বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাদের বৈঠকে নেতৃবৃন্দ
গত ২০ এপ্রিল সোমবার জ্যামাইকাস্থ একটি রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তাদের এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক ডাঃ ওয়াদুদ ভূঁইয়া ও পরিচালনা করেন সদস্য সচিব বাবুল চৌধুরী ও প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মদ জামান তপন। সভায় এ বছর একটি মিলনমেলা আয়োজন করা, গঠনতন্ত্র প্রণয়ন ও নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় উপস্থিত সবাই এ বছর আবারো ইনডোরে মিলনমেলা আয়োজনের ব্যাপারে একমত প্রকাশ করেন। গঠনতন্ত্র প্রণয়নের লক্ষ্যে ৩ জন লিখিত প্রস্তাবনা দেন বাকিরা বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে একটি ১১ সদস্যের কার্যকরি কমিটি ২ বছর মেয়াদে গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। যা চেয়ারম্যান, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও ডিরেক্টর হিসেবে পদায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। গঠনতন্ত্র প্রণয়নের পরই একটি নতুন কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়। এ বিষয়ে কমিটির আহবায়ক ডাঃ ওয়াদুদ ভূঁইয়াকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি গঠনতন্ত্র প্রণয়নের জন্য ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করবেন। সাবেক কর্মকর্তাদের সভায় বর্তমান কমিটি সমালোচনা না করার প্রস্তাব করা হয়। যদি কারো কোন মতামত থাকে তা বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সভায় আলোচনা করতে অনুরোধ জানানো হয় এবং সোসাইটির কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে কোনো প্যানেলকে সাবেক কর্মকর্তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে সমর্থন না দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়, তবে যে কেউ এককভাবে কোনো প্রার্থী বা প্যালেলকে সমর্থন করতে পারবে।
আগামী আরেকটি সভায় গঠনতন্ত্র চূড়ান্ত প্রণয়ন ও অনুমোদন করা হবে। সেই সাথে কোথায় কখন এ বছর মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হবে তা চূড়ান্তভাবে সিদ্ধান্ত হবে। এরমধ্যে কয়েকটি ভেন্যুতে যোগাযোগ করা হবে। সভা শেষে নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে বৈশাখি নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। যার মধ্যে ছিল ভাত, তিন পদের ভর্তা, ইলিশ, লতি চিংড়ি ও ডাল।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন নার্গিস আহমেদ, মাহমুদ চৌধুরী, নজরুল ইসলাম, ওয়াসি চৌধুরী, ফারুক আজম, ফারুক চৌধুরী, রুহুল আমিন ছিদ্দিকি, আলী ইমাম, ফজলে রাব্বী, ফারুক হোসেন মজুমদার, শেখ সিরাজ, আক্তার হোসেন, মাইনুউদ্দিন মাহবুব, ফিরোজ আহমেদ, ফেরদৌস খান, নুরুল হক, সৈয়দ এম কে জামান, শাহ আলম, এলিন ওয়াহিদ, ফারহানা চৌধুরী, বেলাল মাহমুদ,এইচ এম জামিল, খন্দকার ফরহাদ, শাহনাজ আলম লিপি, খান শওকত প্রমুখ।