৬ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ০৮:০৮:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তারেক রহমানের ভারত সফরে প্রাণান্ত চেষ্টা মোদী সরকারের বেসরকারি উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর নিজেদের সামর্থ যাচাইয়ে অগ্নি পরীক্ষা বাংলাদেশের অসংক্রামক রোগে আক্রান্তের প্রবণতা উদ্বেগজনক আবদুল এল সায়েদকে লক্ষ্য করে রিপাবলিকানদের আক্রমণাত্মক প্রচারণা আবারও জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব সীমিত করার উদ্যোগ দিল্লিতে বসে ঢালাওভাবে অডিও বার্তার সুযোগ হারাচ্ছেন হাসিনা সাকিব প্রসঙ্গে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী- ‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ঘনবসতিপূর্ণ ও অপরিকল্পিত নগর এলাকায় শিশুদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেশি এআইপ্যাক সমর্থিত প্রার্থীকে হারিয়ে মিশিগানে চমক দেখালেন ড. আবদুল এল-সায়েদ


দেশকে পুতুল
মনে হচ্ছে এখনো আমি স্বপ্নের ভেতর আছি
আলমগীর কবির
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৪-০২-২০২৬
মনে হচ্ছে এখনো আমি স্বপ্নের ভেতর আছি আইনুন নাহার পুতুল


আইনুন নাহার পুতুল। সাঁতাও সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পাচ্ছেন তিনি। গত ২৯ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ঘোষণা করা হয়েছে তার নাম। এই প্রাপ্তি নিয়ে তিনি কথা বলেছেন নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত পাঠকপ্রিয় দেশ পত্রিকার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আলমগীর কবির 

প্রশ্ন: সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ার খবর শোনার মুহূর্তটা কেমন ছিল?

আইনুন নাহার পুতুল: খবরটা শোনার পর মনে হচ্ছিল, কেউ যেন হঠাৎ করে আমাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে বলছে। এটা সত্যি। এখনও মনে হচ্ছে, আমি কোনো এক স্বপ্নের ভেতরে আছি। এত বড় একটি সম্মান আমার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে আসতে পারে, সেটা কখনও কল্পনাও করিনি। সময় যত যাচ্ছে, ধীরে ধীরে অনুভূতিটা ভেতরে বসছে। কিন্তু সত্যি বলতে কী, এখনও পুরোটা উপলব্ধি করতে পারিনি। 

প্রশ্ন: আনন্দের মুহূর্তে কার কথা আপনার বেশি মনে পড়ছে?

আইনুন নাহার পুতুল: বাবার কথাই সবচেয়ে বেশি মনে পড়ছে। বাবাকে খুব মিস করছি। উনি যদি আজ বেঁচে থাকতেন, তাহলে এই খবরটা শুনে কতটা খুশি হতেন, সেটা ভাবলেই চোখ ভিজে আসে। জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তেই বাবার অনুপস্থিতি অনুভব করেছি, কিন্তু আজ সেটা আরও তীব্রভাবে টের পাচ্ছি। আমার ভাই দেশের বাইরে থাকায় সে পাশে নেই, এই মুহূর্তটা একসঙ্গে ভাগ করে নিতে পারছি না। তবে মা খবরটা শোনার পর খুব খুশি হয়েছেন। মায়ের আনন্দ, তাঁর কণ্ঠে প্রশান্তি। এই সবকিছুই আমার কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি। 

প্রশ্ন: ‘সাঁতাও’ সিনেমাটি নিয়ে জানতে চাই?

আইনুন নাহার পুতুল: ‘সাঁতাও’ আমার জীবনের একটি বিশেষ অধ্যায়। এই ছবিটি করতে গিয়ে আমি শুধু একজন চরিত্র নয়; বরং একটি ভিন্ন জীবনধারা ও মানসিকতার ভেতর দিয়ে গেছি। ছবিটির প্রতিটি দৃশ্যের পেছনে অসংখ্য মানুষের পরিশ্রম, চিন্তা ও দায়বদ্ধতা জড়িয়ে আছে। তাই এই সিনেমার জন্য পাওয়া স্বীকৃতিকে আমি ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবে দেখি না। এটা পুরো টিমের সম্মিলিত সাফল্য। নির্মাতা খন্দকার সুমন ভাইয়ের নির্দেশনা ও সহযোগিতা আমাকে চরিত্রটিকে গভীরভাবে বোঝার সুযোগ করে দিয়েছে। আমি চেষ্টা করেছি, সেই বিশ্বাসের মর্যাদা রাখতে। 

প্রশ্ন: শুটিংয়ের সময় কোনো বিশেষ অভিজ্ঞ, তা কি আপনাকে আলাদা করে নাড়া দিয়েছে?

আইনুন নাহার পুতুল: শুটিংয়ের প্রতিটি দিনই আমার জন্য শিক্ষণীয় ছিল। কিছু দৃশ্য ছিল মানসিকভাবে ভীষণ চ্যালেঞ্জিং, আবার কিছু মুহূর্ত ছিল ভীষণ আবেগঘন। পুরো টিমের সহযোগিতার কারণেই আমি সেই দৃশ্যগুলো ঠিকভাবে করতে পেরেছি। সেটা একটা পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ ছিল, যেটা একজন অভিনেতার জন্য খুব জরুরি। 

প্রশ্ন: পুরস্কারটি কাদের উৎসর্গ করতে চান? 

আইনুন নাহার পুতুল: আমি মন থেকে কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই ‘সাঁতাও’ সিনেমার পুরো টিমকে।

শেয়ার করুন