২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ৬:২৯:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিকদের নৈশভোজে উপস্থিত ট্রাম্প, গুলিবর্ষন, প্রেসিডেন্ট নিরাপদে হাফেজ্জী হুজুর সড়কের নাম পুনর্বহাল করছে ডিএসসিসি ভারতকে ‘হেলহোল’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্পের পোষ্ট, নয়াদিল্লির তীব্র নিন্দা নিউ ইয়র্কে অটো বীমা খরচ ও প্রতারণা রোধে ক্যাথি হোচুলের প্রস্তাব বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বড় স্ক্রিনে দেখানো হবে অবৈধ ট্যারিফ ফেরতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে নতুন পোর্টাল চালু হার্ভার্ডে ঈদ উদযাপনের পোস্টকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক মার্কিন কংগ্রেসে লড়ছেন বাংলাদেশি আমেরিকান সিনেটর সাদ্দাম সেলিম মদ্যপানের খবরে দ্য আটলান্টিকের বিরুদ্ধে ২৫০ মিলিয়ন ডলারের মামলা কাশ প্যাটেলের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির ৩৬ প্রার্থীর কারা পেলেন মনোনয়ন


হালাল খাদ্যের আহবান কংগ্রেসম্যান গ্রেস মেং’র
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৬-১০-২০২২
হালাল খাদ্যের আহবান কংগ্রেসম্যান গ্রেস মেং’র


সংকটে পড়া আমেরিকানদের মধ্যে পুষ্টিকর খাদ্য বিতরণ কর্মসূচিতে বরাদ্দকৃত দুই বিলিয়ন ডলার বন্টনে হালাল এবং কুশের খাদ্যকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এ দাবি জানিয়েছেন নিউইয়র্কের কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং এবং ফ্লোরিডার কংগ্রেসওম্যান দেবি ওয়াশারওম্যান শাল্টজ। 

গত ২৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বাইডেনের কৃষি মন্ত্রী টমাস ভিলসেক বরাবরে প্রেরিত পত্রে তারা উল্লেখ করেছেন, করোনা এবং যুদ্ধ জনিত কারণে যুক্তরাষ্ট্রে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বেড়েছে। এ বছরের জুন পর্যন্ত খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় পড়া আমেরিকানের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৪০ লাখ। এর আগে অর্থাৎ ২০২০ সালে এ সংখ্যা ছিল এক কোটি ৪০ লাখ। অভাবে পড়া লোকজনের মধ্যে খাদ্য-সামগ্রি বিতরণে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের চলমান কর্মসূচিতে আরো দুই বিলিয়ন ডলার যোগ করা হয়েছে। সেই অর্থ বন্টনের সময় যেন হালাল খাদ্য (মুসলিম সম্প্রদায়) এবং কুশের খাদ্য (জুইশ সম্প্রদায়ের ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্যে) কে সমান গুরুত্ব দেয়া হয়-এ আহবান উচ্চারিত হয়েছে দুই কংগ্রেসওম্যানের ঐ পত্রে। তাঁদের এ দাবির সাথে সংহতি প্রকাশ করেছেন ‘হাঙ্গার ককাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসম্যান জেমস ম্যাকগভর্ণ। ম্যাকগভর্ণ উল্লেখ করেছেন, গত ৫০ বছরের মধ্যে এমন খাদ্য সংকট দেখা যায়নি। এ থেকে আমেরিকানদের রক্ষায় সুদূর প্রসারি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। 

এ প্রসঙ্গে কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং বলেন, করোনা মহামারিকালে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য-সামগ্রির উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে। তা থেকে পরিত্রাণের অভিযাত্রায় মুদ্রাস্ফীতি বেড়েছে। খাদ্য-সামগ্রির মূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। এমন অবস্থায় বাইডেন প্রশাসন রান্না করা খাবারের পাশাপাশি টাটকা শাক-সব্জি, চাল-ডাল-তেল-নুন-দুধ-ফলের রস ইত্যাদি বিতরণ করছে। মেং উল্লেখ করেছেন, এই প্রকল্পে নতুন বরাদ্দকৃত দুই বিলিয়ন ডলার বন্টনের সময় যেন হালাল খাদ্য এবং কুশের খাদ্য গ্রহণকারিদের কথা সংশ্লিষ্টরা ভুলে না যান। কারণ, অনেক মানুষই তার ধর্মীয় অনুভূতি, জাতিগত প্রথার বাইরে যেতে চান না খাদ্যাভাব চরম হলেও। সে সব মানুষকে অবজ্ঞা-অবহেলার সুযোগ থাকতে পারে না। তারাও এই সমাজেরই অংশ।

শেয়ার করুন