২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১১:৩৫:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক তারেক রহমান শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আজ বৈঠক মাদকজনিত মৃত্যুহার কমলেও ফেন্টানিল এখনো প্রধান হুমকি ৩৮ মিলিয়ন মেডিকেইড জালিয়াতির অভিযোগে নেতাসহ ৮ জন গ্রেফতার নারী স্বাস্থ্যকর্মী কর্তৃক ২ মুসলিম নারীকে হয়রানি ও হুমকি রিপাবলিকান কনভেনশনে মুসলিম ডেলিগেটদের ‘যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার’ পরামর্শ ইসরায়েলি বন্ড থেকে ৮৫ শতাংশ বিনিয়োগ প্রত্যাহার মেরিল্যান্ডের মেডিকেইড ও ওবামাকেয়ার থেকে এক বছরে বাদ ৫০ লাখ মানুষ নাগরিকত্ব আবেদনের ফি ১৩৩০ ডলার বাতিল হতে পারে ফি মওকুফ ২০৩৪ সালের পর সোশ্যাল সিকিউরিটি পেনশন সুবিধা কমার আশঙ্কা


ঊনবাঙালের ৪০তম সভায় ডায়াস্পরা সাহিত্য
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২০-০৯-২০২৩
ঊনবাঙালের ৪০তম সভায় ডায়াস্পরা সাহিত্য অনুষ্ঠানে আগত অতিথি ও কবিরা


গত ১৬ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেলে জ্যামাইকার একটি রেস্টুরেন্টের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ঊনবাঙালের ৪০তম সাহিত্য সভা। সংগঠনের সভাপতি মুক্তি জহির অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে সাংবাদিক তাসের মাহমুদের সঞ্চালনায় ‘ডায়াস্পরা সাহিত্য’ নিয়ে আলোচনা করেন নির্ধারিত আলোচক কবি সৈয়দ কামরুল ও কবি কাজী জহিরুল ইসলাম।

সৈয়দ কামরুল ডায়াস্পরা সাহিত্যের তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করে বলেন, যারা নানান কারণে জন্মস্থান থেকে বিতাড়িত হয়ে ভিন্ন ভূখণ্ডে বসবাস করতে বাধ্য হন, তাদের মধ্য থেকে তৈরি হওয়া লেখকগোষ্ঠীই হচ্ছে ডায়াস্পরা সাহিত্যিক এবং তাদের রচিত সাহিত্যই ডায়াস্পরা সাহিত্য। তাদের রচনায় মাতৃভূমির যৌথ স্মৃতি, নস্টালজিয়া, ফেরার আকুলতা ইত্যাদি প্রতিফলিত হয়। কাজী জহিরুল ইসলাম কসোভোর ডায়াস্পরা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা উল্লেখ করে বলেন, তাত্ত্বিকভাবে সৈয়দ কামরুলের সঙ্গে আমি একমত কিন্তু ইউরোপীয়রা এখন ভিন্ন ভূখণ্ডে বসবাস করা জনগোষ্ঠীর কমিউনিটিকে ডায়াস্পরা সমাজ হিসেবে বিবেচনা করে। তবে একথা ঠিক যে মাতৃভূমির স্মৃতি এবং সেখানে ফেরার যে আকুলতা এটিই ডায়াস্পরা সাহিত্যের মূল বৈশিষ্ট্য। সঞ্চালক তাসের খান মাহমুদ ডায়াস্পরা শব্দটির একটি যথাযথ বাংলা শব্দ নির্মাণের জন্য কবিদ্বয়ের প্রতি অনুরোধ রেখে আলাপচারিতার সমাপ্তি টানেন।

ঢাকা থেকে আগত কবি ফেরদৌস সালামকে সভার বিশেষ অতিথি হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তিনি বেশ কিছু সুখপাঠ্য কবিতা পড়ে শোনান। 

ঊনবাঙাল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পূর্ব-নির্ধারিত বাংলা ভাষার বিখ্যাত কিছু কবিতা আবৃত্তি করা হয় ৪০তম সভায়। আহসান হাবিব পাঠ করেন আল মাহমুদের ’বিপাশার চোখ’, মুন্না চৌধুরী পড়েন রফিক আজাদের ’প্রতীক্ষা’, ফাহমিদা ওয়াদুদ পড়েন সৈয়দ শামসুল হকের ’আমার পরিচয়’, মাহফিল আলী পড়েন ফজল শাহাবুদ্দিনের ’অকস্মাৎ’ এবং ফরিদা ইয়াসমিন পড়ে শোনান আল মাহমুদের ’কবিতা এমন’। 

স্বরচিত কবিতা পাঠ পর্বের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তি, শিল্পানুরাগী মানুষ ফখরুল আলম এবং ঊনবাঙালের অন্যতম সংগঠক সৈয়দ ফজলুর রহমান।

স্বরচিত লেখা পাঠ করেন ওয়াহেদ হোসেন, সৈয়দ কামরুল, ফাহমিদা ওয়াদুদ, সৈয়দ রাব্বী, রেণু রোজা, কাওসার পারভীন চৌধুরী, সুমন শামসুদ্দিন, কাজী ফৌজিয়া, এস এম মোজাম্মেল, মোশাররফ হোসেন, ইমাম চৌধুরী, জান্নাত সুলতানা, খালিদ মিঠু, মুজিবুল হক, কাজী আসাদ, রওশন হক, স্বপ্ন কুমার, মিজানুর রহমান এবং কাজী জহিরুল ইসলাম। 

শেষ পর্বে পঠিত লেখার ওপর বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা করেন কবি কাজী জহিরুল ইসলাম। নৈশভোজে অনানুষ্ঠানিক শিল্পাড্ডা জমে ওঠে এবং তা চলে বেশ কিছুক্ষণ। 

কাজী ফৌজিয়া এবং সৈয়দ ফজলুর রহমান এই কমিউনিটির কয়েকজন নারী লেখক/সাংবাদিককে সামাজিক মাধ্যমে অপমানজনক আক্রমণের তীব্র নিন্দা জানান। তারা বলেন, একজন চিহ্নিত ব্যক্তি ফেক আইডি থেকে বারবার এ-ধরনের আক্রমণ করে নিউইয়র্কের পরিবেশ কলুষিত করছে। আমাদের সকলেরই উচিত এ ধরনের অনৈতিক কাজের প্রতিবাদ জানানো।  

আবৃত্তি পর্বটি পরিচালনা করেন মুক্তি জহির এবং স্বরচিত লেখা পাঠ পর্ব পরিচালনা করেন ইমাম চৌধুরী।

শেয়ার করুন