৩১ জানুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ০৩:৪৭:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নিপা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে ঘিরে ভারতে অনুষ্ঠিতব্য টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে অনিশ্চিয়তা ‘উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিনঘাঁটিগুলো ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের নাগালের মধ্যেই রয়েছে’ এনসিপির ৩৬ দফার ইশতেহার, কী আছে তাতে? ১২ ফেব্রুয়ারী ধানের শীষের পাশাপাশি হ্যা ভোট দেয়ারও আহ্বান তারেক রহমানের আন্তর্জাতিক আদালতে বাংলাদেশের জয়, নাইকোকে ৫১৬ কোটি টাকা জরিমানা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ প্রচার সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য দণ্ডনীয় অপরাধ- ইসি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে হবে- জাহাঙ্গীর তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ আসন্ন সংসদের প্রথম অধিবেশনে পাশের আহ্বান নিরাপদ কর্মপরিবেশের দায়িত্ব নিয়োগকর্তারই `খুব ঠান্ডা শীত এলে এখনো পিঠে ব্যথা হয়, কারাগারে নির্যাতনের ফল'


কলকাতায় ওবায়দুল কাদেরের গুরুতর অসুস্থতার খবর
দেশ রিপোর্ট
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৭-০১-২০২৬
কলকাতায় ওবায়দুল কাদেরের গুরুতর অসুস্থতার খবর হাসপাতাল বেডে ওবায়দুল কাদের


জুলাই আন্দোলনের আগে পরে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সিংহভাগ নানা উপায়ে দেশ থেকে পালিয়ে যেতে পারলেও দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের যেতে পারেননি। কথিত আছে লুকিয়ে ছিলেন দেশের কোথাও। পরে বেশ কিছুদিন পর তিনিও সীমান্ত পার হয়ে ভারতে ঠাঁই নেন। বিভিন্ন সূত্রে পরপরই জানা গেছে কলকাতায় ওবায়দুল কাদেরের অবস্থানের কথা। যদিও ভারতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অবস্থান নিয়ে চরম বিতর্ক চলছে। 

কিন্তু দীর্ঘদিন থেকেই তার শারীরিক অবস্থা নাজুক পর্যায়ে। জানা গেছে, চিকিৎসকের বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেই দলের প্রয়োজনে আগের মতোই কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন এবং জুলাই আন্দোলন প্রতিরোধে বড় ভূমিকাও রাখেন। 

কলকাতা থেকে সদ্য খবর এসেছে ভারতে অবস্থান নেওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। বর্তমানে তাকে ভারতের কলকাতার বাইপাস সংলগ্ন অ্যাপোলো হাসপাতালে আইসিইউতে রেখে ভেন্টিলেশনে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের খবর অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত একাধিক জটিল রোগে ভুগছিলেন ওবায়দুল কাদের। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তিনি বেশ কিছুদিন ধরে শয্যাশায়ী ছিলেন। কলকাতার নিউ টাউনে একটি ভাড়া বাসায় অক্সিজেন সাপোর্টে তার চিকিৎসা চলছিল বলে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গত শুক্রবার হঠাৎ করে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। প্রায় সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাকে দ্রুত কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালে ভর্তির পরপরই চিকিৎসকরা তার অবস্থাকে গুরুতর বিবেচনা করে ভেন্টিলেশনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

হাসপাতাল সূত্রের বরাতে জানা গেছে, চিকিৎসায় তিনি কিছুটা সাড়া দিচ্ছেন। তবে এখনো তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং সংকটজনক পর্যায়ে রয়েছে। রোগনির্ণয়, চিকিৎসা পদ্ধতি বা ভবিষ্যৎ চিকিৎসা পরিকল্পনা সম্পর্কে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি। 

অন্য এক সূত্রের দাবি কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে থাকা বাংলাদেশ থেকে পলাতক কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, নতুন করে কোনো ধরনের চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ না থাকায় পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে কলকাতার নিজ বাসায় ফিরিয়ে নেওয়া হবে। বাসায় চিকিৎসক, লাইফ সাপোর্ট ও প্রয়োজনীয় মেডিকেল ফ্যাসিলিটির মাধ্যমে তার চিকিৎসা চলবে।

এদিকে ওবায়দুল কাদেরের এমন অসুস্থতার কথা আওয়ামী লীগ সমর্থিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব বলেও প্রচারিত করছে। দায়িত্বশীল কোনো মাধ্যম এ ব্যাপারে বক্তব্য না দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়েছে জনমনে।

শেয়ার করুন