযায়ী আমরা খাবার তৈরি করে পরিবেশন করবো। তিনি আরো বলেন, গ্রাহকদের কাছে আমাদের খাবারের সুনাম রয়েছে। আমরা সেটা ধরে রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো এবং সব সময় ফ্রেশ খাবার পরিবেশন করবো।
ফিতা কাটার পূর্বে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ড. রুহুল আমিন। দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রিন্সিপাল কোরআন একাডেমি ইউক্লিড আবু উবায়দা, খলিল বিরিয়ানির খলিলুর রহমান, রেস্টুরেন্টের অন্য দুই স্বত্বাধিকারী শাহেদ ও তোফায়েল আহমদ।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সহস্রাধিক লোকজনের মাঝে বিনামূল্যে খাবার বিতরণ করা হয়।