১০ অগাস্ট ২০২৬, সোমবার, ০৭:১৩:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাকিব প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- ‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত নগর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি এআইপ্যাক সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মিশিগানে চমক দেখালেন ড. আবদুল এল-সায়েদ ‘দেশের গ্রেট প্লেয়ার সিমপ্যাথি ছিল,আসলে সে খুনীর প্রমাণিত দোসর, ফ্যাসিস্ট’ মসজিদ নির্মাণে অনুমতি না দেওয়ায় ব্রোকেন অ্যারো সিটির বিরুদ্ধে মামলা ২৫ হাজার ডলার লুটের অভিযোগ, দুই বাংলাদেশি গ্রেফতার বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য ভিসা বন্ড স্থায়ী করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে হাসপাতালে ১, গ্রেফতার ১ প্রথমবার জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান নিউইয়র্কে আইসের মুখোশ নিষেধাজ্ঞায় স্থগিতাদেশ


গৃহস্থলী কাজের মুল্যায়ন ও স্বীকৃতি চায় নারী
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৬-০৬-২০২২
গৃহস্থলী কাজের মুল্যায়ন ও স্বীকৃতি চায় নারী


নারীর গৃহস্থালী কাজের আর্থিক মূল্য রাষ্ট্রীয়ভাবে নিরূপণ কর ও স্বীকৃতি দাও, নারীর উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা ও ক্ষমতায়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবিতে আজ ৬ জুন ২০২২ দুপুর ১২ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় এবং সমাবেশ শেষে অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি পেশ করা হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রকৌশলী শম্পা বসু এবং পরিচালনা করেন সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক রুখশানা আফরোজ আশা। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি মুক্তা বাড়ৈ, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট ঢাকা নগরের সহসভাপতি সুস্মিতা মরিয়ম।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘গৃহস্থালী কাজ ছাড়া কোন পরিবার ও সমাজ কল্পনা করা যায় না। আর গৃহস্থালী কাজের সিংহভাগই করেন পরিবারের নারী সদস্যরা। কিন্তু পরিবারে, সমাজে, রাষ্ট্রে এ কাজের কোন স্বীকৃতি নেই, মর্যাদা নেই এমনকি এ কাজকে তাচ্ছিল্য করা হয় সবসময়। ফলে তরুণ প্রজন্মও নারী বিদ্বেষী মনোভাব নিয়ে বেড়ে উঠছে। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি’র একটি গবেষণায় দেখা যায় নারীদের গৃহস্থালী কাজের আর্থিক মূল্য বছরে ১১ লক্ষ কোটি টাকার উপরে।’ অবিলম্বে নারীর গৃহস্থালী কাজের আর্থিক মূল্য রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন ও স্বীকৃতির দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ‘মাতৃত্বের সকল দায়িত্ব যেন নারীরই। অবিলম্বে সরকারিভাবে গ্রাম-শহরে এলাকাভিত্তিক মানসম্পন্ন ডে কেয়ার সেন্টার নির্মাণ করা প্রয়োজন। তাহলে মাতৃত্বের কারণে নারীর কর্মক্ষেত্র থেকে ঝড়ে পড়া রোধ করা সম্ভব হবে। প্রয়োজন জেলা উপজেলা পর্যায়ে কর্মজীবি নারীদের জন্য হোস্টেল নির্মাণ করা। তাহলে অন্য জেলায় বদলী হলেও নারীকে চাকরী ছেড়ে দিতে হবে না।’

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, ‘ আমাদের দেশে প্রতি বছর যে জেন্ডার বাজেট হয় তা জাতীয় বাজেটের ১ শতাংশের মতো হয়ে থাকে। তবে এই বাজেট মূলত বিভিন্ন ভাতা প্রদানেই সীমাবদ্ধ। আমরা সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম মনে করি,আমাদের রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গী হওয়া উচিৎ কর্মক্ষম মানুষ যেন তার যোগ্য কাজটি করতে পারেন এবং যেসব কারণে নারীরা কর্মক্ষেত্র থেকে ঝরে পড়েন সেসব বাধা দূর করার কার্য়কর উদ্যোগ নেওয়া; ভাতা দিয়ে করুণা করা নয়, পুনর্বাসন করে সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা ও আত্মমর্যাদাশীল করার উদ্যোগ নেওয়া। আমরা আপনার মাধ্যমে সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরাম এর দাবিসমূহ বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।



শেয়ার করুন