০৮ জুন ২০২৬, সোমবার, ০৮:৩৮:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাত্র এক ডোজেই কমতে পারে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত খারাপ কোলেস্টেরল নিউ ইয়র্কের ফোনমুক্ত স্কুলে কমেছে বুলিং আরবি ভাষা ও শিক্ষা যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় হচ্ছে গ্রিনকার্ডের আবেদন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অপব্যাখ্যার পর পুনঃব্যাখ্যা, মামলার প্রস্তুতি বিশ্ব কূটনীতির সর্বোচ্চ মঞ্চে আবারো বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ভিসা : দুইবারের বেশি দূতাবাসে যেতে হবে না অনলাইন জুয়ার বিস্তার উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে বড়রা এ প্রজন্মকে হাটে নিয়ে বিক্রি করে দিয়েছে খালেদা জিয়ার নামে নামকরণ : তারেক রহমানের ‘না’ সাক্ষাৎকার ছাড়াই দ্রুত আশ্রয় আবেদন বাতিলের পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের


সুপ্রিম কোর্টের যুগান্তকারী রায়
অবৈধদের গ্রেফতার বা ডিপোর্ট করা যাবে না
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৭-০৬-২০২৩
অবৈধদের গ্রেফতার বা ডিপোর্ট করা যাবে না


গত ৩ জুন ইউএস সুপ্রিম কোর্ট বাইডেন প্রশাসনের অভিবাসন নীতির বাস্তবায়নের পক্ষে এক যুগান্তকারী দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত দীর্ঘ লড়াইয়ে সুপ্রিম কোর্ট বাইডেন প্রশাসনের অভিবাসন প্রয়োগনীতি পুনরুজ্জীবত করেছে। অভিবাসন সংক্রান্ত বিতর্কিত বিষয় নিয়ে দীর্ঘ আইন লড়াইয়ে টেক্সাস ও লুইজিয়ানার সঙ্গে শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছে বাইডেন প্রশাসন। সুপ্রিম কোর্টে ৮-১ বিচারপতির ভোটে বাইডেন নীতিরপক্ষে এ মতামত দেন। এর ফলে অবৈধদের গ্রেফতার করতে পারবে না। 

জননিরাপত্তার হুমকি বিবেচনা করে আইন প্রয়োগের অগ্রাধিকার নির্ধারণ করার বিষয়ে মতামত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। বাইডেন প্রশাসনের অভিবাসন নীতিতে জাতীয় নিরাপত্তা আমেরিকার নাগরিকদের জননিরাপত্তা বা যুক্তরাষ্ট্রে সীমান্ত নিরাপত্তায় হুমকি হিসেবে বিবেচিত ভিন্নদেশী নাগরিকদের গ্রেফতার বা বিতাড়িত করার বিষয়ে অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। যে কোন পরিস্থিতিতে বিবেচনায় বর্ডার এজেন্টদেও সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য ক্ষমতা রয়েছে বা বাড়তি সুযোগ করেছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময় প্রয়োগ করা কঠোর অভিবাসননীতি থেকে সরে গিয়ে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে রিপাবলিকান নিয়ন্ত্রিত দুই স্টেট টেক্সাস ও ল্ইুজিয়ানায় গত বছরের জুনে ফেডারেল আদালতে মামলা দায়ের করেন। 

টেক্সাসের ডিস্ট্রিক্ট জজ বাইডেন প্রশাসনের জারি করা আইনকে যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী বাতিল করেন। বাইডেন প্রশাসন সুপ্রিম কোর্টে আপিল দায়ের করেন। প্রেসিডেন্ট বাইডেন প্রশাসনের জারি করা সিদ্ধান্ত ছিল যারা সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করবে এবং যারা এদেশের জননিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে বিবেচিত হবে শুধুমাত্র তাদেরকে গ্রেফতার করে ডিটেনশনে পাঠানো হবে বা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কৃত করা হবে। যে সকল অভিবাসী দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে আনডকুমেন্টেট হিসেবে রয়েছেন তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে না এবং ডিপোর্টও করা হবে না। 

টেক্সাস ও লুইজিয়ানার এটর্নি জেনারেলদের যুক্তি ছিল দক্ষিণ সীমান্তে অভিবাসন প্রত্যাসীদের ঢলের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ও সামাজিক পরিসেবায় তাদের বেশি অর্থ ব্যয় করতে হবে। যার ফলে স্টেটগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিরা বাইডেন প্রশাসনের সাথে একমত হয়েছেন। বিচারপতিরা বলেছেন, বাইডেন প্রশাসনের নীতি থেকে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন বা হয়েছেন। এমন কোন যুক্তি দেখাতে পারেনি স্টেট দুটি। ফেডারেল আইন প্রয়োগ শুধুমাত্র ফেডারেল প্রশাসন নিতে পারে স্টেট নয়। হোমল্যান্ড সেক্রেটারি শুধুমাত্র এ সিদ্ধান্ত দিতে পারেন স্টেট নয়। গত জুনে টেক্সাস ও লুইজিয়ানার স্টেটের সুপ্রিম কোর্ট যে কোন অবৈধ ইমিগ্রেন্টকে গ্রেফতারের অনুমতি দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বাইডেন প্রশাসন সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারপতির পক্ষে লেখা রয়েছে বিচারপতি স্টেট কাভানাফ ফেডারেল আইনকে স্টেটের চ্যালেঞ্জকারী স্টেটগুলিকে একটি অসাধারণ অস্বাভাবিক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। সুপ্রিম কোর্ট স্টেটের আইনকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান বিরোধি বলে উল্লেখ করে মামলার রায় দেন। এর ফলে স্টেটগুলি আর অবৈধদের গ্রেফতার করতে পারবে না। 

শেয়ার করুন