১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ০৭:১৫:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাকিব প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- ‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত নগর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি এআইপ্যাক সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মিশিগানে চমক দেখালেন ড. আবদুল এল-সায়েদ ‘দেশের গ্রেট প্লেয়ার সিমপ্যাথি ছিল,আসলে সে খুনীর প্রমাণিত দোসর, ফ্যাসিস্ট’ মসজিদ নির্মাণে অনুমতি না দেওয়ায় ব্রোকেন অ্যারো সিটির বিরুদ্ধে মামলা ২৫ হাজার ডলার লুটের অভিযোগ, দুই বাংলাদেশি গ্রেফতার বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য ভিসা বন্ড স্থায়ী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে হাসপাতালে ১, গ্রেফতার ১ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান নিউইয়র্কে আইসের মুখোশ নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ


রেমিট্যান্স পাঠাতে ফি নিচ্ছে না সোনালী এক্সচেঞ্জ, বিপাকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ১১-১১-২০২২
রেমিট্যান্স পাঠাতে ফি নিচ্ছে না সোনালী এক্সচেঞ্জ, বিপাকে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান


এখন থেকে স্বদেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে ফি দিতে হবে না প্রবাসী বাংলাদেশিদের। অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স পরিচালনার জন্য ৭ নভেম্বর থেকে ব্যাংকগুলো কোনো ধরনের ফি নেবে না। এই সিদ্ধান্ত এমন সময়ে আসলো, যখন টানা দুই মাস ধরে কমেছে, রেমিট্যান্স প্রবাহ কমেছে, যা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ বাাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই পদক্ষেপ বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। সোনালী এক্সচেঞ্জের একটি সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ নভেম্বর থেকে তারা ফি নিচ্ছেন না, এমনকি তাদের সিস্টেমেও ফি নেয়ার কোনো অপশন রাখা হয়নি। সেই সাথে আড়াই প্রণোদনার সুবিধা তো রয়েছেই। আরেকটি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সোনালী এক্সচেঞ্জের জনঅধ্যুষিত এলাকার শাখাগুলো সপ্তাহে ৭ দিন খোলা রাখারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সরকারি এমন ঘোষণায় বিপাকে পড়েছে বেসরকারি মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠানগুলো। বেসরকারি মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠানের অনেকেই বলেছেন, তারা ফি নেবেন। কারণ এটাই তাদের ইনকাম। তারা আরো বলেন, সোনালী এক্সচেঞ্জ সরকারি প্রতিষ্ঠান। তারা সরকার থেকে প্রতি ট্রানজেকশনে অর্থ পাচ্ছে। জ্যাকসন হাইটসের বাংলা ট্রাভেলসের প্রেসিডেন্ট বেলায়েত হোসেন বলেন, আমরা অবশ্যই ফি নিচ্ছি। কারণ এটাই আমাদের ইনকাম। এই ইনকাম দিয়েই আমাদের কর্মচারীর বেতন দিতে হয়। এ ছাড়া অফিস খরচও এর মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে সোনালী এক্সচেঞ্জ সরকারি প্রতিষ্ঠান। তাদের প্রতিটি ট্রানজেশনের জন্য সোনাল ব্যাংক থেকে অর্থ পেয়ে থাকেন। আমাদের তো সেই সুযোগ নেই। একই ধরনের কথা বলেছেন সানম্যান মানি ট্রান্সফারের সামুদ রানা তপন। তিনি বলেন, এখনো আমরা কোন আমাদের ঢাকা অফিস থেকে নির্দেশনা পাইনি। যতোক্ষণ না পর্যন্ত নির্দেশনা পাই ততোক্ষণ পর্যন্ত আমাদের ফি অবশ্যই নিতে হবে। তা না হলে আমাদের চলা কঠিন হয়ে পড়বে।

৬ নভেম্বর সোনালী ব্যাংক ভবনে অনুষ্ঠিত ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) যৌথসভায় প্রবাসীদের বিনা ফিতে রেমিট্যান্স পাঠানোর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

রেমিটারদের সুবিধার্থে, ছুটির দিনেও বৈদেশিক বিনিময় সংস্থাগুলো খোলা থাকবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়। ৭ নভেম্বর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়।

শেয়ার করুন