১৭ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৮:২০:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মবার্ষিকী আজ নিজ হাতে মাটি কেটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান সংসদে প্রথমেই বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হলেন ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসছে আজ তারাবি নামাজ চলাকালীন মসজিদ লক্ষ্য করে গুলি নিউ ইয়র্কে সামগ্রিক অপরাধ কমলেও ব্রঙ্কসে বাড়ছে মুসলিম সম্প্রদায়কে বহিষ্কার ও নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব কেয়ারকে ফ্লোরিডা গভর্নরের সন্ত্রাসী ঘোষণার বিরুদ্ধে আদালতের রায়


এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ
সালেক সুফী
  • আপডেট করা হয়েছে : ১০-০৭-২০২৪
এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ


অস্বীকার করবো না বাংলাদেশে সুশাসনের অভাব প্রকট, দুর্নীতি হয়েছে সব ক্ষেত্রে, সব পর্যায়ে তবুও ভরসা আছে দুর্নীতির লাগাম টেনে সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব হলে বাংলাদেশ সুশাসন নিশ্চিত করে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে পারবে। তবে সরকারকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে চলতি জেহাদ আপসহীনভাবে চালিয়ে যেতে হবে। সরকার এবং দল থেকে চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের ছেঁটে ফেলে বিচারের আওতায় আনতে হবে। আমার বাংলাদেশ সফরে ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে সাধারণ মানুষদের মাঝে প্রাণের জোয়ার দেখেছি। মেধাবী সৃজনশীল তরুণদের মধ্যে দেশপ্রেম দেখেছি। প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের বাধাগুলো অপসারণ করে দিলে আপন গতিতে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। তবে সব পর্যায়ে সঠিক পেশাদারদের মেধারভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে অবদান রাখার সুযোগ দিতে হবে।

বনানীতে ছিলাম এবার। সকালে প্রাতঃরাশ করতাম স্টার কাবাব রেস্টুরেন্টে। অনেক মেধাবী তরুণ-তরুণীর সঙ্গে কথা হয়েছে। ওদের চোখে দেশপ্রেম দেখেছি, উন্নয়ন ক্ষুধা দেখেছি, জ্বালানি, বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোর নতুন প্রজন্মকেও অনেক নিবেদিত মনে হয়েছে। শীর্ষ পর্যায়ে কিছু অদক্ষ দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তা আছে, আছে প্রশাসনিক জটিলতা। একই পরিস্থিতি অন্য মন্ত্রণালয়েও। সরকারপ্রধান চেষ্টার ত্রুটি করছেন না। তার পাশে অন্তত ১০ জন দেশপ্রেমিক উপদেষ্টা থাকলে দেশ ২০৩০ নাগাদ উন্নয়নের সঠিক পথে এগিয়ে যাবে। দেখলাম ঢাকা বাইপাস, আশুলিয়া-ঢাকা টাঙ্গাইল সড়ক, শাহজালাল বিমানবন্দর তৃতীয় টার্মিনাল, মেট্রোরেল চলতি কাজ, ঢাকা-সিলেট ছয় লেন সড়ক নির্মাণকাজ এগিয়ে চলেছে। পেট্রোবাংলা তৎপর হয়ে গ্যাস সেক্টরের পিছিয়ে পড়া কাজগুলো করছে। আমি আশুলিয়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পদ্মা সেতু হয়ে সাতক্ষীরা, সুন্দরবন সফর করেছি। সাধারণ মানুষদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে আলোচনা করেছি। অনেক মেধাবী তরুণ বিদেশ থেকে ফিরে এসে গ্রামেগঞ্জে গঠনমূলক কাজ করছে। ওদের অবদানে ধীরে হলেও নীরব বিপ্লব সাধিত হচ্ছে। আমাকেও উদ্বুদ্ধ করছে দেশের হয়ে আরো নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত হতে।

আমি তাদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করি যারা বাংলাদেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন। আশা করি মিডিয়ায় কথা না বাড়িয়ে প্রতিটি দেশপ্রেমিক মানুষ যেন দেশ সেবায় নিজেদের সৃজনশীলতা কাজে লাগায়। তাহলেই সব বাধা চূর্ণ করে এগিয়ে যাবে আমাদের বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন