১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৮:৪৪:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইমাম নিহতের ঘটনায় টার্নারের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন ম্যানহাটনে মুসলিম মহিলাকে ছুরিকাঘাত, আলবার্টকে ১১ বছরের কারাদণ্ড যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন কর্মকর্তার গুলিতে নারী নিহত, প্রতিবাদে হাজারো মানুষের বিক্ষোভ ট্রাম্পের কড়াকড়িতে অভিবাসী শ্রমিক কমলেও যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া শ্রমিকদের বেকারত্ব বেড়েছে ওয়াশিংটনের ন‍্যাশনাল প্রেসক্লাবে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে সভা মধ্যবর্তী নির্বাচন পরিচালনার নিয়ম বদলাতে মরিয়া ট্রাম্প জামায়াতের সাথে মার্কিন প্রতিনিধিদের বৈঠক নিয়ে নানা গুঞ্জন এক বাসায় অনেক পোস্টাল ব্যালটের ভিডিও ভাইরাল, ব্যবস্থা চায় বিএনপি বাংলাদেশ গাজার জন্য ট্রাম্প প্রস্তাবিত বাহিনীতে থাকতে চায় বাংলাদেশের সঙ্গেও ক্রিকেটে ভারতীদের ভূ-রাজনীতি


যুদ্ধবিরতিতে উভয়পক্ষ সম্মত হচ্ছে গাজায়
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২২-১১-২০২৩
যুদ্ধবিরতিতে উভয়পক্ষ সম্মত হচ্ছে গাজায়


বেশ কিছুদিন থেকেই আলোচনা চলে আসছিল, গাজায় যুদ্ধবিরতির বিষয়টা। প্রথমত আন্তর্জাতিক পর্যায় থেকে অমন প্রস্তাবে ইসরায়েল না করলেও অবশেষে রাজী হয়েছে তারা। হামাসও তাতে রাজী। এতে করে গাজায় দেড় মাসের বেশি সময় ধরে চলা হামলা বন্ধে বড় অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। ইসরায়েলের মন্ত্রিসভা চার দিনের বেশি সময়ের যুদ্ধবিরতির একটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। যেখানে কাতার এ প্রস্তাবে মধ্যস্থতা করেছে।

আজ বুধবার ফিলিস্তিনের এ অঞ্চলে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব অনুমোদনের খবর জানা গেছে। পূর্ব জেরুজালেম থেকে আল-জাজিরার প্রতিনিধি হামদাহ সালহুত জানান, ইসরায়েলের মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত প্রস্তাব অনুযায়ী, ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস তাদের হাতে বন্দী থাকা ৫০ জনের মতো জিম্মিকে মুক্তি দেবে। বিনিময়ে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় হামলা আপাতত বন্ধ রাখবে ইসরায়েল। হামদাহ সালহুত আরও জানান, যুদ্ধবিরতির এ প্রস্তাব অনুযায়ী, ইসরায়েলের কারাগারে বন্দী থাকা কয়েকজন ফিলিস্তিনিকেও মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে।

হামদাহ সালহুত বলেন, ‘আমরা এখনো যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের অনুমোদিত নথি হাতে পাইনি। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানিয়েছে, ভোটাভুটির পর প্রস্তাবটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় হামাস। এর পাল্টা জবাব হিসেবে ইসরায়েল গাজা প্রথমত দখলের চিন্তা করলেও পরবর্তিতে সেখানে থেকে সরে হামাস নির্মূলের নামে সাধারন মানুষ ও তাদের ঘরবাড়ি,হাসপাতাল, আশ্রয়স্থল বিভিন্ন স্থানে আক্রমন করে ধ্বংস করে। তবে এ যুদ্ধে ইসরায়েলেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে তাদের অত্যাধুনিক সুরক্ষিত ট্যাংক,হেলিকাপ্টার সহ যুদ্ধযান। বহু ইসরায়েল সৈন্যও নিহত হয়েছে। এর আগে হামাসও যুদ্ধবিরতিতে সম্মত বলে জানান দেয়। 

 


শেয়ার করুন