দোয়া পরিচালনা করছেন মাওলানা আব্দুস সাদেক
নবগঠিত জ্যাকসন হাইটস সোসাইটির উদ্যোগে শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। গত ৩০ মে জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্বে করেন সংগঠনের আহ্বায়ক দেওয়ান কাওছার এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম মনির। অনুষ্ঠানে সূচিতে ছিল আলোচনা সভা, বিশেষ দোয়া ও তবারক বিতরণ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য গিয়াস আহমেদ। গেস্ট অব অর্নার ছিলেন বিশিষ্ট রিয়েলঅ্যাস্টেট ইনভেস্টর নূর আমিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসীম ভূইয়া, জাসাসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক শাহীন, নিউ ইয়র্ক স্টেট বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ভিপি জসীম, সাধারণ সম্পাদক সাঈদুর রহমান সাঈদ, নিউ ইয়র্ক দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিবুর রহমান সেলিম রেজা, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর এম আলম, স্বেচ্ছাসেব দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাকসুদুল হক চৌধুরী, সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা এবাদ চৌধুরী, আব্দুস সবুর, যুক্তরাষ্ট্র জাসাসের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর সরওয়ার্দী।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেত্রী সৈয়দা মাহমুদা শিরিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর মশিউর রহমান, মোস্তফা হোসেন মুকুল, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক দফতর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম লিটন, যুক্তরাষ্ট্র শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন, স্টেট বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বদরুল হক আজাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম, বিএনপি নেতা মোতাহার হোসেন, নাসিম আহমেদ, জাবেদ উদ্দিন, মোহাম্মদ আব্দুল করিম, মোহাম্মদ শাকিল প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে গিয়াস আহমেদ বলেন, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা করেননি, আমাদের একটি দেশ দিয়েছিলেন। আর বেগম খালেদা জিয়া আধুনিক বাংলাদেশ দিয়েছিলেন। তাদেরই সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান মানুষের ভোটে ক্ষমতায় এসেছেন। এখন জামাত এবং এনসিপি ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। জামাত আগেও বিএনপির সঙ্গে বৈঈমানী করেছিল। এবারও এনসিপিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তিনি বলেন, এনসিপির নেতারা হারুনের হোটেলে যেদিন ভাত খেয়েছিল, সেদিনই তাদের আন্দোলন শেষ হয়েছিল। তারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন করেছিল, আর তারেক রহমান ছাত্র-জনতার মাধ্যমে শেখ হাসিনার পতন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং সে আন্দোলনে শেখ হাসিনা ভারত পালিয়ে গেছেন।
প্রধান বক্তা নূর আমিন বলেন, শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দেশপ্রেমিক ভালো মানুষ ছিলেন। আমাদের তার আদর্শ লালন এবং পালন করতে হবে।
আহ্বায়ক দেওয়ান কাওছার এবং সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম সবাইকে অনুষ্ঠান সফল করার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন জ্যাকসন হাইটস ইসলামিক সেন্টারের ইমাম মাওলানা আব্দুস সাদেক। শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পাশাপাশি বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। দোয়া শেষে তবারক বিতরণ করা হয়।