১৭ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৪:৪৮:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান সংসদে প্রথমেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আজ তারাবি নামাজ চলাকালীন মসজিদ লক্ষ্য করে গুলি নিউ ইয়র্কে সামগ্রিক অপরাধ কমলেও ব্রঙ্কসে বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়কে বহিষ্কার ও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব কেয়ারকে ফ্লোরিডা গভর্নরের সন্ত্রাসী ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের রায়


মাহমুদ রেজা চৌধুরীর নবম গ্রন্থ
আশা-আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ২১-১২-২০২২
আশা-আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ মাহমুদ রেজা চৌধুরী


মাহমুদ রেজা চৌধুরী

আমাদের মন্ত্রীদের আশা আমরা অচিরেই সিঙ্গাপুর, কানাডাকে ছাড়িয়ে যাবো। বিশ্বপর্যটক ভেনিস না গিয়ে ঢাকায় আসবে। যারা তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তারা আশঙ্কার কথা বলেন। তারা ঘোষণা করেন, বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হওয়ার দ্বারপ্রান্তে।

মাহমুদ রেজা চৌধুরীর আশা-আশঙ্কার বাংলাদেশ অতিকথন-দোষে দুষ্ট আশাও নেই, আবার ঘনকালো মেঘের আশঙ্কাও প্রকট নয়, তবে সতর্কতা আছে। ১৯৭১-এ স্বাধীন বাংলাদেশ অর্ধশত কিছুটা উত্থান ও কিছুটা পতনের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। কখনো কখনো স্বৈরাচার ও গণতন্ত্রের মধ্যে যে বিস্তর ফারাক, তা ঢেকে রাখা হয়।

লেখকের ভাষায় ‘অতি সাধারণ দৃষ্টিতে, ইতিহাস কখনো সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হয় না, ইতিহাসও পক্ষপাতদুষ্ট। প্রত্যেক পক্ষই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে চায়। অন্যায়ের, ভণ্ডামির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের অর্থ নিজেদের অস্তিত্ব জ্ঞাপন করা। নীরবতা একধরনের প্রশ্রয়, যা সুশীল ভণ্ডদের ধর্ম। আর এ কারণে তা অন্যায়’।

মাহমুদ রেজা চৌধুরী চেষ্টা করেছেন নির্মোহভাবে বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক ইতিহাস রচনা করতে। তিনি নিজে সমাজবিজ্ঞানী এবং দক্ষ সমাজবিশ্লেষক। দল ও মতের দাস না হয়ে মুক্তমনে যদি পাঠক বাংলাদেশকে জানতে চান, এই বইটিই হবে সবচেয়ে সহায়ক।

লেখক পরিচিতি

মাহমুদ রেজা চৌধুরী, লেখক হিসেবে তাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেবার সুযোগ কমই বলতে হয়। দীর্ঘ তিন যুগ ধরে লিখছেন মাহমুদ চৌধুরী। এ পর্যন্ত তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা আটটি। তার লেখার মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে- সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতি, ধর্ম এবং মানুষের মনস্তাত্ত্বিক আচার-আচরণের বিশ্লেষণ। মাহমুদ রেজা কেবল লেখক নন। জাতীয়ভাবে স্বীকৃত একজন ডিবেটর, সংগঠক, একজন জনপ্রিয় উপস্থাপক, আলোচক এবং বিশ্লেষক। পারিবারিকভাবে মাহমুদ রেজা চৌধুরী বাংলাদেশের এক সম্ভান্ত এবং সুপরিচিত পরিবারের সদস্য। ব্যক্তিগতভাবে জীবন বিনয়ী, বন্ধুবৎসল, এবং প্রচন্ড পরিশ্রমী একজন মানুষ। উল্লেখ্য যে, তিনি বাংলাদেশের বরিশাল বিভাগের সুবিখ্যাত উলানিয়া পরিবারের সদস্য। তার দাদা মরহুম ওয়াহেদ রেজা চৌধুরী ছিলেন অবিভক্ত ভারতে কংগ্রেসের বরিশাল জেলার সভাপতি এবং প-িত নেহেরুর পিতা মতিলাল নেহেরুর রাজনৈতিক উপদেষ্টা। লেখকের পিতা মরহুম হোসেন রেজা চৌধুরী ছিলেন একজন সরকারি পদস্থ কর্মকর্তা। মা মরহুমা আকতারি বেগম ছিলেন একজন গৃহবধূ এবং অমায়িক ব্যক্তিত্বের অধিকারী। মাহমুদ রেজা চৌধুরীর দাদি মরহুমা রফিকা বেগম ছিলেন একজন রাজনৈতিক সমাজকর্মী। মরহুমা রফিকা বেগম মূলত উর্দুভাষী এবং তৎকালীন ভারতের অন্যতম নেতা মওলানা মোহাম্মদ আলী এবং শওকত আলীর উর্দু ভাষণের বাংলা তরজমাকারী। মাহমুদ রেজা চৌধুরী বাংলাদেশের অন্যতম বিশিষ্ট কলামিস্ট, লেখক বর্তমানে যুক্তরাষ্টের নাগরিক আমাদের সকলের সুপরিচিত আবদুল গাফফার চৌধুরীর একমাত্র ভ্রাতুষ্পুত্র।

বইটি প্রকাশ করেছে এপিপিএল।

শেয়ার করুন