০৮ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ০৬:২৭:৩৫ অপরাহ্ন


দেশকে বিদুষী বর্ণিতা
ট্রফিটি শুধু পুরস্কার নয় বড় একটি দায়িত্ব
আলমগীর কবির
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৮-০৪-২০২৬
ট্রফিটি শুধু পুরস্কার নয় বড় একটি দায়িত্ব বিদুষী বর্ণিতা


দীর্ঘ সাত বছরের বিরতি শেষে আবারও সরব লাক্স সুপারস্টার মঞ্চ। সহস্র প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে এবারের সেরার মুকুট জয় করেছেন বিদুষী বর্ণিতা। বিজয়ের পর ট্রফি বুকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর শেয়ার করা ছবিটি এখন টক অব দ্য টাউন। পড়াশোনায় মেধাবী হয়েও কখনো ‘প্রথম’ না হতে পারা মেয়েটির শ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসার সেই রোমাঞ্চকর অনুভূতি ও আগামীর স্বপ্ন নিয়ে তিনি কথা বলেছেন নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত পাঠকপ্রিয় দেশ পত্রিকার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছে না আলমগীর কবির 

প্রশ্ন: অভিনন্দন বিদুষী বর্ণিতা! দীর্ঘ সাত বছর পর আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় আপনি সেরার মুকুট জিতলেন। এই মুহূর্তে অনুভূতি কেমন?

বিদুষী বর্ণিতা: অসংখ্য ধন্যবাদ। সত্যি বলতে, সবকিছু এখনো আমার কাছে স্বপ্নের মতো মনে হচ্ছে। যখন আমার নাম ঘোষণা করা হলো, তখন আবেগে আমার পা কাঁপছিল, আমি ঠিকমতো দাঁড়িয়ে থাকতেও পারছিলাম না। এই অর্জন আমি হৃদয়ের খুব কাছে আগলে রাখতে চাই। এটি আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অভিজ্ঞতা।

প্রশ্ন: আপনার ফেসবুক পেজে একটি ছবি বেশ আলোচনায় এসেছে, যেখানে আপনাকে রাজকীয় সাজে ট্রফি বুকে নিয়ে শুয়ে থাকতে দেখা গেছে। ওই মুহূর্তটি নিয়ে কিছু বলুন।

বিদুষী বর্ণিতা: সেই ছবিটি ছিল আমার বিজয়ের প্রথম রাতের প্রতিচ্ছবি। আমি চেয়েছিলাম এই বিশেষ মুহূর্তটিকে স্মৃতি হিসেবে ধরে রাখতে। এই ট্রফিটি শুধু একটি পুরস্কার নয়, এটি আমার কাছে অনেক বড় একটি দায়িত্ব। আমি সব সময় প্রথম হতে চেয়েছি, আর আজ যখন সত্যিই এই মঞ্চে প্রথম হতে পারলাম, তখন ট্রফিটি বুক থেকে সরাতেই মন চাইছিল না।

প্রশ্ন: আপনি মঞ্চে বলেছিলেন যে পড়াশোনায় ভালো করলেও আগে কখনো প্রথম হতে পারেননি। সেই অপ্রাপ্তি কি আজ ঘুচলো?

বিদুষী বর্ণিতা: একদম ঠিক। আমি বরাবরই পড়াশোনায় ভালো ফলের চেষ্টা করেছি, কিন্তু দেখা যেত সব সময় দ্বিতীয় বা তৃতীয় হতাম। মনে মনে একটা সুপ্ত আকাক্সক্ষা ছিল-জীবনে কোথাও না কোথাও অন্তত একবার প্রথম হতে চাই। আজ এই মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে দাঁড়িয়ে সেই আকাক্সক্ষা পূরণ হলো। প্রথম হওয়ার স্বাদ যে এত মধুর, তা আজ বুঝতে পারছি।

প্রশ্ন: এই পথচলা নিশ্চয়ই খুব একটা সহজ ছিল না। আপনার এই সাফল্যের পেছনে মূল প্রেরণা কী ছিল?

বিদুষী বর্ণিতা: না, পথচলাটা মোটেও সহজ ছিল না। অনেক পরিশ্রম আর ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে। তবে দর্শক আর ভক্তদের ভালোবাসা আমাকে শক্তি জুগিয়েছে। তাদের সমর্থনেই আমি আজ এখানে আসতে পেরেছি। আমি সবসময় বিশ^াস করি, দর্শকের ভালোবাসাই একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় সম্পদ।

প্রশ্ন: ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী? নিজেকে নিয়ে সামনে আর কতদূর যাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন?

বিদুষী বর্ণিতা: আমি এই খেতাবের মর্যাদা এবং দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করব। মানুষের এই ভালোবাসার প্রতিদান দিতে চাই ভালো কাজের মাধ্যমে। এই ট্রফিটি আমার সামনের পথ চলার অনুপ্রেরণা। আমি আরও অনেক দূর যেতে চাই এবং সবার প্রত্যাশা পূরণ করতে চাই। সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

শেয়ার করুন