০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০১:৪৮:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ওয়ারেন্ট ছাড়া বাড়িতে প্রবেশের গোপন নীতি আইসের উবার ও লিফট চালকদের অধিকার রক্ষায় ডিঅ্যাকটিভেশন বিল পাস ৩ লাখ অভিবাসী শিশুর খোঁজে ফেডারেল অভিযান, ১.৪৫ লাখ শনাক্ত ৭৫ দেশের অভিবাসনে নিষেধাজ্ঞা : ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা গুলিতে আহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যুবক, পুলিশের বক্তব্যে পরিবারের আপত্তি ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত শহরে আইসকে বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ না করার নির্দেশ বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য ‘নিরাপত্তা সতর্কতা’ জারি আইস সাতটি নতুন অভিবাসী আটক কেন্দ্র চালুর কথা ভাবছে সুপ্রিম কোর্টের রায় নির্ধারণ করবে ২ হাজার ডলারের স্টিমুলাস চেকের ভাগ্য ৯ ফেব্রুয়ারি বিটিভিতে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান


যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারে হাসিনা-জয়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৫-১২-২০২৪
যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারে হাসিনা-জয়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক শেখ হাসিনা, জয় ও টিউলিপ


যুক্তরাষ্ট্রে ৩০০ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত ২২ ডিসেম্বর প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং দুদকের এ সংক্রান্ত একটি সারসংক্ষেপ গণমাধ্যমে পাঠিয়েছে। যেখানে বলা হয়, ২০১৪ সালে সজীব ওয়াজেদের বিরুদ্ধে প্রথম অর্থপাচারের অভিযোগ আসে যুক্তরাষ্ট্র বনাম রিজভী আহমেদ মামলার সময়। পরবর্তীতে শক্তিশালী একটি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা তার বিরুদ্ধে আর্থিক কেলেঙ্কারির তথ্য উন্মোচন করে। তদন্তে উঠে আসে হংকং ও কেম্যান আইল্যান্ডের বিভিন্ন অফশোর অ্যাকাউন্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক এবং লন্ডনে অর্থ পাচার করা হয়েছে। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত সংস্থা তাদের লন্ডন প্রতিনিধির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছে। যেখানে তারা জয়ের বিরুদ্ধে গুরুতর আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ পাচারের তথ্য পেয়েছে। এ ছাড়া ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের সিনিয়র ট্রায়াল অ্যাটর্নি লিন্ডা স্যামুয়েলসও আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ পাচারের বিষয়টি নিশ্চিত হন। প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৩০০ মিলিয়ন ডলার জমা হয়েছে। দুদক সম্প্রতি শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে ৮০ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগে নতুন একটি তদন্ত শুরু করেছে। এ অভিযোগে তার ছোট বোন শেখ রেহানা ও তার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিকেরও নাম রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ও আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ ৯টি প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। বিশেষ তদন্ত দলটি ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন ও পাসপোর্ট অধিদফতর থেকে প্রাথমিক নথি সংগ্রহ করেছে। এছাড়াও বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) কাছে সংশ্লিষ্ট নথি এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের অফশোর ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ চেয়ে একটি বিশেষ রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন