৬ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ১১:৫৩:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন ১৮ অক্টোবর মাইর শুরু হয়েছে কেবল, আসল মারই তো শুরুই হয়নি সাবওয়ে স্টেশন ঠান্ডা রাখতে নতুন পরিকল্পনা শিশুদের টিকা নীতিতে বড় পরিবর্তন আনতে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ শতবর্ষী চেম্বারস স্ট্রিট সাবওয়ে স্টেশন সংস্কারে বড় প্রকল্প মুসলিম হওয়ায় মৃত্যুর হুমকি, অভিযোগ ফ্লোরিডার রিপাবলিকান কংগ্রেস প্রার্থীর হিজাব পরা নারীকে হামলার অভিযোগ : জোনাথন স্ট্রিপের বিরুদ্ধে হেট ক্রাইমের মামলা ইসলাম ও মুসলিম খ্রিস্টান সম্পর্কের অগ্রণী গবেষক এস্পোসিতোর মৃত্যু মসজিদে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ৪০ বছর কারাদণ্ডের মুখে ভিনসেন্ট তারেক রহমানের ভারত সফরে প্রাণান্ত চেষ্টা মোদী সরকারের


'জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন-২০২৩' বাতিলের সিদ্ধান্ত
দেশ অনলাইন
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৭-০১-২০২৫
'জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন-২০২৩' বাতিলের সিদ্ধান্ত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এম এম নাসির উদ্দিন/ছবি সংগৃহীত


প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ 'জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন-২০২৩' বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নির্বাচন ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) আয়োজিত পিঠা উৎসবে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে তিনি জানান, 'ওই আইনটি বাতিল করতে নির্বাচন কমিশন চিঠি দিয়েছিল। ওই চিঠি অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। ফলে জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে না গিয়ে নির্বাচন কমিশনের অধীনেই থাকছে।'

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, 'আমি সরকারকে আন্তরিক মোবারকবাদ জানাই যে, অতি দ্রুত সময়ে অ্যাডভাইজরি কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। গতকাল (বুধবার) আমরা চিঠি পাঠিয়েছিলাম, আজকে (বৃহস্পতিবার) এটা পাশ হয়েছে।'

তিনি বলেন, 'যখন জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নেওয়া হয়, তখন আমি গণমাধ্যমের খবরে জানতে পেরেছিলাম। দেশের একজন সিনিয়র নাগরিক হিসেবে তখনই আমি মনে করেছিলাম, কোনো মহৎ উদ্দেশ্যে এটা নেওয়া হচ্ছে না। আমি সিইসি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর দু’একজনের সঙ্গে আলাপের পর আমি বলেছিলাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাখতে হবে। এজন্য যা যা করার আমি করবো। সেজন্য ওই আইন বাতিল করতে চিঠি দিয়েছি।'

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সুপারিশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিজ্ঞ জনেরা সবদিক বিবেচনা করে সুপারিশ করেছেন। আমরা সুপারিশ পর্যালোচনা করার পর প্রতিক্রিয়া জানাবো।

অনুষ্ঠানে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, নির্বাচন ব্যবস্থা সুপারিশ নিয়ে যে সব প্রতিক্রিয়া পেয়েছি তা ইতিবাচক। নির্বাচন কমিশনও এটা ভালোভাবে নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে নির্বাচন কমিশন যেন সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে সেজন্য আইনি কাঠামো তৈরি এবং অতীতের ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয় সেজন্য দায়বদ্ধতার সুপারিশ করেছি।

তিনি বলেন, সংস্কার কমিশনের জরিপে দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ মানুষ জাতীয় সংসদের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছে। নির্বাচনকে দুর্নীতিমুক্ত রাখতে দুর্বৃত্ত ও মানবতাবিরোধী অপরাধীরা যেন নির্বাচনে অংশ নিতে না পারে, সেজন্য সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

আরএফইডি সভাপতি একরামুল হক সায়েমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ূন কবীরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এবং ইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন