১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার, ০৭:১৫:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি - প্রধানমন্ত্রী ‘মাননীয়’ শব্দ ব্যবহার না করার সূচনা নিজেই শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টেক্সাসে বিতর্কিত নতুন পাঠ্যক্রম অনুমোদনে মুসলিমদের ক্ষোভ ঘুষ নিয়ে নাগরিকত্ব, সাবেক ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা লুকম্যান ও ওলাবি গ্রেফতার জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে তারেক-ট্রাম্পের বৈঠকের সম্ভাবনা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নিলেন ড. খলিলুর রহমান সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও স্ত্রীর সম্পদের বিষয়ে এফবিআইয়ের প্রতিবেদন দুদকে তারেকের কূটনৈতিক চালে ধরাশায়ী হাসিনা মুসলিম বিদ্বেষে কিশোর আলী হত্যায় মায়ার্সকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড অক্টোবরে বাড়ছে স্ন্যাপ সুবিধা ও আয়সীমা


পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না শেখ মুজিবের- স্পিকার
নিজস্ব প্রতিনিধি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১২-০৭-২০২৬
পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা ছিল না শেখ মুজিবের- স্পিকার


জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘তাজউদ্দীন সাহেব শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে গিয়ে বলেছিলেন, পাকিস্তানিরা আক্রমণ করতে যাচ্ছে। মানুষ স্বাধীনতা চায়। কিন্তু শেখ সাহেব তখন বলেছিলেন, আমি বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে পারি না, পাকিস্তান ভাঙতে আমার কোনো অবদান থাকুক, এটি আমি চাই না। সুতরাং তিনি (শেখ মুজিবুর রহমান) স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।’


 শনিবার (১১ জুলাই) ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ইতিহাস ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্পিকার এসব কথা বলেন। রাওয়া চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আব্দুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।


স্পিকার বলেন, ‘পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত আক্রমণের মুখে যখন জাতি দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখনই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাহসের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ওই সংকটময় মুহূর্তে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্দীপ্ত ও অনুপ্রাণিত করেছিল। এটিই হলো প্রকৃত সত্য। আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি স্বাধীনতার মহান ঘোষক ও এদেশের মহান রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানকে, যিনি আমাকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।


হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, এটি ছিল একটি জনতার যুদ্ধ। অথচ, স্বাধীনতার পর ক্ষমতায় এসে একটি বিশেষ গোষ্ঠী ইতিহাস বিকৃত করে শুধু ৭ মার্চের ভাষণের ওপর ভিত্তি করে স্বাধীনতার কৃতিত্ব নিতে চেয়েছিল, যা ছিল চরম অন্যায়। তিনি বলেন, ‘রাজনীতিবিদরা সাধারণত অন্যের কৃতিত্ব হাইজ্যাক করেন এবং নিজের দলের নেতাকে ছাড়া কাউকে কৃতিত্ব দিতে চান না।’ 


ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবময় ভূমিকার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘তখন পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টের মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল। একেকটি ক্যান্টনমেন্টে তারা কোনো পূর্বপরিকল্পনা বা যোগাযোগ ছাড়াই পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে বিদ্রোহ করেন এবং জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান। এই প্রতিরোধ যুদ্ধই ছিল ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি।’ এ সময় তিনি সৈনিকদের সঙ্গে অফিসারদের সম্পর্কের যে চিরাচরিত বন্ধন, তা পুনরায় শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।  

শেয়ার করুন